দ্রুত শেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, কত রানের লিড পেল বাংলাদেশ

লাঞ্চ বিরতির আগে নাঈম হাসান যেখানে শেষ করেছেন, সেটা টেনে নিয়ে গেলেন বিরতির পরও। সঙ্গে মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণি তো আছেই। সব মিলিয়ে চোখে সর্ষেফুল দেখতে থাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সফরকারীদের দ্রুত অলআউট করে লিডও নিল বাংলাদেশ।
গতকাল দ্বিতীয় দিনে যা করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আজ তৃতীয় দিনে সেটারই পুনরাবৃত্তি করল বাংলাদেশ। যেখানে ৫১ রানে শেষ ৭ উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকেরা গুটিয়ে যায় ২৭২ রানে। আজ লাঞ্চের পর মিরাজ-নাঈমের ঘূর্ণিতে কোনো রান যোগ করতেই শেষ ৩ উইকেট হারিয়ে ২৪৫ রানে শেষ উইন্ডিজ। বাংলাদেশ পেল ২৭ রানের লিড।
প্রথম ইনিংসে ৭৪.৫ ওভারে ৬ উইকেটে ২১৩ রান করে আজ তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনের খেলা শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। লাঞ্চ বিরতির পরও মুমিনুল হক ক্যাচ মিস করেছেন। ৭৮তম ওভারের প্রথম বলে মিরাজকে গ্ল্যান্স করতে যান জশুয়া বিশপ। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়েও বল তালুবন্দী করতে পারেননি মুমিনুল। এবার ক্যাচ ধরতে গিয়ে ব্যথা পাওয়ার পর তাঁকে দেখতে ছুটে আসেন ফিজিও। মুমিনুলকে উঠিয়ে জাকের আলী অনিককে কনকাশন বদলি হিসেবে আনা হয়। আর মুমিনুলের জায়গায় শর্ট লেগে তাওহীদ হৃদয়কে ফিল্ডিংয়ে নামানো হয়।
১১ রানে বেঁচে যাওয়া বিশপ ঠিক তার পরের বলেই চার মারেন। ক্যারিবীয় টেলএন্ডারের সফলতা বলতে এটুকুই। ৭৮তম ওভারের তৃতীয় বলে মিরাজকে ড্রাইভ করতে গিয়ে কিছুটা ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন বিশপ। দ্রুত স্টাম্পিং করেন লিটন। ১১ বলে ৩ চারে ১৫ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন বিশপ।
বিশপ আউট হওয়ার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসের ইতি টেনেছেন নাঈম। যার মধ্যে ৮১তম ওভারের দ্বিতীয় বলে শামার জোসেফকে (৪) ফিরিয়ে ৫০তম টেস্ট উইকেট নিয়েছেন নাঈম। ২৬ বছর বয়সী স্পিনার সেই ওভারের শেষ বলে এলবিডব্লু করেন জোমেল ওয়ারিকানকে (০)। এক ওভার বিরতিতে এসে উইন্ডিজের শেষ ব্যাটার জেইডেন সিলসকে ফিরিয়েছেন নাঈম। ৮৩তম ওভারের পঞ্চম বলে নাঈমকে তুলে মারতে যান সিলস। হাওয়ায় ভেসে থাকা বল মিড অফে সহজে তালুবন্দী করেন মিরাজ।
সিলসও রানের খাতা খুলতে পারেননি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৮২.৫ ওভারে ২৪৫ রানে গুটিয়ে যায়। ইনিংস সর্বোচ্চ ৫৬ রান আসে তেজনারায়ণ চন্দরপলের ব্যাটে। জন ক্যাম্পবেল করেন ৫৪ রান। অধিনায়ক রস্টন চেজ ৪৩ রানে অপরাজিত থাকেন। তিনি জীবন পান লাঞ্চ বিরতির আগে। ৭৩তম ওভারের চতুর্থ বলে নাঈমকে গ্ল্যান্স করতে যান চেজ। শর্ট লেগে দাঁড়িয়ে থাকা মুমিনুল হক ডান দিকে ঝাঁপালেও নাগাল পাননি। চেজের রান তখন ২৮। জীবন পাওয়ার পর উইন্ডিজ অধিনায়ক ১৫ রান যোগ করেছেন।










