নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ইমার্জিং এশিয়া কাপের ফাইনালটা যেন হাত থেকে ফেলে দিল বাংলাদেশ ‘এ’ দল। ভারত ‘এ’ দলকে ২১১ রানের মধ্যে বেঁধে রেখেও তারা অলআউট হয়ে গেছে ১৬০ রানে। সেমিফাইনালে ভারতের কাছে বাংলাদেশের হার ৫১ রানে।
ভারতের দেওয়া ২১২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় বাংলাদেশ। দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম ও তানজিদ হাসান তামিম ভারতীয় বোলারদের ওপর চড়াও হন। ওপেনিং জুটিতে দুজন তুলে ফেলেন ৭০ রান। নাঈম ৩৮ রানে আউট হওয়ার পর বেশিক্ষণ টেকেননি তামিম। দলীয় ৯৪ রানে ব্যক্তিগত ৫১ রানে আউট হন তিনি। ১ উইকেটে ৯৪ থেকে ১৬০ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ ‘এ’–৬৬ রানের মধ্যে ৯ উইকেট হারিয়েছেন সৌম্যরা। অবাক চোখে বাংলাদেশের দর্শকেরা দেখেছেন, সহজ ম্যাচটা এভাবেও হারা যায়!
এর আগে টস জিতে রান তাড়াকে শ্রেয় মনে করে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠান বাংলাদেশ অধিনায়ক সাইফ হাসান। বোলাররা নিজেদের কাজটা বেশ ভালোভাবেই শেষ করেন। ভারতকে ২১১ রানের মধ্যে বেঁধে ফেলেন রাকিবুল হাসান-সাইফরা।
ইনিংস জুড়ে বাংলাদশের বোলিংয়ের সামনে রানের জন্য রীতিমতো সংগ্রাম করেছেন ভারতীয় ব্যাটাররা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেটও হারিয়েছে ভারতীয়রা। বোলারদের লড়াইয়ের জন্য যা একটু লড়াই করেছেন অধিনায়ক যশ ধুল। ভারতের ইনিংসে একমাত্র ফিফটিও তাঁর। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৬ রান এসেছে ধুলের ব্যাট থেকে। বাংলাদেশের ব্যাটারদের ব্যর্থতায় এই ইনিংসটাই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।
বাংলাদশের তিন স্পিনারই মূলত ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপকে ডানা মেলতে দেননি। অফ স্পিনার মেহেদী হাসান ১০ ওভারে ৩৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন। অধিনায়ক সাইফের শিকার ১০ ওভারে ২৯ রান দিয়ে এক উইকেট। ১০ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার রাকিবুল। বোলাররা দায়িত্ব ঠিকঠাক পালন করলেও পারেননি ব্যাটাররা।

ইমার্জিং এশিয়া কাপের ফাইনালটা যেন হাত থেকে ফেলে দিল বাংলাদেশ ‘এ’ দল। ভারত ‘এ’ দলকে ২১১ রানের মধ্যে বেঁধে রেখেও তারা অলআউট হয়ে গেছে ১৬০ রানে। সেমিফাইনালে ভারতের কাছে বাংলাদেশের হার ৫১ রানে।
ভারতের দেওয়া ২১২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় বাংলাদেশ। দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম ও তানজিদ হাসান তামিম ভারতীয় বোলারদের ওপর চড়াও হন। ওপেনিং জুটিতে দুজন তুলে ফেলেন ৭০ রান। নাঈম ৩৮ রানে আউট হওয়ার পর বেশিক্ষণ টেকেননি তামিম। দলীয় ৯৪ রানে ব্যক্তিগত ৫১ রানে আউট হন তিনি। ১ উইকেটে ৯৪ থেকে ১৬০ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ ‘এ’–৬৬ রানের মধ্যে ৯ উইকেট হারিয়েছেন সৌম্যরা। অবাক চোখে বাংলাদেশের দর্শকেরা দেখেছেন, সহজ ম্যাচটা এভাবেও হারা যায়!
এর আগে টস জিতে রান তাড়াকে শ্রেয় মনে করে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠান বাংলাদেশ অধিনায়ক সাইফ হাসান। বোলাররা নিজেদের কাজটা বেশ ভালোভাবেই শেষ করেন। ভারতকে ২১১ রানের মধ্যে বেঁধে ফেলেন রাকিবুল হাসান-সাইফরা।
ইনিংস জুড়ে বাংলাদশের বোলিংয়ের সামনে রানের জন্য রীতিমতো সংগ্রাম করেছেন ভারতীয় ব্যাটাররা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেটও হারিয়েছে ভারতীয়রা। বোলারদের লড়াইয়ের জন্য যা একটু লড়াই করেছেন অধিনায়ক যশ ধুল। ভারতের ইনিংসে একমাত্র ফিফটিও তাঁর। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৬ রান এসেছে ধুলের ব্যাট থেকে। বাংলাদেশের ব্যাটারদের ব্যর্থতায় এই ইনিংসটাই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।
বাংলাদশের তিন স্পিনারই মূলত ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপকে ডানা মেলতে দেননি। অফ স্পিনার মেহেদী হাসান ১০ ওভারে ৩৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন। অধিনায়ক সাইফের শিকার ১০ ওভারে ২৯ রান দিয়ে এক উইকেট। ১০ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার রাকিবুল। বোলাররা দায়িত্ব ঠিকঠাক পালন করলেও পারেননি ব্যাটাররা।

২০২৫ এশিয়া কাপে ভারত ও পাকিস্তানের ম্যাচে হাত না মেলানো ইস্যুতে কম আলোচনা সমালোচনা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে গড়িয়েছে অনেক জল। এবার একই ঘটনা দেখা গেল বাংলাদেশ ও ভারতের ম্যাচে। তাতেই এশিয়া কাপের ৪ মাস পর নতুনকরে আলোচনায় আসলো ‘নো হ্যান্ডশেক’ ইস্যু।
১ ঘণ্টা আগে
ভারতকে হারানোর আত্মবিশ্বাস নিয়ে সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে ভুটানের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। তবে ব্যাংককের ননথাবুরি হলে ম্যাচটি ছিল নাটকীয়তায় ঠাসা। এক পর্যায়ে হারের শঙ্কায় থাকলেও ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩-৩ গোলের স্বস্তির ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন সাবিনা-মাসুরারা।
২ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ এবং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সম্পর্ক এখন চরমে। ২০২৬ আইপিএলের দল থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স বাদ দেওয়ার ঘটনায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। নিরাপত্তা শঙ্কা থাকায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে দল না পাঠাতে অনড় বিসিবি। তাতেই তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।
৩ ঘণ্টা আগে
২০২৬ বিপিএলে এরই মধ্যে প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে তিনটি দল। বাকি একটি জায়গার জন্য লড়াইয়ে টিকে আছে রংপুর রাইডার্স ও ঢাকা ক্যাপিটালস। তবে সম্ভাবনা বেশি রংপুরের সামনে। তাদের সংগ্রহ ৮ পয়েন্ট। ২ জয়ে মোহাম্মদ মিঠুনের দল পেয়েছে ৪ পয়েন্ট। সেরা চারের দৌড়ে টিকে থাকতে চাইলে আজ লিটন দাসদের বিপক্ষে জিততেই হবে ঢাকাকে
৪ ঘণ্টা আগে