ক্রীড়া ডেস্ক

বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হার, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ হার—আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পাকিস্তানের কী দুর্দশা চলছে, সেটা বোঝাতে এই দুই সিরিজ হারই যথেষ্ট। বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে ঘুরপাক খেতে থাকা গত রাতে শারজায় টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানকে ৩৯ রানে হারিয়েছে পাকিস্তান।
আফগানদের হারানোর পর সংবাদ সম্মেলনে গত রাতে পাকিস্তান দলের প্রতিনিধি হিসেবে আসেন হারিস রউফ। তখন এক সাংবাদিকের প্রশ্ন শুনে মেজাজ হারিয়েছেন তিনি। সেই সাংবাদিকের প্রশ্ন ছিল, ‘আফগানিস্তান-সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে পাকিস্তান যে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলছে, সেটা কি তাদের (পাকিস্তান) জন্য এশিয়া কাপের প্রস্তুতি কিনা? কারণ, আমিরাতেই সেপ্টেম্বরে শুরু হচ্ছে এশিয়া কাপ।’ সেই সাংবাদিকের কথার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন হারিস। ৩১ বছর বয়সী পাকিস্তানি পেসার বলেন, ‘আপনি এটাকে প্র্যাকটিস ম্যাচ বলছেন। কিন্তু আমার মতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কোনো ম্যাচই প্রস্তুতি ম্যাচ ধরার উপায় নেই।’
শারজায় গত রাতে খেলার আগে আফগানিস্তানের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৫ ম্যাচ খেলেছিল পাকিস্তান। তার মধ্যে ১১ ম্যাচ জিতেছিল পাকিস্তান। বাকি ৪ ম্যাচে জয় ছিল আফগানদের। পাল্লা ভারী থাকলেও টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তান যেকোনো সময় ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। পাকিস্তান গতকাল ১৮২ রান করলেও প্রথম ১১.১ ওভারে ৪ উইকেটে ৮৩ রান করেছিল দলটি। অধিনায়ক সালমান আলী আঘার ফিফটিতে (৩৬ বলে ৫৩*) মূলত লড়াই করার মতো পুঁজি পায় পাকিস্তান। ম্যাচ শেষে হারিস বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে চাপ থাকেই। আপনি হালকাভাবে নিতে পারেন না। আপনার সেরা একাদশ বা দল যা-ই হোক না কেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে হবে।’
১৮৩ রানের লক্ষ্যে নেমে আফগানিস্তানের স্কোর একটা পর্যায়ে হয়ে যায় ১৪.১ ওভারে ৭ উইকেটে ৯৭ রান। আট নম্বরে নামা রশিদ খানের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে আফগানরা হারের ব্যবধান কমাতে পেরেছে। আফগান অধিনায়ক ১৬ বলে ১ চার ও ৫ ছক্কায় করেন ৩৯ রান। ক্যাচ মিস, রান আউট মিসের মতো ঘটনাও দেখা গেছে পাকিস্তানের ফিল্ডিংয়ের সময়। পাকিস্তান বাজে ফিল্ডিং করেছে—সাংবাদিকের এমন কথা শুনে হারিসের মেজাজ আরও গরম হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানি পেসার বলেন, ‘আমার মনে হয় ম্যাচটা আপনি ঠিকমতো দেখেননি। ফিল্ডিংয়ে আমরা তেমন কোনো ভুল করিনি। আপনি যদি আবার পর্যালোচনা করে দেখেন, তাহলে বুঝতে পারবেন ম্যাচে আমরা কতটা দারুণ খেলেছি।’
টস জিতে গতকাল আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৮২ রান করেছে তাঁর দল। ইনিংস সর্বোচ্চ ৫৩ রান করে অপরাজিত থাকেন পাক অধিনায়ক। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটা তাঁর চতুর্থ ফিফটি। ৩৬ বলের ইনিংসে তিনটি করে চার ও ছক্কা মারেন তিনি। জবাবে আফগানরা ১৯.৫ ওভারে ১৪৩ রানে গুটিয়ে যায়। ৩৯ রানের জয়ে সালমান হয়েছেন ম্যান অব দ্য ম্যাচ। আজ শারজায় পাকিস্তান খেলতে নামবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে।

বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হার, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ হার—আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পাকিস্তানের কী দুর্দশা চলছে, সেটা বোঝাতে এই দুই সিরিজ হারই যথেষ্ট। বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে ঘুরপাক খেতে থাকা গত রাতে শারজায় টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানকে ৩৯ রানে হারিয়েছে পাকিস্তান।
আফগানদের হারানোর পর সংবাদ সম্মেলনে গত রাতে পাকিস্তান দলের প্রতিনিধি হিসেবে আসেন হারিস রউফ। তখন এক সাংবাদিকের প্রশ্ন শুনে মেজাজ হারিয়েছেন তিনি। সেই সাংবাদিকের প্রশ্ন ছিল, ‘আফগানিস্তান-সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে পাকিস্তান যে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলছে, সেটা কি তাদের (পাকিস্তান) জন্য এশিয়া কাপের প্রস্তুতি কিনা? কারণ, আমিরাতেই সেপ্টেম্বরে শুরু হচ্ছে এশিয়া কাপ।’ সেই সাংবাদিকের কথার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন হারিস। ৩১ বছর বয়সী পাকিস্তানি পেসার বলেন, ‘আপনি এটাকে প্র্যাকটিস ম্যাচ বলছেন। কিন্তু আমার মতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কোনো ম্যাচই প্রস্তুতি ম্যাচ ধরার উপায় নেই।’
শারজায় গত রাতে খেলার আগে আফগানিস্তানের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৫ ম্যাচ খেলেছিল পাকিস্তান। তার মধ্যে ১১ ম্যাচ জিতেছিল পাকিস্তান। বাকি ৪ ম্যাচে জয় ছিল আফগানদের। পাল্লা ভারী থাকলেও টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তান যেকোনো সময় ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। পাকিস্তান গতকাল ১৮২ রান করলেও প্রথম ১১.১ ওভারে ৪ উইকেটে ৮৩ রান করেছিল দলটি। অধিনায়ক সালমান আলী আঘার ফিফটিতে (৩৬ বলে ৫৩*) মূলত লড়াই করার মতো পুঁজি পায় পাকিস্তান। ম্যাচ শেষে হারিস বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে চাপ থাকেই। আপনি হালকাভাবে নিতে পারেন না। আপনার সেরা একাদশ বা দল যা-ই হোক না কেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে হবে।’
১৮৩ রানের লক্ষ্যে নেমে আফগানিস্তানের স্কোর একটা পর্যায়ে হয়ে যায় ১৪.১ ওভারে ৭ উইকেটে ৯৭ রান। আট নম্বরে নামা রশিদ খানের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে আফগানরা হারের ব্যবধান কমাতে পেরেছে। আফগান অধিনায়ক ১৬ বলে ১ চার ও ৫ ছক্কায় করেন ৩৯ রান। ক্যাচ মিস, রান আউট মিসের মতো ঘটনাও দেখা গেছে পাকিস্তানের ফিল্ডিংয়ের সময়। পাকিস্তান বাজে ফিল্ডিং করেছে—সাংবাদিকের এমন কথা শুনে হারিসের মেজাজ আরও গরম হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানি পেসার বলেন, ‘আমার মনে হয় ম্যাচটা আপনি ঠিকমতো দেখেননি। ফিল্ডিংয়ে আমরা তেমন কোনো ভুল করিনি। আপনি যদি আবার পর্যালোচনা করে দেখেন, তাহলে বুঝতে পারবেন ম্যাচে আমরা কতটা দারুণ খেলেছি।’
টস জিতে গতকাল আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৮২ রান করেছে তাঁর দল। ইনিংস সর্বোচ্চ ৫৩ রান করে অপরাজিত থাকেন পাক অধিনায়ক। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটা তাঁর চতুর্থ ফিফটি। ৩৬ বলের ইনিংসে তিনটি করে চার ও ছক্কা মারেন তিনি। জবাবে আফগানরা ১৯.৫ ওভারে ১৪৩ রানে গুটিয়ে যায়। ৩৯ রানের জয়ে সালমান হয়েছেন ম্যান অব দ্য ম্যাচ। আজ শারজায় পাকিস্তান খেলতে নামবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে।

ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
১৫ মিনিট আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
২৮ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৩ সপ্তাহ বাকি থাকলেও এখনো বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা চলছে। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত নন তানজিদ হাসান তামিম। এই বাঁ হাতি ব্যাটারের বিশ্বাস, বিষয়টি ভালোভাবেই দেখছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আইসিসি।
২৯ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর বেশি দিন বাকি নেই। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে ছোট সংস্করণে বিশ্বকাপের দশম পর্ব। তার আগে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া।
১ ঘণ্টা আগে