
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে পর্তুগিজ ফুটবল সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো সৌদি আরব ছেড়ে গেলেন কি না—এ নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তাঁর ৬১ মিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের ব্যক্তিগত বিমানটি সৌদি আরব থেকে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে উড়ে যাওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
ফ্লাইট ট্র্যাকার তথ্য অনুযায়ী—রোনালদোর মালিকানাধীন বোম্বার্ডিয়ার গ্লোবাল এক্সপ্রেস ৬৫০০ মডেলের জেটটি সৌদি সময় রাত ৮টায় রিয়াদ থেকে উড্ডয়ন করে এবং প্রায় সাত ঘণ্টা পর স্প্যানিশ সময় রাত ১টার দিকে মাদ্রিদে অবতরণ করে। বিমানটি মিসর ও ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে স্পেনে পৌঁছায়। সঙ্গী জর্জিনা রদ্রিগেজ ও পাঁচ সন্তানকে নিয়ে রিয়াদে বসবাস করছিলেন রোনালদো। ভক্তরা ধারণা করছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে তিনি পরিবার নিয়ে সৌদি আরব ত্যাগ করেছেন।
এর আগে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম দাবি করেছে, বাহরাইনে একটি কমান্ড ও স্টাফ ভবনও ধ্বংস হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পাল্টা হামলায় এখন পর্যন্ত ছয় মার্কিন সেনা নিহত এবং ১৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশ থেকে নাগরিকদের দ্রুত সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। রিয়াদগামী বেশ কিছু ফ্লাইট মাঝপথ থেকে ফিরে গেছে। হাজার হাজার বিদেশি নাগরিক এই অঞ্চল ছাড়ার চেষ্টা করছেন।
এদিকে রোনালদো বর্তমানে সৌদি প্রো লিগে আল-নাসর ক্লাবের হয়ে খেলেন। সম্প্রতি চোটের কারণে তিনি মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ এলিট ও অন্যান্য প্রতিযোগিতার পশ্চিমাঞ্চলের ম্যাচগুলো স্থগিত করা হয়েছে।
রোনালদো বা তাঁর প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে সৌদি আরব ত্যাগের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। তবে তাঁর বিলাসবহুল জেটের হঠাৎ মাদ্রিদ গমন সংঘাতময় পরিস্থিতির মধ্যেই নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

ক্লাব পর্যায়ে গোলের ঝুলঝুরি ছুটিয়ে অনেক আগেই গোলমেশিন তকমা পেয়েছেন আরলিং হালান্ড। এবারের বিশ্বকাপেও ধারাবাহিকভাবে জালের দেখা পাচ্ছেন। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিলকে বিদায় করার পথে দুইবার পেয়েছেন জালের দেখা। এরপর সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এই স্ট্রাইকার।
১২ মিনিট আগে
বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর আক্ষেপের নাম হয়ে থাকল পেনাল্টি মিস। স্পট কিক থেকে গোল করতে ব্যর্থ হয়ে ভক্তদের তোপের মুখে পড়েছেন ব্রুনো গিমারেস। একই সঙ্গে সামনে উঠে আসছে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের নাম।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে ব্রাজিলের। সেই হারের অন্যতম মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া মুহূর্ত ছিল প্রথমার্ধে ব্রুনো গিমারেসের পেনাল্টি মিস। ম্যাচ শেষে সেই ব্যর্থতার দায় নিজের কাঁধে নিয়ে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন নিউক্যাসল ইউনাইটেডের এই মিডফিল্ডার।
১ ঘণ্টা আগে
গিমারেসকে পেনাল্টি নিতে দেখে অনেকেই বিস্মিত হন। ক্লাব ফুটবলে গত মৌসুমে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের হয়ে দুটি পেনাল্টিই সফলভাবে কাজে লাগিয়েছিলেন। তবে তিনি দলের নিয়মিত পেনাল্টি নেওয়ার খেলোয়াড় ছিলেন না। এমনকি নিজের পেশাদার ক্যারিয়ারে সবমিলিয়ে তিনটি পেনাল্টি নিয়েছেন তিনি। ২০২৫–২৬ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের
৩ ঘণ্টা আগে