দরজায় কড়া নাড়ছে এশিয়া কাপ। আরব আমিরাতে মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই শুরু শনিবার। তার আগে বড় ধাক্কা খেয়েছে ভারত।
দেশটির শীর্ষ সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, এশিয়া কাপ খেলতে যাওয়ার আগমুহূর্তে করোনা পরীক্ষায় পজিটিভ হয়েছেন প্রধান কোচ রাহুল দ্রাবিড়। তাঁকে রেখেই দুবাইয়ে রওনা হয়েছেন রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলিরা। দলের বাকি সদস্যরাও আগামীকাল দুবাই পৌঁছে যাবেন।
বার্তা সংস্থা এএনআই বলছে, করোনা পজিটিভ দ্রাবিড় আপাতত আইসোলেশনে আছেন। পরবর্তী পরীক্ষায় নেগেটিভ এলে তিনি দলের সঙ্গে যোগ দেবেন বলে নিশ্চিত করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।
তবে দ্রাবিড় পুরোপুরি সুস্থ হয়ে না উঠলে ভিভিএস লক্ষ্মণকে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে পাঠাবে ভারত। লক্ষ্মণের অধীনেই সদ্যসমাপ্ত জিম্বাবুয়ে সফরে ৩-০ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে লোকেশ রাহুলের দল। এশিয়া কাপের ভারতীয় দলে রোহিতের ডেপুটি রাহুলও জিম্বাবুয়ে থেকে সরাসরি দুবাই যাচ্ছেন।
এর আগে চোটে পড়ে ছিটকে গেছেন গতিতারকা জাসপ্রীত বুমরা ও পেসার হার্শাল প্যাটেল। এবার কোচ দ্রাবিড় করোনা পজিটিভ হওয়ায় বিপদ বাড়ল বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের।
শনিবার শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তানের ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে এবারের এশিয়া কাপ। পরদিন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে দিয়ে শুরু ভারতের শিরোপা ধরে রাখার অভিযান।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৩০ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
২ ঘণ্টা আগে