
২০২৬ বিশ্বকাপের মাঝপথে লিওনেল মেসি পা রাখবেন ৩৯ বছরে। প্রায় ১৪ মাস দূরে এখনো বিশ্বকাপ। কিন্তু বিশ্বমঞ্চে খুদে জাদুকরের শৈল্পিক কারুকার্য কি আবার দেখা যাবে? এ প্রশ্ন কাতার বিশ্বকাপের পর থেকেই আলোচনায়। আরেকটি বিশ্বকাপ এখন অনেক কাছাকাছি। মেসির ফর্মের ধারও ততটা কমেনি। মাঠে নামলেই করছেন গোল।
তবে সাবেক সতীর্থ ও বর্তমান ইন্টার মায়ামির কোচ হাভিয়ের মাসচেরানো জানিয়েছেন, মেসির ‘শরীর ও পা’ ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলতে পুরোপুরি প্রস্তুত। তবে খেলবেন কি না এ সিদ্ধান্ত একান্তই তাঁর নিজের।
আগামী বিশ্বকাপ আমেরিকা অঞ্চলে হওয়ায় এমএলএসে নিজেকে এরই মধ্যে প্রস্তুত করছেন মেসি। তবু বয়সের ভার খেলোয়াড়দের খেলায় প্রভাব পড়বে এটাই স্বাভাবিক। মেসি ঝুঁকি এড়িয়ে খেলার সর্বোচ্চ চেষ্টাই করছেন। অস্বস্তি লাগলেই ম্যাচ এড়িয়ে যাচ্ছেন। মাসচেরানো বলেছেন, ‘শরীর ও তার পা নিয়ে আমার মনে কোনো সন্দেহ নেই। মানসিকভাবেও সে প্রস্তুত। তবে সিদ্ধান্ত তার ব্যক্তিগত।’
সিদ্ধান্ত মেসির উল্লেখ করে মাসচেরানো বলেন, ‘বিশ্বকাপে সে খেলবে নাকি খেলবে না তার সিদ্ধান্ত। আপনাকে আমি বলতে পারি না। কারণ তার মাথার ভেতরে আমি নেই। একজন আর্জেন্টাইন হিসেবে বলতে পারি, নিশ্চিতভাবেই তার খেলা দেখতে চাই।’
এক সময়ের সতীর্থ মেসি এখন মাসচেরানোর শিষ্যও। তবে ইন্টার মায়ামি কোচ জানিয়েছেন, তাঁর সিদ্ধান্তে কোনো হস্তক্ষেপ করতে চান না তিনি। মাসচেরানো বলেছেন, ‘সিদ্ধান্ত খুবই ব্যক্তিগত। আমি হস্তক্ষেপ করি না। মত নয়, আমার ইচ্ছা আশা করি সে খেলবে। একজন আর্জেন্টাইন ও খেলাটির সমর্থক হিসেবে বলছি। আমরা তাকে দেখব।’
কিছুদিন আগে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিটো স্পষ্ট জানিয়েছেন, মেসি বিশ্বকাপ খেলবেন কি না, এ সিদ্ধান্ত নিজেই নেবেন। তাঁর বন্ধু লুইস সুয়ারেজ যেমন আশ্বস্ত করছেন ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলবেন মেসি।

এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ভালো খেলেও ২-১ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। এই হারের ছাপ পড়েছে র্যাঙ্কিংয়ে। এক ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ১৮১তম।
২ ঘণ্টা আগে
নেপালকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। গতকাল মালদ্বীপের মালে স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালে ১-০ ব্যবধানে মাঠ ছাড়ে জয় নিয়ে বাংলাদেশের যুবারা। মোহাম্মদ মানিকের দুর্দান্ত এক হেডে জয়সূচক গোলের দেখা পেয়েছে বাংলাদেশ।
৪ ঘণ্টা আগে

গোল হজম করে থাইল্যান্ড যখন কিছুটা দিগ্ভ্রান্ত, বাংলাদেশ তখন সেই সুযোগে নিজেদের গুছিয়ে নিতে মনোযোগ দেয়। প্রতিপক্ষের আক্রমণের তীব্রতা কমে আসায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা সহজ হয় লাল-সবুজদের জন্য। বিরতির ঠিক আগে সাগরিকার উদ্দেশ্যে আবারও একটি লং পাস বাড়িয়েছিলেন সতীর্থরা।
৬ ঘণ্টা আগে