নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পাকিস্তানের মাটিতে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের নেপথ্যে রয়েছেন স্থানীয় বেশ কয়েকজন কোচও। যাঁদের মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ টাইগার্সের কোচ মো: সোহেল ইসলাম। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় থেকে বিশ্বকাপের স্কোয়াডের বাইরের ক্রিকেটারদের নিয়ে দেশের তিন ভেন্যুতে নানা সংস্করণে করিয়েছেন প্রস্তুতি ক্যাম্প। আর তার ফল পাকিস্তান সফরে ক্রিকেটার বদলে যাওয়া মানসিকতা, বদলে যাওয়া পারফরম্যান্সও।
কী ব্যাটিং, কী বোলিং, কী ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই দুর্দান্ত খেলেছে বাংলাদেশ।দলের এই সাফল্যে প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহকে নিয়ে মাতামাতি হলেও খুব কমই আলোচনায় হয়েছে সোহেল ইসলামকে নিয়ে। এ নিয়ে অবশ্য আফসোস নেই তাঁর। আজ দুপুরে সোহেল মিরপুরে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘দেখেন আমি তো বোর্ডে অনেক দিন ধরে চাকরি করি। আমাদের যেটা কাজ আমি ওটার মধ্যেই থাকার চেষ্টা করি। ক্রেডিট কে দিবে না দিবে না এটা আমার হাতে নাই। আমার নিয়ন্ত্রণের মধ্যে যা আছে আমি সেটা করার চেষ্টা করি।’
পাকিস্তান সিরিজের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে স্থানীয় এই কোচ বলেন, ‘বিশ্বকাপের সময় হাথুরু আমাদের একটা প্রস্তুতির নকশা দিয়েছিল। আমরা সেই নকশা সংশোধন করে ক্রিকেটারদের নিয়ে ভাগ ভাগ করে প্রথমে সিলেট পরে চট্টগ্রামে, সবশেষ ঢাকায় প্রস্তুতি ক্যাম্প করি। আমাদের ক্রিকেটারদের শেখার ইচ্ছা প্রবল। তারাই অনুশীলনের মধ্য থেকে আমার কাছে নিজেদের টেকনিক্যাল ইস্যু নিয়ে আমার সঙ্গে আলোচনা করে। আমি সমাধানের চেষ্টা করেছি। ক্রিকেটারদের সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান কাজ করেছি। লাল বলে ওপেনারদের নিয়ে কাজ করেছি, গ্রানাইটে বল খেলিয়েছি।’
এবার সামনে ভারত সিরিজ। এবারও শুরুর প্রস্তুতির দায়িত্ব সেই সোহেল ইসলামের কাঁধে। সিরিজ প্রস্তুতি প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা আজ ১২ জন ক্রিকেটার নিয়ে সাদা বলে প্রস্তুতি শুরু করেছি। প্রথম দিনে আজ কয়েকজন ক্রিকেটার অনুপস্থিত ছিল। তবে কালও কয়েকজন যোগ দিবেন। ফিটনেস ও স্কিল এ দুটো দিক নিয়েই কাজ করছি। আশা করছি এবারের প্রস্তুতিও ক্রিকেটারদের জন্য সিরিজ সহায়ক হবে।’

পাকিস্তানের মাটিতে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের নেপথ্যে রয়েছেন স্থানীয় বেশ কয়েকজন কোচও। যাঁদের মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ টাইগার্সের কোচ মো: সোহেল ইসলাম। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় থেকে বিশ্বকাপের স্কোয়াডের বাইরের ক্রিকেটারদের নিয়ে দেশের তিন ভেন্যুতে নানা সংস্করণে করিয়েছেন প্রস্তুতি ক্যাম্প। আর তার ফল পাকিস্তান সফরে ক্রিকেটার বদলে যাওয়া মানসিকতা, বদলে যাওয়া পারফরম্যান্সও।
