ক্রীড়া ডেস্ক

ক্রিকেটারদের যেন দম ফেলার ফুরসত নেই। দ্বিপক্ষীয় সিরিজ, আইসিসি ইভেন্ট তো রয়েছেই। বাড়তি যোগ হয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট। ভারতের সাবেক ক্রিকেটার রবিন উথাপ্পার মতে প্রত্যেক বছর আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন করায় ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা তার আভিজাত্য হারাচ্ছে।
করোনা পরবর্তী সময়ে ২০২১ সাল থেকে প্রত্যেক বছরই হচ্ছে আইসিসি ইভেন্ট। সাউদাম্পটনে ২০২১ সালে হয়েছে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম চক্রের ফাইনাল। একই বছরের অক্টোবর-নভেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরাত আয়োজন করেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। পরবর্তীতে ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ, ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০২৫ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পর আগামী মাসে ভারত-শ্রীলঙ্কায় শুরু হচ্ছে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। পাশাপাশি ২০২৩ ও ২০২৫ সালে হয়েছে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রের দুটি ফাইনাল।
উথাপ্পার মতে প্রত্যেক বছর আইসিসি ইভেন্ট হওয়ায় দর্শকদের কাছেও সেটা একঘেঁয়েমি মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক। বার্তা সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়াকে (পিটিআই) ভারতের সাবেক এই ব্যাটার বলেন, ‘প্রশাসনিক জায়গা থেকে ক্রিকেটের উন্নতি দরকার। প্রত্যেক বছরই যদি আইসিসি ইভেন্ট হয়, তাহলে দর্শকদের কাছে কেমন লাগে? সত্যি বলতে আমার মতে এটার মান অনেক নিচে নেমে যাচ্ছে। আমি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই বলছি কথাটা।’
ব্যস্ত সূচির কারণে ক্রিকেটারদের বিশ্বের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে ঘনঘন ভ্রমণ করতে হয়। বেশি বেশি ম্যাচ খেলায় চোটে পড়ে ক্রিকেটারদের দ্বিপক্ষীয় সিরিজ মিস করার ঘটনা ঘটে অহরহ। অনেক সময় আইসিসির ইভেন্ট থেকেও তারকা খেলোয়াড়রা ছিটকে যান। ক্রিকেটারদের স্বার্থে আইসিসিকে একটা নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরামর্শ দিলেন উথাপ্পা। পিটিআইকে ৪০ বছর বয়সী ভারতীয় এই ক্রিকেটার বলেন, ‘আমার মতে আইসিসি চ্যাম্পিয়নশিপের একটা আভিজাত্য তো থাকা উচিত। টুর্নামেন্টের অবিচ্ছেদ্য অংশ আভিজাত্য। খেলোয়াড়দের জন্যই শুধু নয়, দর্শকদের কাছেও এটার একটা মানে থাকা উচিত। প্রত্যেক বছর আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন না করে একটা ব্যবধান তো রাখা উচিত।’
৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারত-শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
টুর্নামেন্টের প্রথম দিন ৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে হওয়ার কথা বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ। একই মাঠে ৯ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি লিটনদের প্রতিপক্ষ ইতালি ও ইংল্যান্ড। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ ১৬ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়েতে বাংলাদেশের খেলার কথা নেপালের বিপক্ষে। তবে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের আলোচনা গত কয়েক দিনে জোরালো হয়েছে। ভারত এবার শিরোপা ধরে রাখার মিশনে নামবে। ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৭ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত।

