নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দুই দলের শেষ চার আগেই নিশ্চিত ছিল। তবু আজ হিসেব-নিকেশ মাথায় নিয়েই মাঠে নেমেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ও রংপুর রাইডার্স। কোয়ালিফায়ারে খেলতে হলে জিততেই হবে—এই ম্যাচে দুই দলের সমীকরণ ছিল এমনই। রংপুরকে ৭০ রানে হারিয়ে সেই কোয়লিফায়ারে জায়গা করে নিয়েছে কুমিল্লা।
কোয়ালিফায়ারে কুমিল্লার প্রতিপক্ষ মাশরাফি বিন মর্তুজার সিলেট স্ট্রাইকার্স। অন্যদিকে টানা ছয় জয়ের পর কুমিল্লার বিপক্ষে হেরে এলিমেনিটর খেলতে হবে রংপুর। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ সাকিব আল হাসানের ফরচুন বরিশাল। রংপুর মূলত হেরেছে ব্যাটারদের ব্যর্থতায়। ৩ ওভার হাতে রেখে ১০৭ রানে অলআউট হয়েছে তারা।
কুমিল্লার ১৭৮ রানের লক্ষ্যটাও অবশ্য বেশ বড়ই ছিল। সেটা তাড়া করতে নেমে আসা যাওয়ার মিছিলে ছিলেন রংপুরের ব্যাটাররা। দলীয় ১২ রানে মোহাম্মদ নাঈমের পর ২০ রানে আউট হন আরেক ওপেনার রনি তালুকদার। এই ধাক্কা সামলে ওঠার আগে ৩৭ রানের মধ্যে আরও ৩ উইকেট হারায় রংপুর। টম কোহলার ক্যাডমোরকে এলবিডব্লু করেন তানভীর ইসলাম।
আন্দ্রে রাসেলকে ছক্কা মেরে পরের বলেই আউট হন নুরুল হাসান সোহান। রাসেলের স্লোয়ার বুঝতে না পেরে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন সোহান। শামীম হোসেন অবশ্য নিজেকে একটু দুর্ভাগা ভাবতেই পারেন। উইকেটকিপার মোহাম্মদ রিজওয়ান দুর্দান্ত যে ক্যাচে তাঁকে ফিরিয়েছেন সেটাকে অবিশ্বাস্য বললেও কম বলা হবে। একপ্রান্ত ভরসা হয়ে থাকা গুরবাজ ২৯ রানে ফিরলে রংপুরের জয়ের শেষ আশাটাও নিভে যায়।
সে হিসেবে কুমিল্লার ইনিংসে বলার মতো অবদান কমবেশি সবারই। লিটন দাস-রিজওয়ানের ওপেনিং থেকে ৪৩ রানের জুটি, যেখানে রিজওয়ানের অবদান ২৪ রান। লিটন পরে আউট হন ৩৩ বলে ৪৭ রান করে। তাঁর ইনিংসে সমান ৩ চার ও ৩ ছক্কা। মাঝে সুনীল নারাইন ও ইমরুল কায়েস বেশি সুবিধা করতে পারেননি। এরপর জাকের আলী অনিকের ৩৪ ও খুশদিল শাহর বিধ্বংসী ২০ বলে ৪০ রানের ইনিংসে বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় কুমিল্লা। সেটা পেরিয়ে যেতে পারেনি সোহানের রংপুর।

দুই দলের শেষ চার আগেই নিশ্চিত ছিল। তবু আজ হিসেব-নিকেশ মাথায় নিয়েই মাঠে নেমেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ও রংপুর রাইডার্স। কোয়ালিফায়ারে খেলতে হলে জিততেই হবে—এই ম্যাচে দুই দলের সমীকরণ ছিল এমনই। রংপুরকে ৭০ রানে হারিয়ে সেই কোয়লিফায়ারে জায়গা করে নিয়েছে কুমিল্লা।
কোয়ালিফায়ারে কুমিল্লার প্রতিপক্ষ মাশরাফি বিন মর্তুজার সিলেট স্ট্রাইকার্স। অন্যদিকে টানা ছয় জয়ের পর কুমিল্লার বিপক্ষে হেরে এলিমেনিটর খেলতে হবে রংপুর। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ সাকিব আল হাসানের ফরচুন বরিশাল। রংপুর মূলত হেরেছে ব্যাটারদের ব্যর্থতায়। ৩ ওভার হাতে রেখে ১০৭ রানে অলআউট হয়েছে তারা।
