নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ক্রিকেটের তিন সংস্করণের মধ্যে বাংলাদেশ কোন সংস্করণে সেরা, সে তালিকায় দুই বছর আগেও ওয়ানডে ছিল সবার ওপরে। কিন্তু ওয়ানডেতে এ মাসে আফগানিস্তানের কাছে ধবলধোলাই হওয়ার পর সে ধারণায় পরিবর্তন আসে। গত দু-তিন মাসে এশিয়া কাপ বাদ দিলে টি-টোয়েন্টি সংস্করণে ধারাবাহিকভাবেই সফল হচ্ছিল বাংলাদেশ।
যে টি-টোয়েন্টি সংস্করণ বাংলাদেশের কাছে ছিল ‘গোলকধাঁধা’, সে সংস্করণে হঠাৎ ভালো খেলতে শুরু করল বাংলাদেশ। জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কায় লঙ্কানদের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ হারের পরও ২-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়। এরপর পাকিস্তান, নেদারল্যান্ডস ও আফগানিস্তানকেও টি-টোয়েন্টি সিরিজে হারিয়েছে বাংলাদেশ। আফগানদের মরুর বুকে ৩-০ ব্যবধানে করেছে ধবলধোলাই। বাংলাদেশের সামনে যখন টানা পাঁচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের হাতছানি, তখনই ধাক্কা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ খুইয়েছেন লিটন দাস-সাইফ হাসানরা। প্রয়াত আইয়ুব বাচ্চুর গানের মতো টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট নিয়ে বাংলাদেশের প্রশ্ন হতে পারে, ‘সেই তুমি কেন এত অচেনা হলে!’
সাম্প্রতিক সময়ে টি-টোয়েন্টি সংস্করণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পারফরম্যান্স বলার মতো ছিল না। তারা নেপালের কাছে সিরিজ হেরে এসেছিল। তাহলে কি মিরপুরের উইকেটে ওয়ানডে সিরিজ জয়ে মেকি আত্মবিশ্বাস পেয়ে বসেছে লিটন-তানজিদ তামিমদের? টি-টোয়েন্টি সিরিজের দুটি ম্যাচই বাংলাদেশ হারল চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ব্যাটিং-ব্যর্থতায়। হঠাৎ ধসের রোগ আবারও জেঁকে বসেছে দলে। সেট ব্যাটাররা কোথায় খেলা শেষ করে আসবেন তা না, গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আউট হয়ে চাপ বাড়াচ্ছেন।
চট্টগ্রামে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হারের পর লিটন দাস কাঠগড়ায় তুলেছিলেন শামীম হোসেন পাটোয়ারীকে। ১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করার সময় শামীম যেভাবে বোল্ড হয়েছিলেন, সেটা লিটনের কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়েছিল। সেই ম্যাচে ৭৭ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর ১৪৯ রান পর্যন্ত যেতে পেরেছিল লোয়ার অর্ডারে তানজিম হাসান সাকিব ও নাসুম আহমেদের ব্যাটিংয়ে। ৩৩ রান করে সেদিনের সর্বোচ্চ স্কোরার তানজিম সাকিব সংবাদ সম্মেলনে একজন স্বীকৃত ব্যাটারের অভাব বোধ করছিলেন। পরশু দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের ব্যাটাররা যা করেছেন, সেটা ব্যাখ্যাতীত। ১৫০ রানের লক্ষ্যে নেমে হেরেছে ১৪ রানে।
