
আর্জেন্টিনার ভক্ত-সমর্থকদের হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়ারই কথা। শুধু এবারই নয়। কাতার বিশ্বকাপ থেকেই নকআউট পর্বে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ জিতে চলেছে আলবিসেলেস্তেরা। কানসাস সিটিতে আজ বাংলাদেশ সময় সকালে অনুষ্ঠিত আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচটা তেমন উত্তেজনাপূর্ণ না হলেও স্কালোনির দল ম্যাচটা জিতেছে অতিরিক্ত সময়ে গিয়ে।
সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে খেলবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। তাতে বিশ্বকাপ ফুটবলে ঘটল এক ইতিহাস। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের প্রথম চারে থাকা দলগুলোই এবার খেলছে সেমিফাইনালে। ১৪ জুলাই ডালাসে প্রথম সেমিতে মুখোমুখি হবে ফ্রান্স-স্পেন। বর্তমান র্যাঙ্কিংয়ে ফ্রান্স ও স্পেন অবস্থান করছে ১ ও ৩ নম্বরে। আর আটলান্টায় ১৫ জুলাই হবে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল। আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের অবস্থান ২ ও ৪ নম্বরে। গত বছরের ৫ ডিসেম্বর যখন বিশ্বকাপের সূচি যখন ঠিক করা হয়েছিল, তখনো র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চার দল ছিল আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, স্পেন এবং ইংল্যান্ড।

এই নিয়ে তিনবার সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের মিলনমেলা হচ্ছে সেমিফাইনালে। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা খেলবে ১৯৬৬ সালের চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। আর ২০১৮ চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের মুখোমুখি হচ্ছে ২০১০ চ্যাম্পিয়ন স্পেন। এর আগে ১৯৭০ ও ১৯৯০ বিশ্বকাপে ঘটেছিল সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের মিলনমেলা। ১৯৭০ বিশ্বকাপের দুই সেমিফাইনালের লাইনআপ ছিল ব্রাজিল-উরুগুয়ে এবং ইতালি-জার্মানি। সেই বিশ্বকাপের আগে ব্রাজিল সবশেষ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ১৯৬২ সালে। আর উরুগুয়ে বিশ্বকাপ জেতে ১৯৩০ ও ১৯৫০ সালে। আর ১৯৭০ বিশ্বকাপের আগে জার্মানি ১৯৫৪ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। ইতালি জিতেছিল ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ সালে।
১৯৯০ বিশ্বকাপে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা সেমিতে খেলেছিল ইতালির বিপক্ষে। এই বিশ্বকাপের আগেই ১৯৩৪, ১৯৩৮ ও ১৯৮২ বিশ্বকাপ জিতেছিল ইতালিয়ানরা। আর জার্মানি খেলেছিল ১৯৬৬ চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ১৯৯০ বিশ্বকাপের আগেই জার্মানি ১৯৫৪ ও ১৯৭৪ সালে শিরোপা জিতেছিল। আর ১৯৯০ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে প্রতিশোধ নিয়ে নিজেদের ইতিহাসে তৃতীয় শিরোপা জেতে জার্মানি।
কানসাসে আজ কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ১০ মিনিটেই ইতিহাসের পাতায় নাম লেখান লিওনেল মেসি। আলেক্সিস মাক আলিস্তারকে দিয়ে গোল করিয়ে ফুটবল বিশ্বকাপে একমাত্র ফুটবলার হিসেবে ১০ অ্যাসিস্টের কীর্তি গড়েন মেসি। সমতাসূচক গোলটি ৬৭ মিনিটে করেন সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ডান এনদয়ে। ৯০ মিনিটে ১-১ গোলে ড্রয়ের পর অতিরিক্ত সময়ে গড়ায় আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচ। ১১২ মিনিটে গোল করেন হুলিয়ান আলভারেস। আর ১২০ মিনিটের পর অতিরিক্ত ১ মিনিটে গোল করেন লাউতারো মার্তিনেস।

রেকর্ড গড়া যেন আর্জেন্টিনার কাছে সবচেয়ে সহজ কাজ। ছন্দে থাকা আর্জেন্টিনা মুড়ি-মুড়কির মতো গোল করছে। লিওনেল স্কালোনির দল ভেঙেচূড়ে দিচ্ছে একের পর এক রেকর্ড। আজ কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে ষষ্ঠবারের মতো সেমিফাইনালে উঠল আলবিসেলেস্তেরা।
২৬ মিনিট আগে
রেফারিং নিয়ে নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করে আকাঞ্জি বলেন, ‘ছোট ছোট প্রতিটি সিদ্ধান্তই আমাদের বিপক্ষে গেছে। আর্জেন্টিনার প্রতিটি ডাইভ, প্রতিটি ফাউল শাস্তি ছাড়াই পার হয়ে গেছে। আমি সাধারণত ম্যাচ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলি না, কিন্তু আজকের মতো ম্যাচ আমি আগে কখনো দেখিনি।’
১ ঘণ্টা আগে
গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেলও মনে করেন, শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও অন্তত টাইব্রেকারে যাওয়ার সুযোগ না পাওয়াটা হতাশার। তিনি বলেন, ‘আমি দলকে নিয়ে ভীষণ গর্বিত। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমরা লড়েছি, সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। আমাদের মানসিকতা ছিল অসাধারণ। লাল কার্ডের ঘটনাটি আমি পরিষ্কারভাবে দেখিনি। তবে যেভাবে আমরা লড়া
১ ঘণ্টা আগে
সেমিফাইনালে ওঠার কৃতিত্ব পুরো দলকেই দিয়েছেন স্কালোনি। তবে নকআউট পর্বের পরের চ্যালেঞ্জ নিয়েও সতর্ক তিনি। সেমিফাইনালে বুধবার অপেক্ষা করছে ইংল্যান্ড। স্কালোনি বলেন, ‘এই দলটি ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়ার মতো একটি অর্জন করেছে। এখন আমাদের দ্রুত পুনরুদ্ধার করতে হবে। কারণ পরের ম্যাচের জন্য প্রস্তুত হওয়াই
১ ঘণ্টা আগে