আহমেদ রিয়াদ, কানপুর থেকে

আগের দিনই জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে সাকিব আল হাসান জানিয়ে দিয়েছিলেন, লাল বলের ক্রিকেটকে মিরপুরে খেলেই বিদায় জানাতে চান। সেই সুযোগ না মিললে গতকাল থেকে শুরু কানপুর টেস্টই তাঁর শেষ! বাংলাদেশের অলরাউন্ডারের এই ঘোষণায় বাংলাদেশ, ভারত—দুই দেশের সংবাদমাধ্যমেই আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টিবিঘ্নিত কানপুর টেস্টের প্রথম দিনে মাঠের প্রেসবক্সে তো বটেই, সাকিবকে নিয়ে আলোচনা ছিল স্টেডিয়ামে ঢোকার আগে সারিতে দাঁড়ানো দর্শকদের মুখেও।
মাঠেও দর্শকদের মনে ছিলেন সাকিব! ড্রেসিংরুমের পাশে তাঁকে দেখে কখনো কখনো হর্ষধ্বনি দিয়েছেন ভারতের দর্শকেরা। সাকিবের নাম ধরে কাউকে কাউকে চিৎকার করতেও দেখা গেছে। সাকিবের বিদায়রাগিণীতে যেন তাঁরাও আবেগতাড়িত! এই প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় বেশ কয়েকজন ভারতীয় দর্শকের। তাঁদের সবার কথা একটাই—দেশের মাটিতে শেষ টেস্ট খেলাটা সাকিবের প্রাপ্য!
মধ্যাহ্ন বিরতিতে ছাদখোলা গ্যালারিতে বসে খেলা দেখা কারান কুমার বললেন, ‘সাকিব আল হাসান দারুণ ক্রিকেটার। সে কলকাতায় খেলেছে। বাংলাদেশের সত্যিকারের লিজেন্ড সে। আমরা চাই সাকিব ভালো খেলুক এখানে। কারণ এটা হয়তো তাঁর বিদায়ী টেস্ট হতে যাচ্ছে। যদি মিরপুরে সুযোগ না পায়।’
বিশ্বনাথ সিংহ নামের আরেক ভারতীয় দর্শকের অভিমত, ‘একজন ভিনদেশি হয়েও আমি চাই, নিজের দেশে সম্মানের সঙ্গে খেলে বিদায় নিক সাকিব।’
দর্শকের মতো ভারতীয় সাংবাদিকেরাও বেশ আবেগতাড়িত সাকিবকে নিয়ে। কানপুরে টেস্ট কভার করতে আসা ভারতীয় ক্রীড়া সাংবাদিক সন্দীপন ব্যানার্জি বললেন, ‘বাংলাদেশের দারুণ এক চৌকস ক্রিকেটার সাকিব। গতকাল সংবাদ সম্মেলনে ও অবসর নিয়ে বলল, আমরা সেটা আঁচ করতে পারিনি। ভারতের বেশির ভাগ মিডিয়া দারুণভাবে সাকিবের বিদায় বলতে চাওয়ার সংবাদটা ছাপিয়েছে। বাংলাদেশের উচিত এমন বড় মাপের ক্রিকেটারের বিদায়ী আয়োজন মিরপুরে সুন্দরভাবে করা।’
দৈনিক জাগরণের ক্রীড়া সম্পাদক অভিষেক ত্রিপাঠীও সাকিবের সেই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। কথা প্রসঙ্গে বললেন, ‘সাকিবের বিদায় বলাটা আমরা সেভাবে বুঝে উঠতে পারিনি প্রথমে। কিন্তু সাকিব বিদায় বলতে গিয়ে তাঁর ও তাঁর পরিবারের জন্য যে নিরাপত্তার ইস্যুটা সামনে এনেছে, তা সত্যি ভাববার বিষয়। সে একজন বড় ক্রিকেটার। তার অধিকার রয়েছে নিজ দেশে নিরাপদে ফেরার।’
কানপুর টেস্টের প্রথম দিন প্রেসবক্সে আজকের পত্রিকার এই প্রতিবেদকের পাশে ছিলেন ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের উপপ্রধান আমান প্রীত সিং। তিনিও মনে করেন, সাকিবের বিদায়টা সুন্দর হওয়া উচিত, ‘বাংলাদেশের আজকের ক্রিকেটের এই পথচলায় সাকিব দারুণ ভূমিকা রেখেছে। দেশের মাটিতে শেষ টেস্ট খেলতে চায়। এটা সে প্রত্যাশা করতেই পারে।’
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিনিধি প্রত্যায়ুশ রাজ বলেন, ‘আমি রোহিত শর্মা থেকে শুরু করে কিছু ক্রিকেটারের বিদায় বলা সংবাদ সম্মেলন কভার করেছি। কিন্তু সাকিবের সংবাদ সম্মেলন আমাকে অবাক করেছে। আমরা শুরুতে বুঝিনি, তিনি বাংলায় কী বলছেন। তবে যখন ইংরেজি বললেন, তিনি টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে সামনে আর খেলবেন না। নিজের ক্যারিয়ারের শেষটা দেখতে চাইছেন মিরপুরে। দেশে খেলে তাঁকে বিদায় বলার সুযোগ করে দিলে ক্ষতি কী!’