টস জিতে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আগে ব্যাটিং নিয়ে একটা পর্যায়ে যেখানে ২০০ রান হওয়ার কথা ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের, সেখান থেকে তারা আটকে যায় ১৪৯ রানে। সিরিজ খোয়ানোর পর লিটন-তানজিদ তামিম বোলারদের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন। পাশাপাশি নিজেদের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে লিটন বলেন, ‘গত দু-তিনটি সিরিজে বোলাররা সত্যি অসাধারণ বোলিং করেছে। বোলাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি।’ বারবার জীবন পেয়েও সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেননি। হাতে ৭ উইকেট নিয়ে শেষ ১৮ বলে ৩৩ রানের সমীকরণ যখন স্বাগতিকদের, সে মুহূর্তে তানজিদ তামিম আউট হওয়ার পর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ইনিংস। আত্মসমালোচনা করে তামিম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আসলে উইকেট যা ছিল, সেট ব্যাটারকেই খেলা শেষ করতে হবে। বল ব্যাটে সেভাবে আসছিল না। নতুন ব্যাটারদের জন্য একটু কঠিন।’
সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে নেমে পরশু একাদশ নির্বাচনেও তালগোল পাকিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। আফগানদের বিপক্ষে নিশ্চিত হার থেকে দুবার বাঁচানো নুরুল হাসান সোহানকে বসিয়ে উইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে খেলানো হয়েছে জাকের আলী অনিককে। ১৭ বলে ১৮ রান করে নায়ক হওয়ার সুযোগ হেলায় হারিয়েছেন জাকের। অফসাইডের বল লেগসাইডে টানতে গিয়ে বারবার পরাস্ত হওয়ার পরও টেকনিকে কোনো পরিবর্তন নেই। অফফর্মের কারণে একাদশেও নিয়মিত নন। অথচ গত ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই করেছিল বাংলাদেশ, তখন ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে নজর কেড়েছিলেন জাকের। এক বছরের মধ্যে জাকের নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন, বাংলাদেশের কাছেও কেমন অচেনা লাগছে বড্ড পরিচিত হয়ে ওঠা টি-টোয়েন্টি। আজ চট্টগ্রামে ধবলধোলাই না এড়ানো গেলে বিশ্বকাপের আগে ভালো একটা ধাক্কা লাগবে বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাসে।

ক্রিকেটের তিন সংস্করণের মধ্যে বাংলাদেশ কোন সংস্করণে সেরা, সে তালিকায় দুই বছর আগেও ওয়ানডে ছিল সবার ওপরে। কিন্তু ওয়ানডেতে এ মাসে আফগানিস্তানের কাছে ধবলধোলাই হওয়ার পর সে ধারণায় পরিবর্তন আসে। গত দু-তিন মাসে এশিয়া কাপ বাদ দিলে টি-টোয়েন্টি সংস্করণে ধারাবাহিকভাবেই সফল হচ্ছিল বাংলাদেশ।
যে টি-টোয়েন্টি সংস্করণ বাংলাদেশের কাছে ছিল ‘গোলকধাঁধা’, সে সংস্করণে হঠাৎ ভালো খেলতে শুরু করল বাংলাদেশ। জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কায় লঙ্কানদের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ হারের পরও ২-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়। এরপর পাকিস্তান, নেদারল্যান্ডস ও আফগানিস্তানকেও টি-টোয়েন্টি সিরিজে হারিয়েছে বাংলাদেশ। আফগানদের মরুর বুকে ৩-০ ব্যবধানে করেছে ধবলধোলাই। বাংলাদেশের সামনে যখন টানা পাঁচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের হাতছানি, তখনই ধাক্কা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ খুইয়েছেন লিটন দাস-সাইফ হাসানরা। প্রয়াত আইয়ুব বাচ্চুর গানের মতো টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট নিয়ে বাংলাদেশের প্রশ্ন হতে পারে, ‘সেই তুমি কেন এত অচেনা হলে!’
