
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে নিয়ে ঝামেলার যেন শেষ নেই। অনুশীলনের মাঝপথে চলে যাওয়া, এমনকি টুর্নামেন্টের মাঝখানে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এবার পাশে দাঁড়ালেন এক ক্রীড়া বিষয়ক ওয়েবসাইটের সাংবাদিক। তাঁর দাবি পর্তুগিজ ফরোয়ার্ডের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে।
নরওয়ের বিপক্ষে সোমবার রাতে নেশনস লিগে পুরো ৯০ মিনিট রোনালদোকে বসিয়ে রাখেন কোচ জর্জ জেসুস। যা থেকেই এত টালমাটাল অবস্থার সূত্রপাত। পর্তুগিজ ফরোয়ার্ডের কাছে কোচ জেসুস প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু সেটা রক্ষা না করায় রোনালদো বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয়েছেন বলে মনে করেন ‘এল চিরিঙ্গিতো দি জুগোনস’ ওয়েবসাইটের সাংবাদিক এদু আগিরে।
আগিরে পর্তুগালের তারকা ফরোয়ার্ড রোনালদোর ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তিনি যে ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন, সেটা মূলত ডেনমার্ক ম্যাচ সামনে রেখে পর্তুগালের অনুশীলনের সময়ের ঘটনা। পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের (এফপিএফ) সভাপতি পেদ্রো প্রোয়েন্সার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে রোনালদোর কাছে জেসুস ক্ষমা চেয়েছিলেন বলে সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেন আগিরে। এল চিরিঙ্গিতো ওয়েবসাইটের সাংবাদিক বলেন, ‘৩০ মিনিট ধরে তাকে ওয়ার্ম-আপ করিয়ে মাঠে না নামানোর বিষয়টি ছিল অসম্মানজনক। এ জন্য রোনালদোর কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন জর্জ জেসুস। তিনি শুধু ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চাননি। প্রকাশ্যেও ক্ষমা চাইবেন এবং নিজের ভুল স্বীকার করবেন বলে তাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।’
আগিরের দাবি অনুযায়ী প্রকাশ্যে ক্ষমা তো জেসুস চাননি। এমনকি কোচ স্পষ্ট করে দেন যে জাতীয় দলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তাঁরই। জেসুসের ভাষ্য, ‘আমি যা চাই, সেটার প্রতিশ্রুতি দিতে পারি। আমি খেলোয়াড়কে বলেছিলাম যে সে খেলবে না। ৩০ মিনিটের জন্য যদি তোমাকে (রোনালদো) আমার প্রয়োজন হয়, তাহলে তুমি খেলবে। অন্যথায় খেলবে না। কোনো খেলোয়াড়ই আমার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারবে না। সে হোক ফুটবলের বা অন্য কেউ।’ আগুয়েরির মতে কোচের এমন কথাই রোনালদোকে ক্ষুব্ধ করে তোলে। কোচ প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করায় রোনালদো নিজেকে পরিস্থিতির শিকার মনে করেন বলে দাবি এই সাংবাদিকের।
কোচ বিশ্বাসঘাতকতা করায় পরশু রাতে রোনালদো জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়েছেন বলে মনে করেন আগিরে। গতকাল রাতেও তারকা ফরোয়ার্ডকে ছাড়া খেলেছে পর্তুগাল। কোপেনহেগেনে নেশনস লিগের ম্যাচে ডেনমার্ককে ৪-২ গোলে হারিয়েছে পর্তুগিজরা। ছয় গোল করেছেন ছয় ভিন্ন ফুটবলার। পর্তুগালের জোয়াও কানসেলো, গনসালো রামোস, ভিতিনহা, জোয়াও ফেলিক্স করেন গোল। ডেনমার্কের হয়ে লক্ষ্যভেদ করেন মিকেল ড্যামসগার্ড ও রাসমুস হয়লুন্দ।
সবশেষ ২০০৮ সালের ১৫ জুন ইউরোর গ্রুপ পর্বে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে পুরো ম্যাচ বেঞ্চে বসেছিলেন রোনালদো। সেই ম্যাচে পর্তুগাল ২-০ গোলে হেরেছিল। এরপর আন্তর্জাতিক ফুটবলে দীর্ঘ ১৮ বছর পর পুরো ৯০ মিনিট বেঞ্চে বসে থাকার ঘটনা ঘটেছে তাঁর সঙ্গে। সেই ম্যাচে নরওয়েকে ২-১ গোলে হারায় পর্তুগাল। আর জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার ঘটনায় ৭০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে রোনালদোর।
২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ১৬ দিনের ফিফা উইন্ডোতে এরই মধ্যে তিন ম্যাচ খেলে ফেলেছে পর্তুগাল। আরও একটা ম্যাচ তাদের বাকি। পরশু রাতে নরওয়ের বিপক্ষে নেশনস লিগে ফের মুখোমুখি হবে পর্তুগাল। এবার পর্তুগিজরা আতিথেয়তা দেবে নরওয়েজীয়দের।

নিকো পাস কি আর্জেন্টিনার পরবর্তী লিওনেল মেসি—গতকাল আর্জেন্টিনা-বলিভিয়া ম্যাচ শেষে চলছে এই আলোচনা। মেসির মতো গোল করেছেন পাস। পাশাপাশি সতীর্থকে দিয়েও পাস একটা গোল করিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে এত আলোচনার ভিড়ে তিনি যদি একটু আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমের দিকে তাকান, তাহলে জানতে পারবেন এক পুরস্কারের কথা।
৩৬ মিনিট আগে
৯ গোল। নিজেদের ইতিহাসে বাংলাদেশের এত গোল হজম করেছে দুবার—১৯৭৯ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে, ১৯৮২ সালে ইরানের কাছে। ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ৯–২ গোলে হারের পর সেই লজ্জা বলা যায় কানের পাশ দিয়ে চলে গেছ। ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ কোচ টমাস ডুলির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, এমন হার তাঁর কাছে কী অর্থ বহন করছে। উত্তরটা ছোট,
১৩ ঘণ্টা আগে
কিছুক্ষণের মধ্যে ঘোষণা হবে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সূচি। এবার বিশ্বকাপের ফরম্যাট বেশ জটিল। বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল ও ফাইনালের আগে তিনটি পর্বে বিভক্ত থাকবে। ১৪টি কোয়ালিফাই করা দলের মধ্যে সর্বনিম্ন র্যাঙ্কিংয়ের ৩টি দলকে নিয়ে ‘সুপার সিরিজ’ আয়োজনের মাধ্যমে এ টুর্নামেন্টের শুরু। দ্বিতীয় পর্বে ১২টি দলের মোট ৩
১৩ ঘণ্টা আগে
ফিফা আসিয়ান কাপে শেষটা ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতায় রূপ নিল বাংলাদেশের জন্য। জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার তোপের মুখে পড়ে ৯-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে জামাল-হামজারা। প্রথমার্ধেই ৬ গোল হজম করার পর শেষ দিকে গিয়ে আরও ৩ গোল হজম করে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। রোমাঞ্চকর এই জয়ে
১৫ ঘণ্টা আগে