
টপঅর্ডার ও মিডলঅর্ডার ব্যাটারদের ব্যর্থতার পরও রোমারিও শেফার্ড ও শামার স্প্রিঙ্গারের ঝড়ে জয়ের দারুণ সম্ভাবনা জাগিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। রেকর্ড গড়া ব্যাটিংয়ে জয়কে প্রায় হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছিলেন তাঁরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়া হয়নি ক্যারিবীয়দের। উত্তেজনায় ঠাসা ম্যাচে তাদের ৯ রানে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড।
নেলসনের সাক্সটন ওভাল ক্রিকেট গ্রাউন্ডে নিউজিল্যান্ডের করা ১৭৭ রানের জবাবে ৮৮ রানেই ৮ উইকেট হারিয়ে বসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তখন মনে হচ্ছিল বড় ব্যবধানেই হেরে যাবে সফরকারী দল। তবে ব্যাটিং ধস সামলে নবম উইকেটে প্রতিরোধ গড়েন শেফার্ড ও স্প্রিঙ্গার। তাঁদের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ভীতি জেগেছিল কিউই শিবিরে। এই জুটি ভেঙে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড।
ইশ শোধির করা ১৩তম ওভারের তৃতীয় বলে অষ্টম ব্যাটার হিসেবে সাজঘরে ফেরেন ম্যাথু ফোর্ড। এরপর নিউজিল্যান্ডের বোলারদের ওপর চড়াও হন শেফার্ড ও স্প্রিঙ্গার। একের পর এক চার এবং ছয়ের মারে দিশেহারা হয়ে পড়েছিল স্বাগতিকেরা। অবশেষে নিউজিল্যান্ড শিবিরে স্বস্তি ফেরান জ্যাকব ডাফি। ১৮তম ওভারের শেষ বলে স্প্রিঙ্গারকে আউট করেন এই পেসার। তার আগে শেফার্ডকে সঙ্গে নিয়ে ৭৮ রান যোগ করেন স্প্রিঙ্গার। টেস্ট খেলুড়ে দেশের মধ্যে টি–টোয়েন্টিতে নবম উইকেটে এটা সর্বোচ্চ রানের জুটি। রেকর্ড জুটি গড়ার পথে ২০ বলে তিনটি করে চার ও ছয়ে ৩৯ রান করেন স্প্রিঙ্গার। শেষ ওভারের পঞ্চম বলে শেফার্ড বিদায় নিলে ১৬৮ রানে অলআউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৩৪ বলে ৪৯ রান করেন এই বোলিং অলরাউন্ডার। ৩৪ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন শোধি।
এর আগে যৌথ প্রচেষ্টায় এই পুঁজি পায় নিউজিল্যান্ড। ৩৪ বলে সর্বোচ্চ ৫৬ রানের ইনিংস খেলেন ডেভন কনওয়ে। ৪১ রান আসে ড্যারেল মিচেলের ব্যাট থেকে। এ ছাড়া রাচিন রবীন্দ্র ২৬ ও টিম রবিনসন করেন ২৩ রান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে জেসন হোল্ডার ও ফোর্ড দুটি করে উইকেট নেন।

ভারতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক নিয়ে আলোচনা চলছে অনেক দিন ধরেই। ট্রাম্প কর্তৃক বর্ধিত শুল্কের প্রভাব পড়েছে ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক সম্পর্কেও। দুই রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়নে এখন কাজে লাগানো হচ্ছে ক্রিকেটকে।
১ ঘণ্টা আগে
স্কোরবোর্ডে ১৮৪ রান বর্তমান টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আহামরি কিছু না ঠিকই। তবে নেপালের মতো তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষের জন্য এটা একটু কঠিনই। তার ওপর প্রতিপক্ষ যখন হয় ইংল্যান্ড, তখন চাপ থাকাটাই স্বাভাবিক। বিশ্বকাপের সময় সেই স্নায়ুচাপ আরও বেড়ে যায়। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়েতে আজ ইংল্যান্ডের সঙ্গে শেষ বল পর্যন্ত
৩ ঘণ্টা আগে
রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি অপরাজেয়র। কিন্তু সালেহীন রিফাত সাদের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে আশা বাঁচিয়ে রেখেছিল দলটির। শেষ পর্যন্ত সিসিডিএম টি-টোয়েন্টি চ্যালেঞ্জ কাপের ফাইনালে অগ্রণীকে ৫ উইকেটে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে তাওহীদ খানের দল।
৩ ঘণ্টা আগে
মাঠের পারফরম্যান্স দেখে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে এখন ‘হাইভোল্টেজ ম্যাচ’ বলার সুযোগ নেই। তবে আইসিসি ইভেন্ট ও এশিয়া কাপ ছাড়া দুই দল মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ হয় না দেখে এই ম্যাচের দিকে তাকিয়ে আইসিসি থেকে শুরু করে কোটি কোটি ক্রিকেটপ্রেমী। এই ম্যাচ মাঠে গড়ানো নিয়ে যখন ঘোর অনিশ্চয়তা, তখন শোনা যাচ্ছে
৩ ঘণ্টা আগে