মিসবাহ-উল-হককে আউট করে প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই ভারতকে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন যোগিন্দার শর্মা। এবার সব ধরনের ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন ভারতীয় এই পেসার।
এক বিবৃতিতে নিজের অবসরের কথা জানিয়েছেন যোগিন্দার। ভারতীয় এই পেসার বলেন, ‘২০০২ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত যাত্রাটা আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। ভারতের হয়ে শীর্ষ পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করতে পারা অনেক সম্মানের। সতীর্থ, কোচ, মেন্টর এবং সাপোর্ট স্টাফ-আপনাদের সঙ্গে খেলতে পারা আসলেই বিশেষ কিছু। স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হওয়ার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।’
শুধু ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জোহানেসবার্গের ফাইনাল ম্যাচই নয়, এই বিশ্বকাপে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ভারতকে আরও বাঁচিয়েছিলেন যোগিন্দার। ডারবানে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেমিফাইনালে শেষ ওভার বোলিংয়ে এসে মাত্র ৬ রান দিয়ে জোড়া উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। ভারতীয় এই পেসারের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার মানেই ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৪ ম্যাচ খেলে ৯.৫১ ইকোনমিতে নিয়েছেন ৪ উইকেট। আর ওয়ানডেতে ৪ ম্যাচ খেলে ৪.৬০ ইকোনমিতে নিয়েছেন ১ উইকেট। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বেশি ম্যাচ না খেললেও লিস্ট ‘এ’, প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ, টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছিলেন যোগিন্দার। প্রথম শ্রেণীতে ৭৭ ম্যাচে ২৯৭ উইকেট, ৮০টি লিস্ট-‘এ’ ম্যাচে ১১৭ উইকেট ও ৬৩ টি-টোয়েন্টিতে ৬১ উইকেট নিয়েছেন ভারতীয় এই পেসার। আইপিএলে খেলেছিলেন চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে।
ক্রিকেটার থাকা অবস্থাতেই নিজের রাজ্য হরিয়ানায় পুলিশ হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন যোগিন্দার। এখন তিনি হরিয়ানার হিসার জেলার পুলিশের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে সম্মুখসারির যোদ্ধা ছিলেন ভারতীয় এই পেসার।

নকআউট পর্ব শুরুর আগেই ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপে এক কীর্তির অংশ হয়ে গেলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে গ্রুপ পর্ব শেষ করেছেন চার গোল নিয়ে। এর মাধ্যমে তিনি ছুঁয়েছেন রোনালদো, নেইমার ও জর্জিনহোর গড়া একটি বিরল রেকর্ড।
১ ঘণ্টা আগে
নকআউট পর্বের প্রতিপক্ষ নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন ভিনিসিয়ুস, ‘প্রতিপক্ষ বেছে নেওয়ার সুযোগ আমাদের নেই। যে দলই সামনে আসুক না কেন, আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’
১ ঘণ্টা আগে
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে এই জয়ে 'সি' গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করল ব্রাজিল। ৩ ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে প্রথম পর্ব শেষ করল তারা। এই গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় দল হিসেবে পরের রাউন্ডে উঠেছে মরক্কো। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় নকআউট পর্বে সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেই মাঠে নামবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
২ ঘণ্টা আগে
এরপর ৮৯ মিনিটে রাহিমির অ্যাসিস্ট থেকে আরেক বদলি ফুটবলার ইয়াসিন ফাঁকা জালে বল ঠেলে দিলে মরক্কোর জয় নিশ্চিত হয়। শেষ দিকে সুফিয়ান আমরাবাত চোট পেয়ে মাঠ ছাড়ায় ১০ জনের দলে পরিণত হলেও হাইতির আক্রমণভাগকে সফলভাবে রুখে দেয় মরক্কোর রক্ষণ। এই রোমাঞ্চকর জয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ রানার্সআপ হিসেবে শেষ বত্রিশের টিকিট
২ ঘণ্টা আগে