
টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জেতা হয়নি আর্জেন্টিনার। তাতে অবশ্য খেলোয়াড়দের প্রতি সমর্থকদের ভালোবাসায় বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি। তারই আরেকটি প্রমাণ মিলেছে আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেসের নিজ শহর গুয়ালেগুয়েতে।
বিশ্বকাপ শেষে নিজ শহরে ফিরতেই আবেগঘন এক গণসংবর্ধনায় সিক্ত হলেন লিসান্দ্রো। হাজারো সমর্থকের উপস্থিতিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মঞ্চে উঠে সবার শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই তারকা। পরে সমর্থকদের সঙ্গে করমর্দন, আলিঙ্গন, ছবি তোলা এবং অটোগ্রাফ দিয়েও সময় কাটান তিনি।
সংবর্ধনার পর সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শৈশবের শহরে ফিরে আসার অনুভূতি প্রকাশ করেন লিসান্দ্রো। তিনি বলেন, ‘নিজের শিকড়ে ফিরে আসা, যাদের সঙ্গে বড় হয়েছি তাদের সঙ্গে এই সময়টা ভাগ করে নেওয়া—এর চেয়ে বড় অনুভূতি আর কিছু হতে পারে না। আমার জন্য এটি ভীষণ তৃপ্তিদায়ক এবং সত্যিই খুব বিশেষ একটি মুহূর্ত।’
বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর দিনগুলো এখনো যেন অবাস্তব মনে হয় লিসান্দ্রোর কাছে। প্রিয়জনদের মাঝে ফিরে সেই অনুভূতির কথাও তুলে ধরেন তিনি, ‘অবিশ্বাস্য লাগে, সত্যিই মনে হয় যেন কিছুই ঘটেনি। তবে আমি বিশ্বাস করি, জীবনে বড় স্বপ্ন দেখতে হবে, সেই স্বপ্নের পেছনে ছুটতে হবে এবং নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে। আত্মবিশ্বাস নিয়ে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যেতে হবে।’
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে লিসান্দ্রোকে এন্ত্রে রিওস প্রদেশের গুয়ালেগুয়ের সম্মানসূচক নাগরিক ঘোষণা করা হয়। ভোর থেকেই হাজারো মানুষ তাঁকে স্বাগত জানাতে অপেক্ষা করছিলেন। শিশু থেকে শুরু করে পুরো পরিবার—অনেকেই আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা জার্সি ও পতাকা নিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালের আক্ষেপও উঠে আসে লিসান্দ্রোর কণ্ঠে। আবেগাপ্লুত হয়ে এই ফুটবলার বলেন, ‘চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরও আমি এখানে এসেছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এবার আমরা সেটি আবার করতে পারিনি।’

চ্যাপেকোয়েন্সের বিপক্ষে ২-২ গোলের ড্রয়ের পর নতুন বিতর্কে জড়িয়েছেন সান্তোস সবচেয়ে বড় তারকা নেইমার। ম্যাচের পরদিন কোচিং স্টাফের অনুমতি ছাড়াই অনুশীলন কেন্দ্র ত্যাগ করেন। ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবো দাবি করেছে, ম্যাচের বিরতিতে দুই তরুণ সতীর্থ গাব্রিয়েল বন্তেম্পো ও জোয়াও আনানিয়াসের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য
১ ঘণ্টা আগে
পুরো টুর্নামেন্টে প্রতিপক্ষ আমাদের গোলমুখে মাত্র ১০টি শট নিতে পেরেছে। এর কারণ, আমাদের ডিফেন্সিভ কৌশল খুব ভালোভাবে গোছানো ছিল। পুরো টিম দারুণভাবে রক্ষণ সামলায়। সেখানে ১১ জন খেলোয়াড়ই ডিফেন্স করে। এই দল অত্যন্ত ভারসাম্যপূর্ণ; কারণ, পরিসংখ্যান দেখলে বোঝা যায়, আমরা গোলস্কোরিং দল। প্রচুর গোল করেছি, আর হজম
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের ফাইনালের পর নিজের জন্মশহর পুজাতোতে কয়েকটি দিন কাটিয়ে বিদায় নিয়েছেন আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি। তবে বিদায়ের মুহূর্তেও তিনি রেখে গেছেন এক আবেগঘন স্মৃতি। বাবা-মায়ের বাড়ির দরজায় একটি কার্ডবোর্ডে হাতে লেখা ছোট্ট বার্তা রেখে শহরবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বিশ্বকাপজয়ী এই কোচ।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের ফাইনাল হারের সাত দিন পর সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন এক বার্তা দিয়ে আলোচনায় এসেছেন আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি। স্পেনের কাছে শিরোপা হাতছাড়া হওয়ায় সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞত
৪ ঘণ্টা আগে