
এবারের বিশ্বকাপে লিওনেল মেসি কেমন করছেন, সেটা সকলেরই জানা। গোলের পর গোল করে ভেঙেচুরে দিচ্ছেন রেকর্ড। ছন্দে থাকা মেসিকে প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন সতীর্থসহ সাবেক ফুটবলার ও কোচরা। তবে এবার আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডকে নিয়ে আলোচনা মূলত বিতর্কিত এক ঘটনায়। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের তারকা ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানকে লাল কার্ড দেখানোয় মেসির ঘটনা নিয়ে কথাবার্তা হচ্ছে।
সান ফ্রান্সিসকোতে আজ সকালেই যুক্তরাষ্ট্র-বসনিয়া শেষ বত্রিশের ম্যাচে বালোগানের লাল কার্ডের ঘটনা ঘটেছে। ৬৪ মিনিটে বসনিয়ান ডিফেন্ডার তারিক মুহারেমোভিচের সঙ্গে বল দখলের লড়াই চলতে থাকে বালোগানের। দৌড়ে মুহারেমোভিচ যখন সামনে চলে যান, তখন তাঁর সামনে পড়লে বাঁ পায়ের শটে ক্লিয়ার করেন। কিন্তু সে মুহূর্তে বালোগান পেছন থেকে মুহারেমোভিচকে বাধা দিতে গিয়ে ডান পা দিয়ে বসনিয়ান ডিফেন্ডারের গোড়ালির ওপর পাড়া দেন। যুক্তরাষ্ট্র ফরোয়ার্ডকে লাল কার্ড দেখানো হলে ভক্ত-সমর্থকেরা মেসির সেই ঘটনা সামনে এনেছেন। ১৭ জুন কানসাসে মেসি বল দখল করতে গিয়ে আলজেরিয়ার আইসা মান্দির গোড়ালিতে আঘাত করলে সেটা ফাউল বলে গণ্য হয়েছিল ঠিকই। কিন্তু মেসিকে কোনো কার্ড দেখানো হয়নি।
ইএসপিএন এফসিতে আজ এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বালোগানের প্রসঙ্গে উঠে এসেছেন মেসিও। আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র-বসনিয়া ম্যাচ দুটির ঘটনা টেনে জার্মেইন জোনস বলেন, ‘যদি আপনার সামনে বল থাকে এবং বল দখল করতে গিয়ে কোনো ফুটবলারকে আঘাত করেন, বিশেষ করে গোড়ালিতে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেটা লাল কার্ড হবে। কিন্তু সে (বালোগান) বসনিয়ার খেলোয়াড়ের সঙ্গে সংঘর্ষ এড়াতে পিছিয়ে এসেছিল। যদি টিভি রিপ্লেতে আবার দেখেন, সব স্পষ্ট হয়ে যাবে। এখন আসল কথায় আসি, যদি আপনি এখানে (বালোগান) লাল কার্ড দিয়ে থাকেন, তাহলে মেসি কেন লাল কার্ড পাবে না?’
