বাংলাদেশ লিড নিতে পারবে তো

দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে সাদমান ইসলাম জানিয়েছিলেন, তৃতীয় দিনে যতটা সম্ভব দ্রুত ওয়েস্ট ইন্ডিজকে অলআউট করতে চায় বাংলাদেশ। বোলাররা বাঁহাতি ওপনারের কথা রাখতে পারলে লাভটা স্বাগতিকদেরই হবে।
বাংলাদেশকে ২৭২ রানে অলআউট করে দ্বিতীয় দিন শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগহ ছিল ৪ উইকেটে ১৩৪ রান। ৩৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে তৃতীয় দিন শুরু করেন তেজনারায়ণ চন্দরপল ও জাস্টিন গ্রিভস। আজ এই জুটি আর খুব বেশিদূর এগোয়নি। ৪৩ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামা চন্দরপল ফিরেছেন ৫৬ রানে। শরীফুল ইসলামের বলে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ধরা পড়েন তিনি। চন্দরপল ফিরলে পঞ্চম উইকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৬৫ রানের জুটি ভাঙে।
চন্তরপলের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন রোস্টন চেজ। গ্রিভসকে নিয়ে প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকার লড়াই করতে হবে অধিনায়ককে। এই জুটিই এখন সফরকারীদের শেষ ভরসা। কারণ এরপর আর কোনো স্বীকৃত ব্যাটার নেই তাদের। তাই যা করার, চেজ-গ্রিভস জুটিকেই করতে হবে।
চেজ-গ্রিভস জুটি ভাঙতে পারলে লিড নেওয়ার ভালো সুযোগ তৈরি হবে বাংলাদেশের জন্য। এই রিপোর্ট লেখার সময় ৫ উইকেট হারিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ১৯২ রান। এখনো ৮০ রানে এগিয়ে স্বাগতিকেরা।
গতকালও দুই পাশ থেকে হাসান মাহমুদ ও শরীফুলকে দিয়ে আক্রমণ শুরু করেছিলেন শান্ত। পেসারদের একমাত্র সাফল্য ছিল জন ক্যাম্পবেলের উইকেট। এই ওপেনারকে ফেরান হাসান। আজ দিনের শুরুতে তেজনারায়ণকে ফেরালেন শরীফুল। একাদশে এই ২ পেসারের বিপরীতে ৩ স্পিনার নিয়ে খেলছে বাংলাদেশ। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের পতন হওয়া ৪ উইকেটের তিনটাই নেন স্পিনাররা। তাইজুল ইসলাম দুটি এবং মেহেদী হাসান মিরাজ নেন ১ উইকেট। আজও তাঁদের দিকে তাকিয়ে থাকবে বাংলাদেশ। কারণ ঢাকা টেস্টের সময় যত গড়াবে, ততোই সুবিধা পাবে স্পিনাররা।
তাইজুল-মিরাজরা সে সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে লিড এনে দিতে পারবেন তো?









