ক্রীড়া ডেস্ক

গ্রুপে ভারত ও পাকিস্তানের মতো দুই সাবেক চ্যাম্পিয়ন–এমন সমীকরণে এশিয়া কাপের শেষ চারে যাওয়াটা সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য স্বপ্নের মতোই। তাদের সে স্বপ্ন পূরণ হবে কিনা সেটা সময়ই বলে দেবে। আপাতত নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ওমানকে ৪২ রানে হারিয়ে সেরা চারের পথটা খোলা রাখল আরব আমিরাত।
২ ম্যাচে শতভাগ জয়ে ভারতের সংগ্রহ ৪ পয়েন্ট। ‘এ’ গ্রুপের শীর্ষে অবস্থান করছে সূর্যকুমার যাদবের দল। দুটি করে ম্যাচ শেষে আরব আমিরাত ও পাকিস্তানের সংগ্রহ সমান ২ পয়েন্ট। রান রেটে এগিয়ে থাকায় দুইয়ে আছে সালমান আলী আগার দল। আরব আমিরাতের অবস্থান তিনে। এই দুই দলের মধ্যকার লড়াইয়ে যারা জিতবে তারাই পরের পর্বে জায়গা করে নেবে। ২ ম্যাচ শেষে ওমানের প্রাপ্তির খাতাটা এখনও শূন্য। কার্যত টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ঘন্টা বেজে গেছে তাদের।
টুর্নামেন্টে টিকে থাকার মিশনে তাদের সামনে লক্ষ্যটা ছিল চ্যালেঞ্জিং–১৭৩ রানের। জবাব দিতে নেমে আরব আমিরাতকে কোনো রকম ভয় দেখাতে পারেনি ওমানের ব্যাটাররা। ১০ বল হাতে রেখে ১৩০ রানে গুটিয়ে যায় দলটি। টপঅর্ডার ও মিডলঅর্ডার ব্যর্থ না হলে জবাব দেওয়ার সুযোগ ছিল ওমানের। কিন্তু ওপেনার জতিন্দর সিংয়ের দুর্দান্ত শুরুর পরও দলীয় ৩২ রানে চতুর্থ উইকেট হারিয়ে নিজেদের ইনিংসের শুরুতেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় ওমান। তাই লোয়ার অর্ডারদের চেষ্টা কেবল দলের পরাজয়ের ব্যবধানই কমিয়েছে। ওমানের হয়ে ১০ বলে ২০ রানের ইনিংস খেলেন জতিন্দর। ২৪ রান আসে ৬ নম্বরে নামা আরিয়ান বিসতের ব্যাট থেকে। ২০ রান করেন ভিনায়ক শুক্লা। এছাড়া শাকিল আহমদ ১৪ ও জিতেনকুমার রামানন্দি এনে দেন ১৩ রান। আরব আমিরাতের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল জুনায়েদ সিদ্দিকি। ২৩ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। হায়দার আলী ও মোহাম্মদ জাওয়াদ উল্লাহর শিকার দুটি করে উইকেট।
এর আগে আলিশান শারাফু ও মোহাম্মদ ওয়াসিমের জোড়া ফিফটিতে স্কোরবোর্ডে এই সংগ্রহ দাঁড় করায় আরব আমিরাত। ৫৪ বলে সর্বোচ্চ ৬৯ রান করেন ওয়াসিম। শারাফুর অবদান ৫১ রান। ৩৮ বল খেলেন এই ওপেনার। ১৩ বলে ২১ রান এনে দেন জোহাইব খান। ৮ বলে ১৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন হার্শিত কৌশিক। ওমানের হয়ে ২৪ রানে ২ উইকেট নেন রামানন্দি।

