
উদ্বোধনী ম্যাচে কী দুর্ধর্ষ পারফরম্যান্স! যেন সেই পুরোনো মোস্তাফিজুর রহমান। ২৯ রানে ৪ উইকেট নিয়ে হারিয়ে দিলেন বিরাট কোহলি-ফাফ ডু প্লেসিদের রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে। হলেন ম্যাচ-সেরা। চিপুকে ফিজের দল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংসও ১৭তম আইপিএল শুরু করল জয় দিয়ে।
একই ভেন্যুতে আজ রাতে সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে গুজরাট টাইটানসের মুখোমুখি হবেন মোস্তাফিজরা। এই ম্যাচে চেন্নাইয়ের বাকি খেলোয়াড়েরা যখন হলুদ জার্সির সঙ্গে হলুদ টুপি পরে মাঠে নামবেন, তখন বাংলাদেশি পেসারকে দেখা যাবে আরেকটু ভিন্ন রূপে। মোস্তাফিজের মাথায় থাকবে পার্পল ক্যাপ বা বেগুনি টুপি। আগের ম্যাচেই বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচ-সেরার পাশাপাশি এই টুপির মালিক হয়েছেন তিনি। অবশ্য পার্পল ক্যাপ পরে ফিল্ডিং না-ও করতে পারেন তিনি।
আইপিএলে ছোট বাউন্ডারি, ব্যাটিংবান্ধব পিচে এমনিতে বোলারদের খুব বেশি কিছুর সুযোগ থাকে না। তবে সেটির জন্য যাতে কেউ ‘মন খারাপ’ না করে এবং উৎসাহ দিতে প্রতি ম্যাচ শেষে সর্বোচ্চ উইকেট যিনি পান তাঁকে দেওয়া হয় পার্পল ক্যাপ। এ ক্ষেত্রে দুজনের উইকেট যদি সমান হয়, তবে ইকোনমি রেট হিসাব করে এগিয়ে থাকা বোলারকে এই টুপি দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।
টুর্নামেন্ট শেষেও সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির মাথায় ওঠে পার্পল ক্যাপ। উইকেট সমান হলে এখানেও সেই ইকোনমির হিসাব। শুধু কি বোলারদের সম্মান জানানো হয়? না, ব্যাটাররাও পান। তাদের জন্য বরাদ্দ অরেঞ্জ ক্যাপ বা কমলা টুপি। হিসাবটাও সেই বোলারদের মতন। প্রতি ম্যাচ শেষ সর্বোচ্চ রান যিনি করেন, তাঁর কাছে পৌঁছে যায় এই টুপি আর টুর্নামেন্ট শেষে রানের হিসাবে এগিয়ে থাকা ব্যাটারের মাথায় ওঠে অরেঞ্জ ক্যাপ।
প্রতি ম্যাচে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির পার্পল ক্যাপ পাওয়ার যে নিয়ম, সেটি শুরুতেই পেয়ে গেছেন মোস্তাফিজ। আইপিএলে প্রথম রাউন্ড ইতিমধ্যে শেষ। গতকাল তো নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচটিও খেলে ফেলেছে বেঙ্গালুরু ও পাঞ্জাব কিংস। তবে এখনো এক ম্যাচে সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়ার তালিকায় কেউ ছাড়িয়ে দিতে পারেননি ফিজকে। গুজরাটের বিপক্ষে ম্যাচে ১৪ রানে ৩ উইকেট নিয়ে কাছাকাছি গিয়েছিলেন মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের জসপ্রীত বুমরা।
আইপিএলে প্রতি সংস্করণ থেকে এমনটা হয়ে আসছে। ২০০৮ সালে প্রথম সংস্করণ শেষে পার্পল টুপি পেয়েছিলেন পাকিস্তানের সোহেল তানভীর আর অরেঞ্জ ক্যাপ অস্ট্রেলিয়ার শন মার্শ। এখন পর্যন্ত শুধু দুজনই দুবার পার্পল ক্যাপ পেয়েছেন—ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডোয়াইন ব্রাভো (২০১৩ ও ২০১৫) ও ভারতের ভুবনেশ্বর কুমার (২০১৬ ও ২০১৭)। আর দুই বা তার অধিক অরেঞ্জ ক্যাপ জিতেছেন ক্রিস গেইল (২০১১ ও ২০১২) ও ডেভিড ওয়ার্নার (২০১৫,২০১৭ ও ২০১৯)।
আজ গুজরাটের বিপক্ষে অবশ্য মোস্তাফিজের একাদশে থাকা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। মাতিশা পাতিরানা না থাকায় সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু চোট কাটিয়ে লঙ্কান পেসার ফিরেছেন চেন্নাইয়ে। তবে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের সবুজ সংকেত না পেলে তাঁর খেলা না-ও হতে পারে। কারণ, সামনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বলেই এই সতর্কতা। আর সে ক্ষেত্রে ফিজের দরজাটা আবারও খুলে যাবে। তবে প্রথম ম্যাচে যে পারফরম্যান্স, অনায়াসে তাঁর একাদশে জায়গা হয়ে যাওয়ার কথা।

উদ্বোধনী ম্যাচে কী দুর্ধর্ষ পারফরম্যান্স! যেন সেই পুরোনো মোস্তাফিজুর রহমান। ২৯ রানে ৪ উইকেট নিয়ে হারিয়ে দিলেন বিরাট কোহলি-ফাফ ডু প্লেসিদের রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে। হলেন ম্যাচ-সেরা। চিপুকে ফিজের দল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংসও ১৭তম আইপিএল শুরু করল জয় দিয়ে।
একই ভেন্যুতে আজ রাতে সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে গুজরাট টাইটানসের মুখোমুখি হবেন মোস্তাফিজরা। এই ম্যাচে চেন্নাইয়ের বাকি খেলোয়াড়েরা যখন হলুদ জার্সির সঙ্গে হলুদ টুপি পরে মাঠে নামবেন, তখন বাংলাদেশি পেসারকে দেখা যাবে আরেকটু ভিন্ন রূপে। মোস্তাফিজের মাথায় থাকবে পার্পল ক্যাপ বা বেগুনি টুপি। আগের ম্যাচেই বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচ-সেরার পাশাপাশি এই টুপির মালিক হয়েছেন তিনি। অবশ্য পার্পল ক্যাপ পরে ফিল্ডিং না-ও করতে পারেন তিনি।
আইপিএলে ছোট বাউন্ডারি, ব্যাটিংবান্ধব পিচে এমনিতে বোলারদের খুব বেশি কিছুর সুযোগ থাকে না। তবে সেটির জন্য যাতে কেউ ‘মন খারাপ’ না করে এবং উৎসাহ দিতে প্রতি ম্যাচ শেষে সর্বোচ্চ উইকেট যিনি পান তাঁকে দেওয়া হয় পার্পল ক্যাপ। এ ক্ষেত্রে দুজনের উইকেট যদি সমান হয়, তবে ইকোনমি রেট হিসাব করে এগিয়ে থাকা বোলারকে এই টুপি দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।
টুর্নামেন্ট শেষেও সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির মাথায় ওঠে পার্পল ক্যাপ। উইকেট সমান হলে এখানেও সেই ইকোনমির হিসাব। শুধু কি বোলারদের সম্মান জানানো হয়? না, ব্যাটাররাও পান। তাদের জন্য বরাদ্দ অরেঞ্জ ক্যাপ বা কমলা টুপি। হিসাবটাও সেই বোলারদের মতন। প্রতি ম্যাচ শেষ সর্বোচ্চ রান যিনি করেন, তাঁর কাছে পৌঁছে যায় এই টুপি আর টুর্নামেন্ট শেষে রানের হিসাবে এগিয়ে থাকা ব্যাটারের মাথায় ওঠে অরেঞ্জ ক্যাপ।
প্রতি ম্যাচে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির পার্পল ক্যাপ পাওয়ার যে নিয়ম, সেটি শুরুতেই পেয়ে গেছেন মোস্তাফিজ। আইপিএলে প্রথম রাউন্ড ইতিমধ্যে শেষ। গতকাল তো নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচটিও খেলে ফেলেছে বেঙ্গালুরু ও পাঞ্জাব কিংস। তবে এখনো এক ম্যাচে সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়ার তালিকায় কেউ ছাড়িয়ে দিতে পারেননি ফিজকে। গুজরাটের বিপক্ষে ম্যাচে ১৪ রানে ৩ উইকেট নিয়ে কাছাকাছি গিয়েছিলেন মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের জসপ্রীত বুমরা।