কী ব্যাটিং, কী বোলিং, কী ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই দুর্দান্ত খেলেছে বাংলাদেশ।দলের এই সাফল্যে প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহকে নিয়ে মাতামাতি হলেও খুব কমই আলোচনায় হয়েছে সোহেল ইসলামকে নিয়ে। এ নিয়ে অবশ্য আফসোস নেই তাঁর। আজ দুপুরে সোহেল মিরপুরে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘দেখেন আমি তো বোর্ডে অনেক দিন ধরে চাকরি করি। আমাদের যেটা কাজ আমি ওটার মধ্যেই থাকার চেষ্টা করি। ক্রেডিট কে দিবে না দিবে না এটা আমার হাতে নাই। আমার নিয়ন্ত্রণের মধ্যে যা আছে আমি সেটা করার চেষ্টা করি।’
পাকিস্তান সিরিজের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে স্থানীয় এই কোচ বলেন, ‘বিশ্বকাপের সময় হাথুরু আমাদের একটা প্রস্তুতির নকশা দিয়েছিল। আমরা সেই নকশা সংশোধন করে ক্রিকেটারদের নিয়ে ভাগ ভাগ করে প্রথমে সিলেট পরে চট্টগ্রামে, সবশেষ ঢাকায় প্রস্তুতি ক্যাম্প করি। আমাদের ক্রিকেটারদের শেখার ইচ্ছা প্রবল। তারাই অনুশীলনের মধ্য থেকে আমার কাছে নিজেদের টেকনিক্যাল ইস্যু নিয়ে আমার সঙ্গে আলোচনা করে। আমি সমাধানের চেষ্টা করেছি। ক্রিকেটারদের সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান কাজ করেছি। লাল বলে ওপেনারদের নিয়ে কাজ করেছি, গ্রানাইটে বল খেলিয়েছি।’
এবার সামনে ভারত সিরিজ। এবারও শুরুর প্রস্তুতির দায়িত্ব সেই সোহেল ইসলামের কাঁধে। সিরিজ প্রস্তুতি প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা আজ ১২ জন ক্রিকেটার নিয়ে সাদা বলে প্রস্তুতি শুরু করেছি। প্রথম দিনে আজ কয়েকজন ক্রিকেটার অনুপস্থিত ছিল। তবে কালও কয়েকজন যোগ দিবেন। ফিটনেস ও স্কিল এ দুটো দিক নিয়েই কাজ করছি। আশা করছি এবারের প্রস্তুতিও ক্রিকেটারদের জন্য সিরিজ সহায়ক হবে।’

এ মুহূর্তে সাকিব আল হাসান খেলছেন আরব আমিরাতের আইএল টি-টোয়েন্টিতে। দুই দিন আগে ফোনে দুবাই থেকে আজকের পত্রিকাকে দেওয়া দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে সাকিবের বর্তমান জীবনটা যেন উঠে এল। আজ থাকছে দ্বিতীয় ও শেষ পর্ব। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রানা আব্বাস।
১৮ মিনিট আগে
একটা সময় মনে হয়েছিল, রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে সহজেই জিতবে রংপুর রাইডার্স। বিশেষ করে, যখন উইকেটে ওপেনার ডেভিড মালানের সঙ্গে ব্যাট করছিলেন তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু দুজনের সেঞ্চুরি জুটির পরও জমে উঠল ম্যাচ। নিষ্পত্তির জন্য খেলা গড়াল সুপার ওভারে। এই সুপার ওভারে জিতেছে রাজশাহী।
১২ ঘণ্টা আগে
গত দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের খেলা দেখা যাচ্ছে না কোনো টিভি চ্যানেলে। এমনকি চুক্তি করা ওটিটি প্লাটফর্মেও দেখা যায়নি। কাল লিগের প্রথম পর্বের শেষ রাউন্ডের একটি ম্যাচ রয়েছে। সেই ম্যাচও দেখা যাবে না।
১২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় ফুটবল দলে ঢোকার দরজা সাবিনা খাতুনের জন্য আপাতত বন্ধই রয়েছে। ২০২৪ সালে তাঁর নেতৃত্বে সাফ জিতেছিল বাংলাদেশ। সেটাই হয়ে থাকে অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডের শেষ ম্যাচ। কোচ পিটার বাটলারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দেওয়ার পর জাতীয় দলে আর ডাক পাননি তিনি।
১৬ ঘণ্টা আগে