গ্রুপে ভারত ও পাকিস্তানের মতো দুই সাবেক চ্যাম্পিয়ন–এমন সমীকরণে এশিয়া কাপের শেষ চারে যাওয়াটা সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য স্বপ্নের মতোই। তাদের সে স্বপ্ন পূরণ হবে কিনা সেটা সময়ই বলে দেবে। আপাতত নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ওমানকে ৪২ রানে হারিয়ে সেরা চারের পথটা খোলা রাখল আরব আমিরাত।
২ ম্যাচে শতভাগ জয়ে ভারতের সংগ্রহ ৪ পয়েন্ট। ‘এ’ গ্রুপের শীর্ষে অবস্থান করছে সূর্যকুমার যাদবের দল। দুটি করে ম্যাচ শেষে আরব আমিরাত ও পাকিস্তানের সংগ্রহ সমান ২ পয়েন্ট। রান রেটে এগিয়ে থাকায় দুইয়ে আছে সালমান আলী আগার দল। আরব আমিরাতের অবস্থান তিনে। এই দুই দলের মধ্যকার লড়াইয়ে যারা জিতবে তারাই পরের পর্বে জায়গা করে নেবে। ২ ম্যাচ শেষে ওমানের প্রাপ্তির খাতাটা এখনও শূন্য। কার্যত টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ঘন্টা বেজে গেছে তাদের।
টুর্নামেন্টে টিকে থাকার মিশনে তাদের সামনে লক্ষ্যটা ছিল চ্যালেঞ্জিং–১৭৩ রানের। জবাব দিতে নেমে আরব আমিরাতকে কোনো রকম ভয় দেখাতে পারেনি ওমানের ব্যাটাররা। ১০ বল হাতে রেখে ১৩০ রানে গুটিয়ে যায় দলটি। টপঅর্ডার ও মিডলঅর্ডার ব্যর্থ না হলে জবাব দেওয়ার সুযোগ ছিল ওমানের। কিন্তু ওপেনার জতিন্দর সিংয়ের দুর্দান্ত শুরুর পরও দলীয় ৩২ রানে চতুর্থ উইকেট হারিয়ে নিজেদের ইনিংসের শুরুতেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় ওমান। তাই লোয়ার অর্ডারদের চেষ্টা কেবল দলের পরাজয়ের ব্যবধানই কমিয়েছে। ওমানের হয়ে ১০ বলে ২০ রানের ইনিংস খেলেন জতিন্দর। ২৪ রান আসে ৬ নম্বরে নামা আরিয়ান বিসতের ব্যাট থেকে। ২০ রান করেন ভিনায়ক শুক্লা। এছাড়া শাকিল আহমদ ১৪ ও জিতেনকুমার রামানন্দি এনে দেন ১৩ রান। আরব আমিরাতের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল জুনায়েদ সিদ্দিকি। ২৩ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। হায়দার আলী ও মোহাম্মদ জাওয়াদ উল্লাহর শিকার দুটি করে উইকেট।
এর আগে আলিশান শারাফু ও মোহাম্মদ ওয়াসিমের জোড়া ফিফটিতে স্কোরবোর্ডে এই সংগ্রহ দাঁড় করায় আরব আমিরাত। ৫৪ বলে সর্বোচ্চ ৬৯ রান করেন ওয়াসিম। শারাফুর অবদান ৫১ রান। ৩৮ বল খেলেন এই ওপেনার। ১৩ বলে ২১ রান এনে দেন জোহাইব খান। ৮ বলে ১৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন হার্শিত কৌশিক। ওমানের হয়ে ২৪ রানে ২ উইকেট নেন রামানন্দি।

বাংলাদেশ-ভারতের শীতল সম্পর্কের ছাপ ক্রিকেটেও। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের দুই দেশের প্রথম ম্যাচে টসের পর হাতে হাত মেলালেন না দুই দলের অধিনায়ক। ব্যাপারটা রীতিমতো বিস্ময় হয়েই এসেছে সবার কাছে। এমন উত্তেজনার একটা আবহে শুরু হওয়া বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে নাটকীয়ভাবে (ডিএলএস মেথডে) আজ ১৮ রানে হার
১ ঘণ্টা আগে
ফুটবলপ্রেমীরা বিশ্বকাপ দেখার জন্য অধীর আগ্রহে থাকেন। ফলে বিশ্বজুড়ে থাকে টিকিট সংগ্রহের তুমুল লড়াই। অনলাইন ছাড়াও ফিফা তাদের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ফেডারেশনের জন্যও টিকিট বরাদ্দ রাখে। সে হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে বাফুফে ৩৩০ টিকিট কেনার সুযোগ পাবে ফিফার কাছ থেকে।
২ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের সম্ভাবনা আর নেই। তবে বাকি রয়েছে একটি ম্যাচ। সেই ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে তাদের মাটিতে ৩১ মার্চ মুখোমুখি হবেন হামজা-শমিতরা। এই ম্যাচের আগে সিলেটে বাংলাদেশকে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলাতে চায় বাফুফে। কিন্তু এবারও পায়নি শক্ত প্রতিপক্ষ।
২ ঘণ্টা আগে
সিনিয়রদের এশিয়া কাপে বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের হাত না মেলানো ইস্যু। এবার যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচেও দেখা গেল একই চিত্র। টসের সময় হ্যান্ডশেক করেননি বাংলাদেশ-ভারত অধিনায়ক। তা রীতিমত খবরের শিরোনাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও বিসিবি বলছে, করমর্দন না করাটা নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত।
৩ ঘণ্টা আগে