ক্রিকেটারদের যেন দম ফেলার ফুরসত নেই। দ্বিপক্ষীয় সিরিজ, আইসিসি ইভেন্ট তো রয়েছেই। বাড়তি যোগ হয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট। ভারতের সাবেক ক্রিকেটার রবিন উথাপ্পার মতে প্রত্যেক বছর আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন করায় ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা তার আভিজাত্য হারাচ্ছে।
করোনা পরবর্তী সময়ে ২০২১ সাল থেকে প্রত্যেক বছরই হচ্ছে আইসিসি ইভেন্ট। সাউদাম্পটনে ২০২১ সালে হয়েছে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম চক্রের ফাইনাল। একই বছরের অক্টোবর-নভেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরাত আয়োজন করেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। পরবর্তীতে ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ, ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০২৫ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পর আগামী মাসে ভারত-শ্রীলঙ্কায় শুরু হচ্ছে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। পাশাপাশি ২০২৩ ও ২০২৫ সালে হয়েছে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রের দুটি ফাইনাল।
উথাপ্পার মতে প্রত্যেক বছর আইসিসি ইভেন্ট হওয়ায় দর্শকদের কাছেও সেটা একঘেঁয়েমি মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক। বার্তা সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়াকে (পিটিআই) ভারতের সাবেক এই ব্যাটার বলেন, ‘প্রশাসনিক জায়গা থেকে ক্রিকেটের উন্নতি দরকার। প্রত্যেক বছরই যদি আইসিসি ইভেন্ট হয়, তাহলে দর্শকদের কাছে কেমন লাগে? সত্যি বলতে আমার মতে এটার মান অনেক নিচে নেমে যাচ্ছে। আমি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই বলছি কথাটা।’
ব্যস্ত সূচির কারণে ক্রিকেটারদের বিশ্বের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে ঘনঘন ভ্রমণ করতে হয়। বেশি বেশি ম্যাচ খেলায় চোটে পড়ে ক্রিকেটারদের দ্বিপক্ষীয় সিরিজ মিস করার ঘটনা ঘটে অহরহ। অনেক সময় আইসিসির ইভেন্ট থেকেও তারকা খেলোয়াড়রা ছিটকে যান। ক্রিকেটারদের স্বার্থে আইসিসিকে একটা নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরামর্শ দিলেন উথাপ্পা। পিটিআইকে ৪০ বছর বয়সী ভারতীয় এই ক্রিকেটার বলেন, ‘আমার মতে আইসিসি চ্যাম্পিয়নশিপের একটা আভিজাত্য তো থাকা উচিত। টুর্নামেন্টের অবিচ্ছেদ্য অংশ আভিজাত্য। খেলোয়াড়দের জন্যই শুধু নয়, দর্শকদের কাছেও এটার একটা মানে থাকা উচিত। প্রত্যেক বছর আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন না করে একটা ব্যবধান তো রাখা উচিত।’
৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারত-শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
টুর্নামেন্টের প্রথম দিন ৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে হওয়ার কথা বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ। একই মাঠে ৯ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি লিটনদের প্রতিপক্ষ ইতালি ও ইংল্যান্ড। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ ১৬ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়েতে বাংলাদেশের খেলার কথা নেপালের বিপক্ষে। তবে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের আলোচনা গত কয়েক দিনে জোরালো হয়েছে। ভারত এবার শিরোপা ধরে রাখার মিশনে নামবে। ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৭ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত।

ঘনিয়ে আসছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এক মাসেরও কম সময় বাকি। এই সময়ে দল নিয়ে কোথায় বিশ্লেষণ হবে, সেখানে উদ্বেগ, চিন্তা ও আলোচনা বাংলাদেশের অংশগ্রহণের অনিশ্চয়তা নিয়ে।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) খেলতে এসে খুবই বাজে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। টানা ৬ হারে খাদের কিনারার পৌঁছে যায় তারা। অবশেষে বিপিএলে প্রথম জয়ের দেখা পেল নোয়াখালী। আজ দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে রংপুর রাইডার্সকে ৯ রানে হারিয়েছে হায়দার আলীর দল।
৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আয় ঠিক কোথা থেকে আসে এনিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল বিশ্বকাপ ইস্যু নিয়ে কথা বলার সময় বলেন, ‘আমাদের ৯০-৯৫ শতাংশ রাজস্ব কিন্তু আইসিসি থেকে আসে, তাই সবকিছু বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।’
৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ সফরে গত নভেম্বর-ডিসেম্বরে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছে আয়ারল্যান্ড। সে সিরিজের দল নিয়েই ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাবে আইরিশরা। আজ ছোট সংস্করণের বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল দিয়েছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড।
৭ ঘণ্টা আগে