
প্রথমবারের মতো ৪৮ দল নিয়ে হতে যাচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোতে অনুষ্ঠেয় সে বিশ্বকাপের মঞ্চে কি শেষবারের মতো মুখোমুখি হবেন লিওনেল মেসি, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও নেইমার? ফুটবলবিশ্ব এখন অপেক্ষায় সেই সম্ভাব্য মহারণের।
নতুন তারকাদের উত্থানের পাশাপাশি এবারের বিশ্বকাপ ঘিরে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে আধুনিক ফুটবলের তিন তারকা ফুটবলারের সম্ভাব্য বিদায়। ইতোমধ্যে ব্রাজিল ও পর্তুগাল তাদের ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে। কোচ কার্লো আনচেলত্তির দলে জায়গা পেয়েছেন নেইমার। রবার্তো মার্তিনেজের ঘোষিত পর্তুগাল দলেও আছেন রোনালদো।
আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি এখনো চূড়ান্ত দল না দিলেও ৫৫ সদস্যের প্রাথমিক তালিকায় রেখেছেন মেসিকে। বিশ্বকাপে এই ফরোয়ার্ডের অংশগ্রহণ প্রায় নিশ্চিত বলেই ধরা হচ্ছে। আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত তিন দেশে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো হবে। গ্রুপ পর্বের ড্র অনুযায়ী ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও পর্তুগালের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ নেই। এই তিন মহাতারকার সম্ভাব্য দ্বৈরথ দেখা যেতে পারে নকআউট পর্বে।
গ্রুপ ‘সি’তে ব্রাজিল খেলবে মরক্কো, হাইতি ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। আর্জেন্টিনা রয়েছে গ্রুপ ‘জে’তে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া ও জর্ডান। গ্রুপ ‘কে’তে পর্তুগালের প্রতিপক্ষ কঙ্গো, উজবেকিস্তান ও কলম্বিয়া। সম্ভাব্য সমীকরণ অনুযায়ী, নেইমার ও মেসির দেখা হতে পারে সেমিফাইনাল কিংবা ফাইনালে। একইভাবে নেইমার ও রোনালদোর লড়াইও হতে পারে টুর্নামেন্টের শেষ দিকে। যদি দুই দলই গ্রুপে শীর্ষে না থাকে, তাহলে শেষ ষোলোতেই মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ রয়েছে তাঁদের।
সবচেয়ে বেশি আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছে মেসি বনাম রোনালদো দ্বৈরথ। পর্তুগাল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলে এবং আর্জেন্টিনা সেরা তৃতীয় দল হিসেবে নকআউটে উঠলে শেষ ষোলোতেই দেখা হয়ে যেতে পারে দুই মহাতারকার। দুই দলই যদি নিজ নিজ গ্রুপে রানার্সআপ হয়, তাহলেও শেষ ষোলোতে মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। তবে সবচেয়ে বেশি মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা কোয়ার্টার ফাইনালে—যদি আর্জেন্টিনা ও পর্তুগাল উভয়েই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের রাউন্ডে ওঠে।
সব মিলিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ শুধু আরেকটি ফুটবল উৎসবই নয়, বরং আধুনিক ফুটবলের তিন কিংবদন্তির সম্ভাব্য যৌথ বিদায়ের মঞ্চও। ফুটবলপ্রেমীদের অপেক্ষা—শেষবারের মতো একই মাঠে দেখা যাবে কি না মেসি, রোনালদো ও নেইমারকে।

তামিম বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসের মধ্যে সব ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। আগে যা হতো—একেবারে শেষ মুহূর্তে সবকিছু করা হতো। আমরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো চূড়ান্ত করতে চাই, যাতে কেউ নিয়ম ভঙ্গ করলে বা সরে দাঁড়ালে আমাদের হাতে বিকল্প খোঁজার মতো যথেষ্ট সময় থাকে। আমরা এ
৮ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে এখন ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করার হাতছানি এখন বাংলাদেশের সামনে। ব্যাটিং, বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করেছে ফিল সিমন্সের বাংলাদেশ।প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাইয়ের এমন সম্ভাবনা যখন বাংলাদেশের সামনে, তখন স্বাভাবিকভাবেই কৌশল নিয়ে কৌতূহল জেগেছে অনেকের। তবে সিমন্স তা খোলাসা করেননি।
৯ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে হারের পরও প্রতিপক্ষকে নিয়ে কোনো বিস্ময় নেই অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের। বরং তাঁর দাবি, বাংলাদেশ যে ভালো দল, সেটি আগেই তাঁদের জানা ছিল। প্রথম দিনের পরই ম্যাচটা কঠিন হতে যাচ্ছে সেটিও বুঝে গিয়েছিলেন তাঁরা।
১০ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো তো চাট্টিখানি কথা নয়। ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার পর প্রশংসায় ভাসছেন নাজমুল হোসেন শান্ত-মুশফিকুর রহিমরা। এবার তাদের সামনে ইতিহাস সমৃদ্ধ করার হাতছানি। ম্যাকেতে পরশু শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টটা নিয়েই এখন ভাবনা প্রধান কোচ ফিল সিমন্স
১০ ঘণ্টা আগে