
লিওনেল মেসির বার্সেলোনা ছাড়ার দুই বছর পেরিয়ে গেছে। এই সময়ে মেসিও ক্লাব বদলেছেন দুইবার। তবু বার্সার থেকে এখনো মেসির ৬০০ কোটি টাকারও বেশি পাওনা রয়েছে।
২০২১ সালে বার্সেলোনা থেকে পিএসজিতে চলে যান মেসি। অন্যদিকে তখন আর্থিক সংকটে ভুগছিল বার্সা। লা লিগার বেতন সীমাসংক্রান্ত নীতি অনুযায়ী আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলারের সঙ্গে নতুন করে চুক্তি করতে পারেনি। আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলার তখন ফ্রি এজেন্ট হিসেবে পিএসজিতে গেছেন। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম স্পোর্ত জানিয়েছে, ২০২২-এর মধ্যে মেসিকে ৫ কোটি ২০ লাখ ইউরো (বাংলাদেশি ৬১২ কোটি ৪৭ লাখ টাকা) বার্সার পরিশোধ করার কথা ছিল।
কয়েক দিন আগে বার্সার সভাপতি হুয়ান লাপোর্তার সাক্ষাৎকার নিয়েছিল লা ভ্যানগার্দিয়া। বার্সার থেকে মেসির এখনো কোনো পাওনা রয়েছে কি না, সে ব্যাপারে বার্সা সভাপতিকে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়েছিল। আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলারকে নিয়ম মেনেই টাকা বার্সা দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন লাপোর্তা। ফিন্যান্সিয়াল ফ্লেয়ার প্লেরও কোনো সমস্যা হবে না বলে মনে করেন লাপোর্তা। বার্সা সভাপতি বলেন, ‘পারিশ্রমিকটা তাঁর এখনো পাওনা। আগের বোর্ড তা ঠিক করে রেখেছে এবং টাকার পরিমাণও অনেক। ২০২৫ সালে পুরোপুরি পরিশোধ করা হবে। এখন লা লিগার সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হয়েছে। ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লেতে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না। এটা এক সুসংবাদ।’
মেসির সঙ্গে পিএসজির দুই মৌসুমের সম্পর্ক শেষ হয় এ বছরই। আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলারের পরবর্তী গন্তব্য এখন ইন্টার মিয়ামি। যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাবটির সঙ্গে মেসির আনুষ্ঠানিক চুক্তি প্রায় হয়ে গেছে। এরই মধ্যে তিনি মিয়ামিতে বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট কিনে ফেলেছেন। ২০১৯ সালে মিয়ামিতে পোর্শ ডিজাইন টাওয়ারে মেসি একটি অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন। অ্যাপার্টমেন্ট কিনতে তাঁর খরচ হয়েছে ৯০ লাখ মার্কিন ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ৯৭ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। এই বিল্ডিং থেকে মিয়ামি সমুদ্রসৈকত কয়েক সেকেন্ড দূরে। আর ইন্টার মিয়ামি স্টেডিয়াম থেকে তা ২৫ মিনিট দূরের পথ। মেসির নতুন বাড়িতে রয়েছে সিনেমা, গলফ, রেসিং সিমুলেটরস এবং ঘরোয়া পর্যায়ে রেস্তোরাঁর ব্যবস্থা। ইন্টার মিয়ামি থেকে প্রতিবছর ৫ কোটি থেকে ৬ কোটি ডলার করে পেতে পারেন আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলার।

লিওনেল মেসির বার্সেলোনা ছাড়ার দুই বছর পেরিয়ে গেছে। এই সময়ে মেসিও ক্লাব বদলেছেন দুইবার। তবু বার্সার থেকে এখনো মেসির ৬০০ কোটি টাকারও বেশি পাওনা রয়েছে।
২০২১ সালে বার্সেলোনা থেকে পিএসজিতে চলে যান মেসি। অন্যদিকে তখন আর্থিক সংকটে ভুগছিল বার্সা। লা লিগার বেতন সীমাসংক্রান্ত নীতি অনুযায়ী আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলারের সঙ্গে নতুন করে চুক্তি করতে পারেনি। আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলার তখন ফ্রি এজেন্ট হিসেবে পিএসজিতে গেছেন। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম স্পোর্ত জানিয়েছে, ২০২২-এর মধ্যে মেসিকে ৫ কোটি ২০ লাখ ইউরো (বাংলাদেশি ৬১২ কোটি ৪৭ লাখ টাকা) বার্সার পরিশোধ করার কথা ছিল।