সাম্প্রতিক সময়ে টি-টোয়েন্টি সংস্করণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পারফরম্যান্স বলার মতো ছিল না। তারা নেপালের কাছে সিরিজ হেরে এসেছিল। তাহলে কি মিরপুরের উইকেটে ওয়ানডে সিরিজ জয়ে মেকি আত্মবিশ্বাস পেয়ে বসেছে লিটন-তানজিদ তামিমদের? টি-টোয়েন্টি সিরিজের দুটি ম্যাচই বাংলাদেশ হারল চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ব্যাটিং-ব্যর্থতায়। হঠাৎ ধসের রোগ আবারও জেঁকে বসেছে দলে। সেট ব্যাটাররা কোথায় খেলা শেষ করে আসবেন তা না, গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আউট হয়ে চাপ বাড়াচ্ছেন।
চট্টগ্রামে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হারের পর লিটন দাস কাঠগড়ায় তুলেছিলেন শামীম হোসেন পাটোয়ারীকে। ১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করার সময় শামীম যেভাবে বোল্ড হয়েছিলেন, সেটা লিটনের কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়েছিল। সেই ম্যাচে ৭৭ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর ১৪৯ রান পর্যন্ত যেতে পেরেছিল লোয়ার অর্ডারে তানজিম হাসান সাকিব ও নাসুম আহমেদের ব্যাটিংয়ে। ৩৩ রান করে সেদিনের সর্বোচ্চ স্কোরার তানজিম সাকিব সংবাদ সম্মেলনে একজন স্বীকৃত ব্যাটারের অভাব বোধ করছিলেন। পরশু দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের ব্যাটাররা যা করেছেন, সেটা ব্যাখ্যাতীত। ১৫০ রানের লক্ষ্যে নেমে হেরেছে ১৪ রানে।
টস জিতে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আগে ব্যাটিং নিয়ে একটা পর্যায়ে যেখানে ২০০ রান হওয়ার কথা ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের, সেখান থেকে তারা আটকে যায় ১৪৯ রানে। সিরিজ খোয়ানোর পর লিটন-তানজিদ তামিম বোলারদের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন। পাশাপাশি নিজেদের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে লিটন বলেন, ‘গত দু-তিনটি সিরিজে বোলাররা সত্যি অসাধারণ বোলিং করেছে। বোলাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি।’ বারবার জীবন পেয়েও সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেননি। হাতে ৭ উইকেট নিয়ে শেষ ১৮ বলে ৩৩ রানের সমীকরণ যখন স্বাগতিকদের, সে মুহূর্তে তানজিদ তামিম আউট হওয়ার পর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ইনিংস। আত্মসমালোচনা করে তামিম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আসলে উইকেট যা ছিল, সেট ব্যাটারকেই খেলা শেষ করতে হবে। বল ব্যাটে সেভাবে আসছিল না। নতুন ব্যাটারদের জন্য একটু কঠিন।’
সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে নেমে পরশু একাদশ নির্বাচনেও তালগোল পাকিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। আফগানদের বিপক্ষে নিশ্চিত হার থেকে দুবার বাঁচানো নুরুল হাসান সোহানকে বসিয়ে উইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে খেলানো হয়েছে জাকের আলী অনিককে। ১৭ বলে ১৮ রান করে নায়ক হওয়ার সুযোগ হেলায় হারিয়েছেন জাকের। অফসাইডের বল লেগসাইডে টানতে গিয়ে বারবার পরাস্ত হওয়ার পরও টেকনিকে কোনো পরিবর্তন নেই। অফফর্মের কারণে একাদশেও নিয়মিত নন। অথচ গত ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই করেছিল বাংলাদেশ, তখন ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে নজর কেড়েছিলেন জাকের। এক বছরের মধ্যে জাকের নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন, বাংলাদেশের কাছেও কেমন অচেনা লাগছে বড্ড পরিচিত হয়ে ওঠা টি-টোয়েন্টি। আজ চট্টগ্রামে ধবলধোলাই না এড়ানো গেলে বিশ্বকাপের আগে ভালো একটা ধাক্কা লাগবে বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাসে।

দারুণ ছুটছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। একের পর এক গোল করে রেকর্ড গড়ে যাচ্ছিলেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। তাঁর এই সুসময়ে বাদ সাধল হাঁটুর চোট। এমবাপ্পের চোটে বড় দুশিন্তায় পড়ল রিয়াল মাদ্রিদ।
৩৯ মিনিট আগে
দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি কেবল এক মাস। আইসিসির এই ইভেন্ট সামনে রেখে দলগুলো প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। কেউ চূড়ান্ত দল, কেউবা আবার প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে। একঝাঁক স্পিনার নিয়ে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া।
১ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ততা শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারত-শ্রীলঙ্কায় হবে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আইসিসির ইভেন্ট শেষে বাংলাদেশ সফর করবে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। এরপর জুলাই থেকে আগস্ট জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া ও আয়ারল্য
২ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরের প্রথম দিনই মাঠে নামছে রিশাদ হোসেনের দল হোবার্ট হারিকেনস। বাংলাদেশ সময় বেলা ২টা ১৫ মিনিটে হোবার্টের বেলেরিভ ওভালে শুরু হবে হোবার্ট হারিকেনস-পার্থ স্কর্চার্স ম্যাচ। এখন মেলবোর্নের ডকল্যান্ডস স্টেডিয়ামে চলছে বিগ ব্যাশের মেলবোর্ন রেনেগেডস-সিডনি সিক্সার্স ম্যাচ।
৩ ঘণ্টা আগে