
জয় দিয়ে মেয়েদের রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপ শুরু করেছে বাংলাদেশ। থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আজ নিজেদের প্রথম উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিপক্ষে ৪ রানে জিতেছে বাংলাদেশের নারী ‘এ’ দল।
আগে ব্যাট করে ফাহিমা খাতুনের বাংলাদেশ ১৯.৫ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে তোলে ১১৫ রান। জবাবে লঙ্কান মেয়েরা ম্যাচটিকে রান আর বলের সমীকরণে নিয়েও জিততে পারেনি; ৯ উইকেটে ১১১ রান তুলে হেরেছে মাত্র ৪ রানে। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ২ উইকেট হাতে থাকা লঙ্কান মেয়েদের দরকার ছিল ১৩ রান। কিন্তু ফাহিমা খাতুনের ওভারে তারা ১ উইকেট হারিয়ে তুলতে পারে মাত্র ৮ রান।
টস জিতে আগে ব্যাটিং বেছে নিলেও বাংলাদেশ বড় স্কোর গড়তে পারেনি। ইশমা তানজিন ও শামিমা সুলতানা ওপেনিংয়ে ৪৮ রানের জুটি গড়েছিলেন। কিন্তু এরপরই ‘মিনি’ মোড়ক লাগে ইনিংসে। ৪৮ থেকে ৮১—মাঝের ৩৩ রান যোগ করতেই বাংলাদেশ দল হারিয়ে ফেলে ৪ উইকেট।
১৯ বলে ১৭ রান করে ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে আউট হন শামিমা। কিছু সময় পর তাঁকে অনুসরণ করেন ইশমাও। তবে আউট হওয়ার আগে ২৫ বলে ইনিংস সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন ইশমা। ৪টি চারে সাজানো তাঁর ইনিংস। দুই ওপেনার হারানোর পর দ্রুতই ফিরে যান রুবাইয়া হালদার (১১) ও তাজ নেহরা (১)। এরপর দলীয় ১০৪ রানে তিনে নামা শারমিন সুলতানা ২৭ বলে ২৯ রান করে বিদায় নেন। তার বিদায়ের পরই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে বাংলাদেশ ইনিংস। শেষ ১১ রান যোগ করতেই বাংলাদেশ হারায় শেষ ৫ উইকেট। সাচিনি নিসানসালা ১৪ রানে নেন ৪ উইকেট।
লক্ষ্য তাড়ায় এসে হানসিমা করুণারত্নে ২৬ এবং আমা কাঞ্চনা ২৩ রান করলেও লঙ্কান মেয়েদের ইনিংস শেষ হয় ১১১ রানে। ২০ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা সানজিদা আক্তার মেধা।

শেষ দিকে নেপাল গোলের জন্য মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালালেও বাংলাদেশের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। ৯০ মিনিটে দূরপাল্লার এক শট মাটিতে পড়ে গিয়ে ঠেকান মোহাম্মদ ইউসুফ। বাংলাদেশেরও ব্যবধান দ্বিগুণের সুযোগ আসে। যোগ করা সময়ে বদলি নামা ডেক্লান সুলিভানের পাসে গোলের সুযোগ নষ্ট করেন সুমন সোরেণ ও তাঁর ভাই রোনান সুলিভান। শ
২৯ মিনিট আগে
শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে এই এক গোলের লিড দ্বিতীয়ার্ধে অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।
২ ঘণ্টা আগে
বিগ ব্যাশে নিজের অভিষেক মৌসুমটা রিশাদ হোসেনের হয়েছে মনে রাখার মতোই। লেগস্পিন ঘূর্ণিতে ব্যাটারদের বোকা বানিয়েছেন বারবার। বাংলাদেশের তরুণ লেগস্পিনার পেয়ে গেলেন বর্ষসেরা পুরস্কার।
২ ঘণ্টা আগে
সিঙ্গাপুর কাগজ-কলমে স্বাগতিক হলেও বোঝারই উপায় ছিল না যে বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ম্যাচ হচ্ছে সিঙ্গাপুরে। গ্যালারিতে লাল-সবুজের পতাকা হাতে হাজির হয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দর্শকেরা। বাংলাদেশের সমর্থনে গলা ফাটানোর পাশাপাশি মাঠ পরিষ্কারের কাজও করেছেন। সিঙ্গাপুরের সংবাদমাধ্যমেও প্রচার করা হচ্ছে প্রবাসী
৩ ঘণ্টা আগে