
আগের দিন রাওয়ালপিন্ডির আকাশ যখন মেঘে ঢেকে গেল, বৃষ্টি নামল—পাকিস্তানিরা একটু হলেও স্বস্তিতে মাঠ ছেড়েছিলেন। হার যখন চোখের সামনে, তার মধ্যে বৃষ্টি তো আশীর্বাদই! তবে আজ রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিনে মুখে থেকে একেবারেই হাসি উবে গেল বাবর আজম-শান মাসুদদের। সিরিজের দ্বিতীয় ও টেস্টে যে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে পাকিস্তান! হেরেছে ৬ উইকেটে।
তাতেই নতুন ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। প্রথমবার পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জিতলেন নাজমুল হোসেন শান্তরা। সঙ্গে করেছে ধবলধোলাইও, সেটিও আবার প্রতিপক্ষের মাঠে! এ নিয়ে একাধিক ম্যাচের টেস্টে চতুর্থবারের মতোন প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। সেই চার সিরিজে একটু চোখ বুলিয়ে আসা যাক—
বাংলাদেশ ২:০ পাকিস্তান, ২০২৪: রাওয়ালপিন্ডিতে সিরিজের প্রথম টেস্টে ১০ উইকেটের রেকর্ড গড়া জয়ের পর দ্বিতীয় টেস্টে ৬ উইকেট জয়—তাতেই ইতিহাস গড়ে ফেলল বাংলাদেশ। এই সিরিজ দিয়ে ২০০৩ সালে মুলতানের দুঃখ ভুলে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে প্রথম টেস্ট জয়, এবার করল হোয়াইটওয়াশও। বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের নায়ক মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদ, নাহিদ রানারা।
বাংলাদেশ ২:০ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ২০১৮: দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে সফরে আসা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দ্বিতীয়বারের মতোন ধবলধোলাই করে বাংলাদেশ। চটগ্রামে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৬৪ রানে জয়ের পর মিরপুরে ইনিংস ও ১৮৪ রানে জেতে স্বাগতিকেরা।
বাংলাদেশ ৩:০ জিম্বাবুয়ে, ২০১৪: বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে জিম্বাবুয়ের নাম। ২০১৪ সালে প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশ। মিরপুরে প্রথম টেস্টে ৩ উইকেট, খুলনায় দ্বিতীয় টেস্টে ১৬২ রান এবং চট্টগ্রামে তৃতীয় ও শেষ টেস্টে ১৮৬ রান জেতে স্বাগতিকেরা।
বাংলাদেশ ২:০ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ২০০৯: ২০০৫ সালে সফরে আসা জিম্বাবুয়েকে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবার টেস্ট ও সিরিজ জয়ের স্বাদ পায় বাংলাদেশ। তবে হোয়াইটওয়াশের স্বাদটা প্রথম পায় চার বছর পর। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দুই ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে হারায় বাংলাদেশ, সেটিও ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে। কিংসটাউনে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯৫ রানে জয়ের পর দ্বিতীয় টেস্টে ৪ উইকেটে জেতে বাংলাদেশ।

আগের দিন রাওয়ালপিন্ডির আকাশ যখন মেঘে ঢেকে গেল, বৃষ্টি নামল—পাকিস্তানিরা একটু হলেও স্বস্তিতে মাঠ ছেড়েছিলেন। হার যখন চোখের সামনে, তার মধ্যে বৃষ্টি তো আশীর্বাদই! তবে আজ রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিনে মুখে থেকে একেবারেই হাসি উবে গেল বাবর আজম-শান মাসুদদের। সিরিজের দ্বিতীয় ও টেস্টে যে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে পাকিস্তান! হেরেছে ৬ উইকেটে।
তাতেই নতুন ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। প্রথমবার পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জিতলেন নাজমুল হোসেন শান্তরা। সঙ্গে করেছে ধবলধোলাইও, সেটিও আবার প্রতিপক্ষের মাঠে! এ নিয়ে একাধিক ম্যাচের টেস্টে চতুর্থবারের মতোন প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। সেই চার সিরিজে একটু চোখ বুলিয়ে আসা যাক—
