নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিসিবি নির্বাচনকে ঘিরে কয়েক দিন ধরে ক্রিকেটাররা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একই লেখা শেয়ার করছেন, ‘বিসিবি নির্বাচন ঘিরে যা যা হচ্ছে, এসব কাম্য নয়। এটা বাংলাদেশের ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের ভবিষ্যতের ব্যাপার। আমরা চাই, বিসিবি নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হোক।’ এই পোস্ট দিয়েছেন জাতীয় দলের বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটাররা।
বিষয়টি নজরে এসেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার। রাজধানীতে আজ এক অনুষ্ঠানে এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘খেলোয়াড়রা বা বোর্ড—সবারই পেশাদার হতে হবে। পৃথিবীর কোথাও রানিং ক্রিকেটার বোর্ডের নির্বাচন নিয়ে কথা বলে না। এটা তাঁদের কেন্দ্রীয় চুক্তির লঙ্ঘন। ক্রিকেটারদের দিয়ে দলাদলি করানো খুবই দুঃখজনক। যাঁরা করাচ্ছেন তাদের লজ্জা পাওয়া উচিত।’
আসিফ মনে করেন, নির্বাচন মানেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা। মুখোমুখি অবস্থান থাকবেই। প্রশ্নটা হচ্ছে, নির্বাচন কতটা নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক হচ্ছে। আসিফ মাহমুদের ভাষায়, ‘এখন পর্যন্ত আমি যা দেখছি, নির্বাচন ঠিকভাবেই চলছে। তালিকা প্রকাশের পর আপত্তির বিষয় মিটেছে। কাউন্সিলররা ভোট দেবেন, ভোটের মাধ্যমেই পরিচালক ও সভাপতি নির্বাচিত হবেন।’
অতীতের প্রেক্ষাপট টেনে তিনি আরও বলেন, ‘আগে নির্বাচন মানে ছিল প্রধানমন্ত্রী একজনকে সভাপতি ঠিক করে দিয়েছেন। এবার কিন্তু তা হয়নি। এবার সত্যিকারের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। দুই প্রার্থীর পাল্লা ভারী। যাঁরাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসবেন, তাঁরাই নেতৃত্ব দেবেন। এখানে কাউকে গোয়েন্দা সংস্থা থেকে ফোন দিয়ে বাধা দেওয়া হয়নি। কাউকে বলা হয়নি দাঁড়াতে না। এবার সেই সংস্কৃতি নেই।’
সব নির্বাচনে ছোটখাটো সমস্যা হয়, আবার সমাধানও হয় বলে জানান ক্রীড়া উপদেষ্টা, ‘দুই–একটা সমস্যা তৈরি হয়েছিল, আমরা সবার সঙ্গে আলোচনা করে মিটিয়েছি। দখলবাজি এড়িয়ে চলেছি। এবারের প্রক্রিয়ায় যাঁদের আনা হয়েছে তাঁরা ক্রীড়া–সংশ্লিষ্ট। রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠ কাউকে টানা হয়নি। বিএনপির লোকও আছেন। যদি নিয়ন্ত্রিত হতো, তাহলে তাঁরা থাকতে পারতেন না।’ তিনি যোগ করেন, ‘আমার মনে হয় আজ চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের মধ্যেই আপত্তির সব সমাধান হয়ে গেছে। সামনে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা আসবে। বড় কোনো সমস্যা হওয়ার সুযোগ নেই।’

বিসিবি নির্বাচনকে ঘিরে কয়েক দিন ধরে ক্রিকেটাররা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একই লেখা শেয়ার করছেন, ‘বিসিবি নির্বাচন ঘিরে যা যা হচ্ছে, এসব কাম্য নয়। এটা বাংলাদেশের ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের ভবিষ্যতের ব্যাপার। আমরা চাই, বিসিবি নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হোক।’ এই পোস্ট দিয়েছেন জাতীয় দলের বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটাররা।
বিষয়টি নজরে এসেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার। রাজধানীতে আজ এক অনুষ্ঠানে এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘খেলোয়াড়রা বা বোর্ড—সবারই পেশাদার হতে হবে। পৃথিবীর কোথাও রানিং ক্রিকেটার বোর্ডের নির্বাচন নিয়ে কথা বলে না। এটা তাঁদের কেন্দ্রীয় চুক্তির লঙ্ঘন। ক্রিকেটারদের দিয়ে দলাদলি করানো খুবই দুঃখজনক। যাঁরা করাচ্ছেন তাদের লজ্জা পাওয়া উচিত।’