কয়েক দিন আগে বার্সার সভাপতি হুয়ান লাপোর্তার সাক্ষাৎকার নিয়েছিল লা ভ্যানগার্দিয়া। বার্সার থেকে মেসির এখনো কোনো পাওনা রয়েছে কি না, সে ব্যাপারে বার্সা সভাপতিকে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়েছিল। আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলারকে নিয়ম মেনেই টাকা বার্সা দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন লাপোর্তা। ফিন্যান্সিয়াল ফ্লেয়ার প্লেরও কোনো সমস্যা হবে না বলে মনে করেন লাপোর্তা। বার্সা সভাপতি বলেন, ‘পারিশ্রমিকটা তাঁর এখনো পাওনা। আগের বোর্ড তা ঠিক করে রেখেছে এবং টাকার পরিমাণও অনেক। ২০২৫ সালে পুরোপুরি পরিশোধ করা হবে। এখন লা লিগার সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হয়েছে। ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লেতে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না। এটা এক সুসংবাদ।’
মেসির সঙ্গে পিএসজির দুই মৌসুমের সম্পর্ক শেষ হয় এ বছরই। আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলারের পরবর্তী গন্তব্য এখন ইন্টার মিয়ামি। যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাবটির সঙ্গে মেসির আনুষ্ঠানিক চুক্তি প্রায় হয়ে গেছে। এরই মধ্যে তিনি মিয়ামিতে বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট কিনে ফেলেছেন। ২০১৯ সালে মিয়ামিতে পোর্শ ডিজাইন টাওয়ারে মেসি একটি অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন। অ্যাপার্টমেন্ট কিনতে তাঁর খরচ হয়েছে ৯০ লাখ মার্কিন ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ৯৭ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। এই বিল্ডিং থেকে মিয়ামি সমুদ্রসৈকত কয়েক সেকেন্ড দূরে। আর ইন্টার মিয়ামি স্টেডিয়াম থেকে তা ২৫ মিনিট দূরের পথ। মেসির নতুন বাড়িতে রয়েছে সিনেমা, গলফ, রেসিং সিমুলেটরস এবং ঘরোয়া পর্যায়ে রেস্তোরাঁর ব্যবস্থা। ইন্টার মিয়ামি থেকে প্রতিবছর ৫ কোটি থেকে ৬ কোটি ডলার করে পেতে পারেন আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলার।

কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের মূল ফটক দিয়ে ঢুকলেই চোখে পড়বে ঝালমুড়ি-ভেলপুরির অস্থায়ী দোকান। সেসব খাবার আবার সানন্দে খাচ্ছে নারী ফুটবলাররা। হোক সেটা ম্যাচের আগে কিংবা পরে।
১৪ মিনিট আগে
চতুর্থবারের মতো ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি আসছে বাংলাদেশে। আজ সকালে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপ ট্রফি। এর আগে ২০০২, ২০১৪ ও ২০২২ বিশ্বকাপ সামনে রেখেও ট্রফি এসেছিল ঢাকায়। এবারের সফরে ফিফার প্রতিনিধি হিসেবে সঙ্গে আছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা।
৩৯ মিনিট আগে
রিয়াল মাদ্রিদে কেন টিকতে পারলেন না জাভি আলোনসো। রিয়ালের ‘ঘরের ছেলে’ জাবি আলোনসো কোচ হিসেবে যদি টিকতে না পারেন, তাহলে বাইরে থেকে আসা কোচ কীভাবে কাজ করবেন বার্নাব্যুতে!
১ ঘণ্টা আগে
২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু আজিজুল হাকিম তামিমের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সেই সুযোগটা পেলেন কোথায়! বৃষ্টির বাগড়ায় টুর্নামেন্টের আগে নিজেদের ঠিকমতো ঝালিয়ে নিতে পারলেন না তামিম-জাওয়াদ আবরাররা।
১৩ ঘণ্টা আগে