বাংলাদেশ ২:০ পাকিস্তান, ২০২৪: রাওয়ালপিন্ডিতে সিরিজের প্রথম টেস্টে ১০ উইকেটের রেকর্ড গড়া জয়ের পর দ্বিতীয় টেস্টে ৬ উইকেট জয়—তাতেই ইতিহাস গড়ে ফেলল বাংলাদেশ। এই সিরিজ দিয়ে ২০০৩ সালে মুলতানের দুঃখ ভুলে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে প্রথম টেস্ট জয়, এবার করল হোয়াইটওয়াশও। বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের নায়ক মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদ, নাহিদ রানারা।
বাংলাদেশ ২:০ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ২০১৮: দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে সফরে আসা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দ্বিতীয়বারের মতোন ধবলধোলাই করে বাংলাদেশ। চটগ্রামে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৬৪ রানে জয়ের পর মিরপুরে ইনিংস ও ১৮৪ রানে জেতে স্বাগতিকেরা।
বাংলাদেশ ৩:০ জিম্বাবুয়ে, ২০১৪: বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে জিম্বাবুয়ের নাম। ২০১৪ সালে প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশ। মিরপুরে প্রথম টেস্টে ৩ উইকেট, খুলনায় দ্বিতীয় টেস্টে ১৬২ রান এবং চট্টগ্রামে তৃতীয় ও শেষ টেস্টে ১৮৬ রান জেতে স্বাগতিকেরা।
বাংলাদেশ ২:০ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ২০০৯: ২০০৫ সালে সফরে আসা জিম্বাবুয়েকে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবার টেস্ট ও সিরিজ জয়ের স্বাদ পায় বাংলাদেশ। তবে হোয়াইটওয়াশের স্বাদটা প্রথম পায় চার বছর পর। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দুই ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে হারায় বাংলাদেশ, সেটিও ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে। কিংসটাউনে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯৫ রানে জয়ের পর দ্বিতীয় টেস্টে ৪ উইকেটে জেতে বাংলাদেশ।

একটা সময় মনে হয়েছিল, রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে সহজেই জিতবে রংপুর রাইডার্স। বিশেষ করে, যখন উইকেটে ওপেনার ডেভিড মালানের সঙ্গে ব্যাট করছিলেন তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু দুজনের সেঞ্চুরি জুটির পরও জমে উঠল ম্যাচ। নিষ্পত্তির জন্য খেলা গড়াল সুপার ওভারে। এই সুপার ওভারে জিতেছে রাজশাহী।
৭ ঘণ্টা আগে
গত দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের খেলা দেখা যাচ্ছে না কোনো টিভি চ্যানেলে। এমনকি চুক্তি করা ওটিটি প্লাটফর্মেও দেখা যায়নি। কাল লিগের প্রথম পর্বের শেষ রাউন্ডের একটি ম্যাচ রয়েছে। সেই ম্যাচও দেখা যাবে না।
৮ ঘণ্টা আগে
জাতীয় ফুটবল দলে ঢোকার দরজা সাবিনা খাতুনের জন্য আপাতত বন্ধই রয়েছে। ২০২৪ সালে তাঁর নেতৃত্বে সাফ জিতেছিল বাংলাদেশ। সেটাই হয়ে থাকে অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডের শেষ ম্যাচ। কোচ পিটার বাটলারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দেওয়ার পর জাতীয় দলে আর ডাক পাননি তিনি।
১১ ঘণ্টা আগে
শামীম হোসেন পাটোয়ারী খেলছিলেন তাঁর মতো করে। উইকেটের চতুর্দিকে বাহারি শটের পসরা সাজিয়ে করেছেন ফিফটি। ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলেছেন । তবে সতীর্থদের কাছ থেকে যে তেমন সমর্থন পাননি। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্সের কাছে ৬ রানে হেরেছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
১২ ঘণ্টা আগে