আসিফ মনে করেন, নির্বাচন মানেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা। মুখোমুখি অবস্থান থাকবেই। প্রশ্নটা হচ্ছে, নির্বাচন কতটা নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক হচ্ছে। আসিফ মাহমুদের ভাষায়, ‘এখন পর্যন্ত আমি যা দেখছি, নির্বাচন ঠিকভাবেই চলছে। তালিকা প্রকাশের পর আপত্তির বিষয় মিটেছে। কাউন্সিলররা ভোট দেবেন, ভোটের মাধ্যমেই পরিচালক ও সভাপতি নির্বাচিত হবেন।’
অতীতের প্রেক্ষাপট টেনে তিনি আরও বলেন, ‘আগে নির্বাচন মানে ছিল প্রধানমন্ত্রী একজনকে সভাপতি ঠিক করে দিয়েছেন। এবার কিন্তু তা হয়নি। এবার সত্যিকারের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। দুই প্রার্থীর পাল্লা ভারী। যাঁরাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসবেন, তাঁরাই নেতৃত্ব দেবেন। এখানে কাউকে গোয়েন্দা সংস্থা থেকে ফোন দিয়ে বাধা দেওয়া হয়নি। কাউকে বলা হয়নি দাঁড়াতে না। এবার সেই সংস্কৃতি নেই।’
সব নির্বাচনে ছোটখাটো সমস্যা হয়, আবার সমাধানও হয় বলে জানান ক্রীড়া উপদেষ্টা, ‘দুই–একটা সমস্যা তৈরি হয়েছিল, আমরা সবার সঙ্গে আলোচনা করে মিটিয়েছি। দখলবাজি এড়িয়ে চলেছি। এবারের প্রক্রিয়ায় যাঁদের আনা হয়েছে তাঁরা ক্রীড়া–সংশ্লিষ্ট। রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠ কাউকে টানা হয়নি। বিএনপির লোকও আছেন। যদি নিয়ন্ত্রিত হতো, তাহলে তাঁরা থাকতে পারতেন না।’ তিনি যোগ করেন, ‘আমার মনে হয় আজ চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের মধ্যেই আপত্তির সব সমাধান হয়ে গেছে। সামনে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা আসবে। বড় কোনো সমস্যা হওয়ার সুযোগ নেই।’

বাংলাদেশ-ভারতের শীতল সম্পর্কের ছাপ ক্রিকেটেও। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের দুই দেশের প্রথম ম্যাচে টসের পর হাতে হাত মেলালেন না দুই দলের অধিনায়ক। ব্যাপারটা রীতিমতো বিস্ময় হয়েই এসেছে সবার কাছে। এমন উত্তেজনার একটা আবহে শুরু হওয়া বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে নাটকীয়ভাবে (ডিএলএস মেথডে) আজ ১৮ রানে হার
৫ ঘণ্টা আগে
ফুটবলপ্রেমীরা বিশ্বকাপ দেখার জন্য অধীর আগ্রহে থাকেন। ফলে বিশ্বজুড়ে থাকে টিকিট সংগ্রহের তুমুল লড়াই। অনলাইন ছাড়াও ফিফা তাদের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ফেডারেশনের জন্যও টিকিট বরাদ্দ রাখে। সে হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে বাফুফে ৩৩০ টিকিট কেনার সুযোগ পাবে ফিফার কাছ থেকে।
৬ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের সম্ভাবনা আর নেই। তবে বাকি রয়েছে একটি ম্যাচ। সেই ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে তাদের মাটিতে ৩১ মার্চ মুখোমুখি হবেন হামজা-শমিতরা। এই ম্যাচের আগে সিলেটে বাংলাদেশকে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলাতে চায় বাফুফে। কিন্তু এবারও পায়নি শক্ত প্রতিপক্ষ।
৬ ঘণ্টা আগে
সিনিয়রদের এশিয়া কাপে বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের হাত না মেলানো ইস্যু। এবার যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচেও দেখা গেল একই চিত্র। টসের সময় হ্যান্ডশেক করেননি বাংলাদেশ-ভারত অধিনায়ক। তা রীতিমত খবরের শিরোনাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও বিসিবি বলছে, করমর্দন না করাটা নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত।
৭ ঘণ্টা আগে