নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়টা অনুমিতই ছিল। প্রত্যাশিত জয় নিয়েই দল ছেড়েছে ২২ গজ। কিন্তু যে প্রেক্ষাপট থেকে বাংলাদেশ জিতেছে তা বহুদিন মনে রাখার মতোই। সেটা অবশ্য প্রথমবারের মতো আফগানদের বিপক্ষে সফল রান তাড়ার কারণেই নয়, পরাজয়ের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে আফগান স্পিন সামলে মেহেদী হাসান মিরাজ ও আফিফ হোসেন ধ্রুব যেভাবে বাংলাদেশকে জিতিয়েছেন সেটার বিশেষ এক কথায় অবিশ্বাস্য। অধিনায়ক তামিম ইকবাল তো ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন জয়ের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে।
আজ চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রথম ওয়ানডেতে রশিদ-নবীদের ৪ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। আফগানদের ২১৫ রানে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর ব্যাটিংয়ে শুরুতেই ধসে পড়ে স্বাগতিকদের টপ অর্ডার। ২৮ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। ৪৫ রানে দলের ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে সাজঘরে ফিরে যান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ১০০ রানের মধ্যে অলআউটের আশঙ্কায় পড়েছিল দল। সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল, লিটন দাস, ইয়াসির আলীদের আসা-যাওয়ার মিছিল লেগে যায়।
পরে সিনিয়রদের ব্যর্থতার দায় ঘোচান মিরাজ ও আফিফ। সপ্তম উইকেটে দুজনের রেকর্ড ১৭৪ রানের অপরাজিত জুটির ওপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ তুলে নেয় অসাধারণ জয়। মিরাজ ৮১ ও আফিফ ৯৩ রানে অপরাজিত থাকেন। দুজনেরই ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস। এমন একটা জয়ের পর আনন্দে আত্মহারা অধিনায়ক তামিম। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তামিম বলেছেন, ‘আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।’ হারানোরই কথা। বাংলাদেশ যে পরিস্থিতি থেকে ম্যাচটা জিতেছে সেটা অবিশ্বাস্য। দল যে জিততে পারে এমন আত্মবিশ্বাস ছিল না তামিমেরও।
শুরুতে অমন ব্যাটিং ধসের পর কি জয়ের আত্মবিশ্বাস ছিল? জবাবে ওয়ানডে অধিনায়ক তামিমের উত্তর, ‘সত্যি বলতে না। আমি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম না। ৪৫ রানে ৬ উইকেট নেই, এই অবস্থায় ২১৫ রান তাড়া করা খুব কঠিন। এ রকম পরিস্থিতিতে মিরাজ ও আফিফ যেভাবে খেলেছে সেটা অবিশ্বাস্য। ওদের নিয়ে আমি খুশি এবং গর্বিত। এটা মোটেও সহজ ছিল না। আফগানিস্তানের দুর্দান্ত স্পিন আক্রমণ ওরা যেভাবে সামলেছে সেটা বিস্ময়কর। আমার বিশ্বাস এবং আশা এটাই শেষ নয়, এটা ওদের জন্য মাত্র শুরু। ওদের আরো অনেক ম্যাচ জিততে হবে।’

আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়টা অনুমিতই ছিল। প্রত্যাশিত জয় নিয়েই দল ছেড়েছে ২২ গজ। কিন্তু যে প্রেক্ষাপট থেকে বাংলাদেশ জিতেছে তা বহুদিন মনে রাখার মতোই। সেটা অবশ্য প্রথমবারের মতো আফগানদের বিপক্ষে সফল রান তাড়ার কারণেই নয়, পরাজয়ের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে আফগান স্পিন সামলে মেহেদী হাসান মিরাজ ও আফিফ হোসেন ধ্রুব যেভাবে বাংলাদেশকে জিতিয়েছেন সেটার বিশেষ এক কথায় অবিশ্বাস্য। অধিনায়ক তামিম ইকবাল তো ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন জয়ের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে।