বসনিয়াকে ২-০ গোলে হারানোর পর যুক্তরাষ্ট্র শেষ ষোলোতে তাদের প্রতিপক্ষও পেয়ে গেছে। সিয়াটলে ৭ জুলাই শেষ ষোলোতে আয়োজকেরা খেলবে বেলজিয়ামের বিপক্ষে। কিন্তু নকআউট পর্বের এই ম্যাচে বালোগানকে পাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র। যেখানে আয়োজকদের ১০ গোলের মধ্যে চারটিতেই তাঁর অবদান রয়েছে। তিন গোলের পাশাপাশি এক গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি।
শেষ ষোলোতে বালোগানের মতো ফুটবলার না থাকায় যুক্তরাষ্ট্র কিছুটা চাপে থাকবে বলে মনে করেন জোনস। একই সঙ্গে তিনি (জোনস) ফিফারও সমালোচনা করেছেন। বালোগান প্রসঙ্গে জোনস বলেন, ‘এখন আপনি বলবেন, সে (বালোগান) এই ম্যাচ মিস করছে। আসলে তা নয়। সে তার দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। তিন গোল করেছে। কিন্তু পরের ম্যাচ মিস করবে। এমনকি ফিফার দিক থেকেও এটা ভালো কোনো বার্তা দেয় না। কখনো ভক্ত-সমর্থক বা কয়েক দলের কথাবার্তা শুনে আপনি সিদ্ধান্ত দেন, কখনো তা করেন না। সে ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই। এখন আপনার দল (যুক্তরাষ্ট্র) পরের রাউন্ডে যাচ্ছে, কিন্তু সেরা ফুটবলারকে পাচ্ছেন না।’
আর্জেন্টিনার নকআউট পর্ব এখনো শুরু হয়নি। পরশু মায়ামিতে বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় মাঠে গড়াবে আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে শেষ বত্রিশের ম্যাচ। মেসির ঘরের মাঠ হার্ডরকে হতে যাওয়া ম্যাচটিকে ঘিরে এখন সেখানে উৎসবের আমেজ। এবারের বিশ্বকাপে তিন ম্যাচে করেছেন ৬ গোল। যার মধ্যে আলজেরিয়ার বিপক্ষে করেন হ্যাটট্রিক। বিশ্বকাপ ইতিহাসে ১৯ গোল করে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড এখন আর্জেন্টাইন তারকা ফরোয়ার্ডের।

ইউরোর বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের আক্রমণভাগ যখন চেনা ছন্দে ডানা মেলে, তখন প্রতিপক্ষের ডাগআউটে স্বস্তি থাকার কথা নয়। লামিনে ইয়ামালের পায়ের জাদু আর রদ্রি-পেদ্রিদের নিখুঁত নিয়ন্ত্রণে থাকা স্পেনের বিপক্ষে খেলতে নামার আগে যেকোনো দলেরই একটু কেঁপে ওঠার কথা। উরুগুয়ে ও সৌদি আরবকে যেভাবে ‘লা রোহা’রা শাসন করেছে, তাত
৩১ মিনিট আগে
‘কে’ গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে ওঠায় পর্তুগাল শেষ বত্রিশে তুলনামূলক কঠিন প্রতিপক্ষ পেয়েছে। টরন্টোতে আগামীকাল বাংলাদেশ সময় ভোর পাঁচটায় মুখোমুখি হবে পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া। তার আগে আজ রাতে শেষ ষোলোতে ওঠার লড়াইয়ে নামবে স্পেন-অস্ট্রিয়া। দুটি ম্যাচই সরাসরি সম্প্রচার করবে বিটিভি, সময় ও টি স্পোর্টস। এক নজরে দেখে নিন
২ ঘণ্টা আগে
সিয়াটলে গত রাতে যা হলো, তা রীতিমতো অবিশ্বাস্য। যে ম্যাচটা আরেকটু হলেই চলে যেত টাইব্রেকারে, সেটার নিষ্পত্তি হয়েছে আগেভাগেই। এমন রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে খেলোয়াড়-কোচদের মেজাজ হারানোই স্বাভাবিক। কিন্তু সব ছাপিয়ে আলোচনায় বেলজিয়াম-সেনেগাল ম্যাচের রেফারিং। যেখানে কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে ফিফাকেও।
৩ ঘণ্টা আগে
একেই তো বলে নকআউট পর্ব। র্যাঙ্কিংয়ে তুলনামূলক পিছিয়ে থাকা দলগুলো এবারের বিশ্বকাপে শেষ বত্রিশে উঠে নিজেদের পুরোটা নিংড়ে দিচ্ছে। সিয়াটলে গত রাতে বেলজিয়াম-সেনেগাল ম্যাচটার দিকেই তাকান। ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল বেলজিয়াম। বেলজিয়ান অধিনায়ক ইউরি তিলেমান্সের মনে পড়ে গেল আট বছরের পুরোনো এক
৩ ঘণ্টা আগে