কুমিল্লার ১৭৮ রানের লক্ষ্যটাও অবশ্য বেশ বড়ই ছিল। সেটা তাড়া করতে নেমে আসা যাওয়ার মিছিলে ছিলেন রংপুরের ব্যাটাররা। দলীয় ১২ রানে মোহাম্মদ নাঈমের পর ২০ রানে আউট হন আরেক ওপেনার রনি তালুকদার। এই ধাক্কা সামলে ওঠার আগে ৩৭ রানের মধ্যে আরও ৩ উইকেট হারায় রংপুর। টম কোহলার ক্যাডমোরকে এলবিডব্লু করেন তানভীর ইসলাম।
আন্দ্রে রাসেলকে ছক্কা মেরে পরের বলেই আউট হন নুরুল হাসান সোহান। রাসেলের স্লোয়ার বুঝতে না পেরে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন সোহান। শামীম হোসেন অবশ্য নিজেকে একটু দুর্ভাগা ভাবতেই পারেন। উইকেটকিপার মোহাম্মদ রিজওয়ান দুর্দান্ত যে ক্যাচে তাঁকে ফিরিয়েছেন সেটাকে অবিশ্বাস্য বললেও কম বলা হবে। একপ্রান্ত ভরসা হয়ে থাকা গুরবাজ ২৯ রানে ফিরলে রংপুরের জয়ের শেষ আশাটাও নিভে যায়।
সে হিসেবে কুমিল্লার ইনিংসে বলার মতো অবদান কমবেশি সবারই। লিটন দাস-রিজওয়ানের ওপেনিং থেকে ৪৩ রানের জুটি, যেখানে রিজওয়ানের অবদান ২৪ রান। লিটন পরে আউট হন ৩৩ বলে ৪৭ রান করে। তাঁর ইনিংসে সমান ৩ চার ও ৩ ছক্কা। মাঝে সুনীল নারাইন ও ইমরুল কায়েস বেশি সুবিধা করতে পারেননি। এরপর জাকের আলী অনিকের ৩৪ ও খুশদিল শাহর বিধ্বংসী ২০ বলে ৪০ রানের ইনিংসে বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় কুমিল্লা। সেটা পেরিয়ে যেতে পারেনি সোহানের রংপুর।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই একের পর এক দুঃসংবাদ পাচ্ছে ভারত। তিলক ভার্মার পর বিশ্বকাপ দলের আরেক ক্রিকেটারকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভারত। চোটে পড়ায় ওয়ানডে সিরিজ শেষ ওয়াশিংটন সুন্দরের।
২২ মিনিট আগে
২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) জিরো টলারেন্স নীতিতে হাঁটছে বিসিবির দুর্নীতি দমন ইউনিট। এরই মধ্যে সন্দেহের জেরে ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্মকর্তা এবং খেলোয়াড়দের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। তবে দুর্নীতি দমন ইউনিটের কার্যক্রমের ধরনে বিরক্ত ঢাকা ক্যাপিটালসের ব্যাটার রহমানুল্লাহ গুরবাজ। এমনকি বিপিএলের মাঝপথ
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) গতকাল আলোচনায় ছিলেন মোহাম্মদ নবি ও তাঁর ছেলে হাসান ইসাখিল। ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে ৪১ রানের জয় এনে দিতে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছেন বাপ-বেটা। বাইশ গজে দারুণ পারফরম্যান্সের পর সংবাদ সম্মেলনে হাজির হন তাঁরা দুজন।
২ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে ঢাকা ক্যাপিটালসের একাদশ দেখে কিছুটা অবাক-ই হয়েছিল সবাই। যেখানে ছিল না তাসকিন আহমেদের নাম। বিষয়টি নিয়ে কৌতুহল তৈরি হয়েছিল সংশ্লিষ্টদের মনে। ম্যাচ শেষে কৌতুহল দূর করেছেন ঢাকার অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার যে তথ্য দিলেন তাতে করে তাসকিনকে নিয়ে চিন্তায় পড়ে যা
৩ ঘণ্টা আগে