আজ চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রথম ওয়ানডেতে রশিদ-নবীদের ৪ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। আফগানদের ২১৫ রানে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর ব্যাটিংয়ে শুরুতেই ধসে পড়ে স্বাগতিকদের টপ অর্ডার। ২৮ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। ৪৫ রানে দলের ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে সাজঘরে ফিরে যান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ১০০ রানের মধ্যে অলআউটের আশঙ্কায় পড়েছিল দল। সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল, লিটন দাস, ইয়াসির আলীদের আসা-যাওয়ার মিছিল লেগে যায়।
পরে সিনিয়রদের ব্যর্থতার দায় ঘোচান মিরাজ ও আফিফ। সপ্তম উইকেটে দুজনের রেকর্ড ১৭৪ রানের অপরাজিত জুটির ওপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ তুলে নেয় অসাধারণ জয়। মিরাজ ৮১ ও আফিফ ৯৩ রানে অপরাজিত থাকেন। দুজনেরই ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস। এমন একটা জয়ের পর আনন্দে আত্মহারা অধিনায়ক তামিম। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তামিম বলেছেন, ‘আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।’ হারানোরই কথা। বাংলাদেশ যে পরিস্থিতি থেকে ম্যাচটা জিতেছে সেটা অবিশ্বাস্য। দল যে জিততে পারে এমন আত্মবিশ্বাস ছিল না তামিমেরও।
শুরুতে অমন ব্যাটিং ধসের পর কি জয়ের আত্মবিশ্বাস ছিল? জবাবে ওয়ানডে অধিনায়ক তামিমের উত্তর, ‘সত্যি বলতে না। আমি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম না। ৪৫ রানে ৬ উইকেট নেই, এই অবস্থায় ২১৫ রান তাড়া করা খুব কঠিন। এ রকম পরিস্থিতিতে মিরাজ ও আফিফ যেভাবে খেলেছে সেটা অবিশ্বাস্য। ওদের নিয়ে আমি খুশি এবং গর্বিত। এটা মোটেও সহজ ছিল না। আফগানিস্তানের দুর্দান্ত স্পিন আক্রমণ ওরা যেভাবে সামলেছে সেটা বিস্ময়কর। আমার বিশ্বাস এবং আশা এটাই শেষ নয়, এটা ওদের জন্য মাত্র শুরু। ওদের আরো অনেক ম্যাচ জিততে হবে।’

ভারতের বিপক্ষে গতকাল বুলাওয়েতে জয়ের দারুণ সুবাস পাচ্ছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। হাতে ৮ উইকেট নিয়ে ৭০ বলে ৭৫ রানের সমীকরণ মেলানো তেমন একটা কঠিন কাজ নয়। কিন্তু ক্রিকেটকে কেন গৌরবময় অনিশ্চয়তার খেলা বলা হয়, সেটা আরও একবার প্রমাণ হয়েছে।
২৭ মিনিট আগে
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু, সূচি দুই মাস আগেই প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)। তবে টুর্নামেন্টের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, ভেন্যু পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা হচ্ছে তত বেশি। এমনকি বাংলাদেশের সঙ্গে আয়ারল্যান্ডের গ্রুপ পরিবর্তনের কথাও শোনা যাচ্ছে। তবে এমন কিছুতে রাজি নয় আয়ারল্যান্ড।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ-ভারতের শীতল সম্পর্কের ছাপ ক্রিকেটেও। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের দুই দেশের প্রথম ম্যাচে টসের পর হাতে হাত মেলালেন না দুই দলের অধিনায়ক। ব্যাপারটা রীতিমতো বিস্ময় হয়েই এসেছে সবার কাছে। এমন উত্তেজনার একটা আবহে শুরু হওয়া বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে নাটকীয়ভাবে (ডিএলএস মেথডে) আজ ১৮ রানে হার
১৩ ঘণ্টা আগে
ফুটবলপ্রেমীরা বিশ্বকাপ দেখার জন্য অধীর আগ্রহে থাকেন। ফলে বিশ্বজুড়ে থাকে টিকিট সংগ্রহের তুমুল লড়াই। অনলাইন ছাড়াও ফিফা তাদের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ফেডারেশনের জন্যও টিকিট বরাদ্দ রাখে। সে হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে বাফুফে ৩৩০ টিকিট কেনার সুযোগ পাবে ফিফার কাছ থেকে।
১৩ ঘণ্টা আগে