অপেক্ষাটা হয়তো এবার ফুরাতে পারে ভারতের। দীর্ঘ ১২ বছর ধরে বিশ্বকাপ না জেতার অপেক্ষা। প্রতিবার ফেবারিট হিসেবে খেললেও তারা টুর্নামেন্টে শেষ করে হতাশায়। সেমিফাইনালের ফাড়া পার হতেই পারেনা তারা।
এবার ঘরের মাঠে সেই ফাড়া পার হওয়ার সঙ্গে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে ভারত। দুর্দান্ত ছন্দেও আছে তারা। এখন পর্যন্ত একমাত্র দল হিসেবে টুর্নামেন্টে অপরাজিত ১৯৮৩ ও ২০১১ বিশ্বকাপজয়ীরা। ৯ ম্যাচ খেলে প্রতিটিতেই জিতেছে তারা।
ভারতের তৃতীয় বিশ্বকাপ জয়ের দুর্দান্ত সুযোগ দেখছেন রবি শাস্ত্রীও। তাঁর মতে ১২ বছর আগের স্মৃতি ফিরে আনার এটাই সেরা সুযোগ। আর যদি না পারে তাহলে আরও তিন বিশ্বকাপ অপেক্ষা করতে হতে পারে তাঁর দেশকে এমনটাই মনে করছেন ভারতের সাবেক অলরাউন্ডার।
অ্যাডাম গিলক্রিস্ট ও মাইকেল ভনের সঙ্গে ক্লাব প্রেইরি পডকাস্টে কথা বলার সময় এমনটিই জানিয়েছেন শাস্ত্রী। ভারতের সাবেক কোচ বলেছেন, ‘১২ বছর আগে তারা (ভারত) বিশ্বকাপ জিতেছে। সেটির পুনরাবৃত্তির সুযোগ আছে। তারা যেভাবে খেলছে, সম্ভবত এটাই সেরা সুযোগ।’
আর ঘরের মাঠেও যদি ভারত এবার বিশ্বকাপ জিততে না পারে তাহলে খরাটা আরও দীর্ঘ হবে বলে জানিয়েছেন শাস্ত্রী। তিনি বলেছেন, ‘যদি তারা সুযোগ হাতছাড়া করে তাহলে শিরোপা জেতার জন্য তাদের আরও তিন বিশ্বকাপ অপেক্ষা করতে হতে পরে। দলের ৭-৮ জন খেলোয়াড় সেরা ছন্দে রয়েছে। এবং এটাই হতে পারে তাদের শেষ বিশ্বকাপ।’

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
১৮ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে