ক্রীড়া ডেস্ক

বিদায়ের পর দল থেকে ‘বাটলার হটাও’ রব উঠে গেছে ইংল্যান্ডের ক্রিকেটে।
ম্যাচ শেষে স্কাই স্পোর্টসকে মাইক আথারটন বলেন, ‘অধিনায়ক হিসেবে তার (জস বাটলারের) সময় ফুরিয়েছে বলে মনে করি আমি। ইংল্যান্ড নিজেদের বিচার করে আইসিসি ইভেন্ট দিয়ে। কিন্তু ইংল্যান্ড এ নিয়ে টানা তিনটি টুর্নামেন্টে ব্যর্থ। ভারতে ৫০ ওভারের বিশ্বকাপে খুব বাজে খেলেছে, ক্যারিবিয়ানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে এবং এখানে তারা যে খেলাটা খেলেছে, সেটা তাদের মানেরও নিচে।’ এরপরই দলের নেতৃত্বে পরিবর্তনের ডাক সাবেক এই অধিনায়কের, ‘কখনো কখনো এমন ভাবতে হয়, কোনো কিছু কাজ না করলে প্রয়োজন পরিবর্তনের, অন্য কারও দায়িত্ব নেওয়ার। আমার মনে হয়, বাটলারও এটা জানে।’
কাছাকাছি একই মতামত ইংল্যান্ডের আরেক সাবেক অধিনায়ক নাসের হুসেইনেরও, ‘মানুষ হিসেবে জস বাটলারকে আমি পছন্দ করি। ড্রেসিংরুমেও সে জনপ্রিয়। কিন্তু জনপ্রিয় হওয়াটা তার দায়িত্ব নয়। তার দায়িত্ব ইংল্যান্ডের সাদা বলের ক্রিকেটকে আরও উন্নতি করা। বাটলারের নেতৃত্ব কখনোই মুগ্ধ করেনি আমাকে। (এউইন) মরগানের মতো মাঠে তার সেই উপস্থিতিটা নেই...সবকিছু বিবেচনা করে আমার মনে হয়, সরে যাওয়ার সময়টা এখনই।’
ইংল্যান্ডের আরেক সাবেক ক্রিকেটার ও বিবিসির ক্রিকেট বিশ্লেষকও ইংল্যান্ডের ব্যর্থতার দায় চাপাচ্ছেন বাটলারের ঘাড়ে। বিবিসি স্পোর্টস অনলাইনে প্রকাশিত এক কলামে তিনি লিখেছেন, ‘২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর ইংল্যান্ডের সাদা বলের ক্রিকেট যেন ধ্বংসের পথে হাঁটছে। এখন সময় এসেছে ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পনা করার। জস বাটলারকে অধিনায়কত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত।’
তবে বাটলারকে সরানোই সমস্যার সমাধান নয় বলে মনে করেন মাইকেল ভন। ইংল্যান্ডের সাবেক এই অধিনায়ক দ্য টেলিগ্রাফ পত্রিকায় লিখেছেন, ‘বাটলারকে অধিনায়কত্ব থেকে সরালেই সব সমস্যার সমাধান হবে না। ইংল্যান্ডের সমস্যাগুলো আরও গভীরে।’
তাঁর নেতৃত্ব নিয়ে যতই সমালোচনা হোক, নেতৃত্ব তিনি উপভোগ করছেন বলে জানিয়েছেন বাটলার, ‘অনেকে মনে করেন, অধিনায়কত্ব আমাকে মানায় না। তবে নেতৃত্ব উপভোগ করি আমি। দলে নিজেকে নেতা হিসেবেই ভাবি। সবাই নেতৃত্ব দিয়ে দলকে জেতাতে চায়, যেটা কিছুদিন ধরে আমরা পারছি না।’ এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে বলে মনে করেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।

বিদায়ের পর দল থেকে ‘বাটলার হটাও’ রব উঠে গেছে ইংল্যান্ডের ক্রিকেটে।
ম্যাচ শেষে স্কাই স্পোর্টসকে মাইক আথারটন বলেন, ‘অধিনায়ক হিসেবে তার (জস বাটলারের) সময় ফুরিয়েছে বলে মনে করি আমি। ইংল্যান্ড নিজেদের বিচার করে আইসিসি ইভেন্ট দিয়ে। কিন্তু ইংল্যান্ড এ নিয়ে টানা তিনটি টুর্নামেন্টে ব্যর্থ। ভারতে ৫০ ওভারের বিশ্বকাপে খুব বাজে খেলেছে, ক্যারিবিয়ানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে এবং এখানে তারা যে খেলাটা খেলেছে, সেটা তাদের মানেরও নিচে।’ এরপরই দলের নেতৃত্বে পরিবর্তনের ডাক সাবেক এই অধিনায়কের, ‘কখনো কখনো এমন ভাবতে হয়, কোনো কিছু কাজ না করলে প্রয়োজন পরিবর্তনের, অন্য কারও দায়িত্ব নেওয়ার। আমার মনে হয়, বাটলারও এটা জানে।’
কাছাকাছি একই মতামত ইংল্যান্ডের আরেক সাবেক অধিনায়ক নাসের হুসেইনেরও, ‘মানুষ হিসেবে জস বাটলারকে আমি পছন্দ করি। ড্রেসিংরুমেও সে জনপ্রিয়। কিন্তু জনপ্রিয় হওয়াটা তার দায়িত্ব নয়। তার দায়িত্ব ইংল্যান্ডের সাদা বলের ক্রিকেটকে আরও উন্নতি করা। বাটলারের নেতৃত্ব কখনোই মুগ্ধ করেনি আমাকে। (এউইন) মরগানের মতো মাঠে তার সেই উপস্থিতিটা নেই...সবকিছু বিবেচনা করে আমার মনে হয়, সরে যাওয়ার সময়টা এখনই।’
ইংল্যান্ডের আরেক সাবেক ক্রিকেটার ও বিবিসির ক্রিকেট বিশ্লেষকও ইংল্যান্ডের ব্যর্থতার দায় চাপাচ্ছেন বাটলারের ঘাড়ে। বিবিসি স্পোর্টস অনলাইনে প্রকাশিত এক কলামে তিনি লিখেছেন, ‘২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর ইংল্যান্ডের সাদা বলের ক্রিকেট যেন ধ্বংসের পথে হাঁটছে। এখন সময় এসেছে ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পনা করার। জস বাটলারকে অধিনায়কত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত।’
তবে বাটলারকে সরানোই সমস্যার সমাধান নয় বলে মনে করেন মাইকেল ভন। ইংল্যান্ডের সাবেক এই অধিনায়ক দ্য টেলিগ্রাফ পত্রিকায় লিখেছেন, ‘বাটলারকে অধিনায়কত্ব থেকে সরালেই সব সমস্যার সমাধান হবে না। ইংল্যান্ডের সমস্যাগুলো আরও গভীরে।’
তাঁর নেতৃত্ব নিয়ে যতই সমালোচনা হোক, নেতৃত্ব তিনি উপভোগ করছেন বলে জানিয়েছেন বাটলার, ‘অনেকে মনে করেন, অধিনায়কত্ব আমাকে মানায় না। তবে নেতৃত্ব উপভোগ করি আমি। দলে নিজেকে নেতা হিসেবেই ভাবি। সবাই নেতৃত্ব দিয়ে দলকে জেতাতে চায়, যেটা কিছুদিন ধরে আমরা পারছি না।’ এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে বলে মনে করেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।

নতুন বছরে সবার চোখ থাকবে ফিফা বিশ্বকাপে। তবে এই বৈশ্বিক ফুটবলযজ্ঞের বছরে রয়েছে ছেলেদের ও মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ । ফুটবলে আছে মেয়েদের এশিয়ান কাপ এবং অনূর্ধ্ব -২০ মেয়েদের এশিয়ান কাপও । ফিফা বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দর্শক হলেও এসব বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে খেলছে বাংলাদেশ।
২৭ মিনিট আগে
বিদায় নিল ২০২৫। এল ২০২৬। বিদায়ী বছরের শেষ দিনে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের গ্রুপ পর্ব শেষ হয়েছে। তাতে নির্ধারিত হয়ে গেছে ২০২৫-২৬ আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের (আফকন) শেষ ষোলোর লাইনআপ।
৪৩ মিনিট আগে
নতুন বছরে সবার চোখ থাকবে ফিফা বিশ্বকাপে । তবে এই বৈশ্বিক ফুটবলযজ্ঞের বছরে রয়েছে ছেলেদের ও মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ । ফুটবলে আছে মেয়েদের এশিয়ান কাপ এবং অনূর্ধ্ব -২০ মেয়েদের এশিয়ান কাপও । ফিফা বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দর্শক হলেও এসব বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে খেলছে বাংলাদেশ ।
১ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সাল শেষে এল ২০২৬। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন বছরকে বরণ করে নিয়েছেন দেশবাসী। গান বাজনার পাশাপাশি আতশবাজি, পটকা ফুটিয়ে গত রাতে অনেকে উদযাপন করেছেন ‘থার্টি ফার্স্ট নাইট’। কিন্তু দেশে শোকের পরিবেশে নতুন বছরের আগমন উপলক্ষ্যে এমন জমকালো আয়োজন মেনে নিতে পারছেন না।
২ ঘণ্টা আগে