আগের দিনই জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে সাকিব আল হাসান জানিয়ে দিয়েছিলেন, লাল বলের ক্রিকেটকে মিরপুরে খেলেই বিদায় জানাতে চান। সেই সুযোগ না মিললে গতকাল থেকে শুরু কানপুর টেস্টই তাঁর শেষ! বাংলাদেশের অলরাউন্ডারের এই ঘোষণায় বাংলাদেশ, ভারত—দুই দেশের সংবাদমাধ্যমেই আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টিবিঘ্নিত কানপুর টেস্টের প্রথম দিনে মাঠের প্রেসবক্সে তো বটেই, সাকিবকে নিয়ে আলোচনা ছিল স্টেডিয়ামে ঢোকার আগে সারিতে দাঁড়ানো দর্শকদের মুখেও।
মাঠেও দর্শকদের মনে ছিলেন সাকিব! ড্রেসিংরুমের পাশে তাঁকে দেখে কখনো কখনো হর্ষধ্বনি দিয়েছেন ভারতের দর্শকেরা। সাকিবের নাম ধরে কাউকে কাউকে চিৎকার করতেও দেখা গেছে। সাকিবের বিদায়রাগিণীতে যেন তাঁরাও আবেগতাড়িত! এই প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় বেশ কয়েকজন ভারতীয় দর্শকের। তাঁদের সবার কথা একটাই—দেশের মাটিতে শেষ টেস্ট খেলাটা সাকিবের প্রাপ্য!
মধ্যাহ্ন বিরতিতে ছাদখোলা গ্যালারিতে বসে খেলা দেখা কারান কুমার বললেন, ‘সাকিব আল হাসান দারুণ ক্রিকেটার। সে কলকাতায় খেলেছে। বাংলাদেশের সত্যিকারের লিজেন্ড সে। আমরা চাই সাকিব ভালো খেলুক এখানে। কারণ এটা হয়তো তাঁর বিদায়ী টেস্ট হতে যাচ্ছে। যদি মিরপুরে সুযোগ না পায়।’
বিশ্বনাথ সিংহ নামের আরেক ভারতীয় দর্শকের অভিমত, ‘একজন ভিনদেশি হয়েও আমি চাই, নিজের দেশে সম্মানের সঙ্গে খেলে বিদায় নিক সাকিব।’
দর্শকের মতো ভারতীয় সাংবাদিকেরাও বেশ আবেগতাড়িত সাকিবকে নিয়ে। কানপুরে টেস্ট কভার করতে আসা ভারতীয় ক্রীড়া সাংবাদিক সন্দীপন ব্যানার্জি বললেন, ‘বাংলাদেশের দারুণ এক চৌকস ক্রিকেটার সাকিব। গতকাল সংবাদ সম্মেলনে ও অবসর নিয়ে বলল, আমরা সেটা আঁচ করতে পারিনি। ভারতের বেশির ভাগ মিডিয়া দারুণভাবে সাকিবের বিদায় বলতে চাওয়ার সংবাদটা ছাপিয়েছে। বাংলাদেশের উচিত এমন বড় মাপের ক্রিকেটারের বিদায়ী আয়োজন মিরপুরে সুন্দরভাবে করা।’
দৈনিক জাগরণের ক্রীড়া সম্পাদক অভিষেক ত্রিপাঠীও সাকিবের সেই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। কথা প্রসঙ্গে বললেন, ‘সাকিবের বিদায় বলাটা আমরা সেভাবে বুঝে উঠতে পারিনি প্রথমে। কিন্তু সাকিব বিদায় বলতে গিয়ে তাঁর ও তাঁর পরিবারের জন্য যে নিরাপত্তার ইস্যুটা সামনে এনেছে, তা সত্যি ভাববার বিষয়। সে একজন বড় ক্রিকেটার। তার অধিকার রয়েছে নিজ দেশে নিরাপদে ফেরার।’