আইপিএলে প্রতি সংস্করণ থেকে এমনটা হয়ে আসছে। ২০০৮ সালে প্রথম সংস্করণ শেষে পার্পল টুপি পেয়েছিলেন পাকিস্তানের সোহেল তানভীর আর অরেঞ্জ ক্যাপ অস্ট্রেলিয়ার শন মার্শ। এখন পর্যন্ত শুধু দুজনই দুবার পার্পল ক্যাপ পেয়েছেন—ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডোয়াইন ব্রাভো (২০১৩ ও ২০১৫) ও ভারতের ভুবনেশ্বর কুমার (২০১৬ ও ২০১৭)। আর দুই বা তার অধিক অরেঞ্জ ক্যাপ জিতেছেন ক্রিস গেইল (২০১১ ও ২০১২) ও ডেভিড ওয়ার্নার (২০১৫,২০১৭ ও ২০১৯)।
আজ গুজরাটের বিপক্ষে অবশ্য মোস্তাফিজের একাদশে থাকা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। মাতিশা পাতিরানা না থাকায় সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু চোট কাটিয়ে লঙ্কান পেসার ফিরেছেন চেন্নাইয়ে। তবে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের সবুজ সংকেত না পেলে তাঁর খেলা না-ও হতে পারে। কারণ, সামনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বলেই এই সতর্কতা। আর সে ক্ষেত্রে ফিজের দরজাটা আবারও খুলে যাবে। তবে প্রথম ম্যাচে যে পারফরম্যান্স, অনায়াসে তাঁর একাদশে জায়গা হয়ে যাওয়ার কথা।

শেষের পথে ২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। ২৬টি ম্যাচ মাঠে গড়ালেও এখনো ২০০ রানের দেখা মেলেনি। এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল সিলেট টাইটানসের ব্যাটার পারভেজ হোসেন ইমনের কাছে। তাঁর মতে, উইকেট ভালো না হওয়ার কারণেই কোনো দল এখন পর্যন্ত ২০০ রান করতে পারেনি।
৩১ মিনিট আগে
ক্রিকেট বিশ্বে আফগানিস্তানের আজকের এই অবস্থানের পেছনে যে কয়েকজনের অবদান আছে তাঁদের মধ্যে শাপুর জাদরান অন্যতম। জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন সাবেক এই বাঁ হাতি পেসার। অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি। পরিবার এবং আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (এসিবি) পক্ষ থেকে জাদরানের অসুস্থতার বিষয়টি নিশ্চিত কর
১ ঘণ্টা আগে
ক্রিকেটের হালহকিকত যাঁরা জানেন, তাঁদের কাছে বৈভব সূর্যবংশী নামটাও অজানা নয়। তাঁর বয়স সবে ১৪; মুখাবয়বে এখনো শৈশবের ছোঁয়া। কিন্তু এই বয়সেই ক্রিকেটের এই বিস্ময় বালক ব্যাট হাতে আগুনের হলকা তুলছেন। যুব ক্রিকেট তো বটেই, তাঁর ব্যাটিং দক্ষতা আইপিএলের কল্যাণেও ক্রিকেটপ্রেমীদের জানা। সেই সূর্যবংশীদের বিপক্ষে
২ ঘণ্টা আগে
গৃহবিবাদ কেটেছে। কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে যে জট লেগে আছে, তা কাটবে কি? এটাই এখন প্রশ্ন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলা না খেলার ইস্যুর সমাধান এখনো হয়নি; অথচ সময় আর বেশি বাকি নেই।
২ ঘণ্টা আগে