কানপুর টেস্টের প্রথম দিন প্রেসবক্সে আজকের পত্রিকার এই প্রতিবেদকের পাশে ছিলেন ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের উপপ্রধান আমান প্রীত সিং। তিনিও মনে করেন, সাকিবের বিদায়টা সুন্দর হওয়া উচিত, ‘বাংলাদেশের আজকের ক্রিকেটের এই পথচলায় সাকিব দারুণ ভূমিকা রেখেছে। দেশের মাটিতে শেষ টেস্ট খেলতে চায়। এটা সে প্রত্যাশা করতেই পারে।’
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিনিধি প্রত্যায়ুশ রাজ বলেন, ‘আমি রোহিত শর্মা থেকে শুরু করে কিছু ক্রিকেটারের বিদায় বলা সংবাদ সম্মেলন কভার করেছি। কিন্তু সাকিবের সংবাদ সম্মেলন আমাকে অবাক করেছে। আমরা শুরুতে বুঝিনি, তিনি বাংলায় কী বলছেন। তবে যখন ইংরেজি বললেন, তিনি টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে সামনে আর খেলবেন না। নিজের ক্যারিয়ারের শেষটা দেখতে চাইছেন মিরপুরে। দেশে খেলে তাঁকে বিদায় বলার সুযোগ করে দিলে ক্ষতি কী!’

অ্যাশেজে মাঠের লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়ার কাছে রীতিমতো উড়ে গেছে ইংল্যান্ড। ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ হারই বলে দিচ্ছে সবকিছু। বাজে পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা তো হচ্ছেই। মাঠের বাইরের ঘটনা নিয়েও চলছে নানা আলাপ-আলোচনা।
১৬ মিনিট আগে
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) বড় বা ভালো মানের বিদেশি তারকা ক্রিকেটারের সংকট নতুন কিছু নয়। মঈন আলী, মোহাম্মদ নবি, জিমি নিশাম, আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের মতো হাতে গোনা কয়েকজন বিদেশি তারকা ২০২৬ বিপিএলে থাকলেও তাতে টুর্নামেন্টের জৌলুশ বাড়ছে না। এমনও কিছু কিছু ক্রিকেটার আছেন
১ ঘণ্টা আগে
ক্যারিয়ারের শেষ দিকে এসেও ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে আছেন বিরাট কোহলি। টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট ছেড়ে এখন কেবল ওয়ানডে ক্রিকেট চালিয়ে যাচ্ছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক। এক সংস্করণেই দিয়েই নিয়মিত আসছেন আলোচনায়। সবশেষ খবর, সাড়ে ৪ বছর পর ওয়ানডে ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ফিরেছেন কোহলি।
১ ঘণ্টা আগে
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ট্রফি জিততে চেষ্টার কমতি ছিল না পিএসজির। ক্লাব পর্যায়ে ইউরোপের সেরা হতে লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে, নেইমারদের মতো সেরা তারকাদের দলে ভিড়িয়েছিল প্যারিসিয়ানরা। এজন্য কাতারি মালিকানাধীন দলটিকে ঢালতে হয়েছে কাড়ি কাড়ি টাকা। তবে মেসি, এমবাপ্পে, নেইমারদের মতো ফুটবলারদের অধীনে চ্যাম
২ ঘণ্টা আগে