ক্রীড়া ডেস্ক

জয়ের জন্য ১৩৬ রানের লক্ষ্যটা কি খুব বড় ছিল? মোটেও না। কিন্তু মাঝারি মানের এই লক্ষ্যতাড়ায় শুরু থেকেই বাংলাদেশের ব্যাটাররা যে অস্থিরতা দেখালেন, স্ট্যাম্পের বাইরের বল চেজ করে খেলতে গিয়ে আত্মাহুতি দিলেন নিজেদের, তাতে ম্যাচটি যাঁরা দেখেছেন তাঁদের উপলব্ধি এটাই—এই দলের শেখার এখনো অনেক বাকি!
৪৯ রানে ৫ উইকেট খুইয়ে বিপাকে পড়ার পরও ঘুরে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান তোলে ১৩৫ রান। কিন্তু মাঝারি মানের লক্ষ্য তাড়ায় ৫ উইকেটে ৬৩ রান তুলেও বাংলাদেশ ১২৪ রানে আটকা পড়ে ম্যাচ হেরেছে ১১ রানে। এই হারে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিল বাংলাদেশ। ফাইনালে ভারতের সঙ্গী হলো পাকিস্তানে। আগামী রোববার দুবাইয়ে ফাইনাল। মহাদেশীয় এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে এই প্রথম মুখোমুখি দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী।
অফ স্টাম্পের বাইরের বলে পুল করতে গিয়ে ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন আউট। প্রথম ওভারেই প্রথম উইকেটের পতন। এরপর পঞ্চম ওভারে তাওহীদ হৃদয় (৫) যখন হতাশ করলেন দলকে, তখনো বোঝা যায়নি—সামনে আরও অপেক্ষা করছে আরও বাজে অবস্থা। হৃদয়ের পর একে একে বিদায় নেন সাইফ হাসান (১৮), মেহেদী হাসান (১১), নুরুল হাসান সোহান (১৬) ও জাকের আলী অনিক (৫)।
১৩.৫ ওভারে জাকের যখন আউট হলেন, তখন বাংলাদেশের রান ৬ উইকেটে ৭৩। রানরেট ছিল ৫.২১। প্রয়োজনীয় রানরেট বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ১০.৫০। ৩৬ বলে দরকার ছিল ৬৩ রান। পরীক্ষিত সব ব্যাটাররা আগেই ফিরে যাওয়ায় তখন বাংলাদেশের পরাজয় সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছিল। শামীম হোসেন পাটোয়ারী ২৫ বলে ৩০ রান করলেও বাংলাদেশ ৯ উইকেটে ১২৪ রানের বেশি তুলতে পারেনি।
হারের ব্যবধানটা মাত্র ১১ রান হলেও, লক্ষ্যতাড়ায় কখনোই মনে হয়নি জেতার মতো অবস্থায় আছে বাংলাদেশ। নবম উইকেট জুটিতে মোস্তাফিজুর রহমান (৬ *) ও রিশাদ হোসেন (১৬ *) ১৪ বলে অবিচ্ছিন্ন ২৩ রানের জুটি গড়ে শুধু আফসোসই বাড়িয়েছেন—এই ম্যাচ জেতা খুবই সহজ ছিল! পাকিস্তানের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন সায়েম ও শাহিন।
এর আগে প্রথমে ব্যাট করে দুবাইয়ের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৮ উইকেটে ১৩৫ রান তোলে পাকিস্তান। একনজরে রানটা খুব বড় না হলেও যে বিপর্যয়ের মধ্যেও এই রান তুলেছে পাকিস্তান, সেটা প্রশংসনীয়!
বাংলাদেশের বোলারদের আঁটসাঁট বোলিংয়ের সামনে শুরুতেই খেই হারিয়ে ফেলে পাকিস্তান। প্রথম ওভারেই সাহিবজাদা ফারহানকে (৪) ফিরিয়ে দেন তাসকিন আহমেদ। দ্বিতীয় ওভারে সায়েম আইয়ুবকে (০) ফেরান শেখ মেহেদী হাসান। শুরুর এই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই বাংলাদেশের বোলাররা ফিরিয়ে দেন ফখর জামান (১৩), হুসেইন তালাতকে (৩)। এখানেই শেষ নয় ১১ তম ওভারে ফিরে যান অধিনায়ক সালমান আলী আগাও (১৯)। মোস্তাফিজুর রহমানের বল সালমান আলী আগার ব্যাট ছুঁয়ে চলে গিয়েছিল উইকেটের পেছনে থাকা জাকের আলীর গ্লাভসে। বোলার-ফিল্ডাররা আবেদন করলেও আউট দেননি আম্পায়ার। তবে রিভিউ নিয়ে জয়ী হয়েছে বাংলাদেশ। ২৩ বলে ১৯ রান করে সালমান আগা যখন ফিরে যান, পাকিস্তানের স্কোর-৪৯ /৫!
এরপর পাকিস্তানি ব্যাটারদের ছোট ছোট অবদানে প্রতিরোধের গল্প। ছয় ও আট নম্বরে উইকেটে আসা দুই মোহাম্মদ হারিস ৩১ ও নওয়াজ ২৫ রান করলে ১৩৫ রানে পুঁজি পায় পাকিস্তান।
বল হাতে সবচেয়ে সফল তাসকিন আহমেদ; ২৮ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন শেখ মেহেদী ও রিশাদ হোসেন।
রোববার ভারত-পাকিস্তান ফাইনাল দুবাইয়ে। এশিয়া কাপে ৪১ বছর পর এবারই প্রথম ফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী।

জয়ের জন্য ১৩৬ রানের লক্ষ্যটা কি খুব বড় ছিল? মোটেও না। কিন্তু মাঝারি মানের এই লক্ষ্যতাড়ায় শুরু থেকেই বাংলাদেশের ব্যাটাররা যে অস্থিরতা দেখালেন, স্ট্যাম্পের বাইরের বল চেজ করে খেলতে গিয়ে আত্মাহুতি দিলেন নিজেদের, তাতে ম্যাচটি যাঁরা দেখেছেন তাঁদের উপলব্ধি এটাই—এই দলের শেখার এখনো অনেক বাকি!
৪৯ রানে ৫ উইকেট খুইয়ে বিপাকে পড়ার পরও ঘুরে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান তোলে ১৩৫ রান। কিন্তু মাঝারি মানের লক্ষ্য তাড়ায় ৫ উইকেটে ৬৩ রান তুলেও বাংলাদেশ ১২৪ রানে আটকা পড়ে ম্যাচ হেরেছে ১১ রানে। এই হারে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিল বাংলাদেশ। ফাইনালে ভারতের সঙ্গী হলো পাকিস্তানে। আগামী রোববার দুবাইয়ে ফাইনাল। মহাদেশীয় এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে এই প্রথম মুখোমুখি দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী।
অফ স্টাম্পের বাইরের বলে পুল করতে গিয়ে ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন আউট। প্রথম ওভারেই প্রথম উইকেটের পতন। এরপর পঞ্চম ওভারে তাওহীদ হৃদয় (৫) যখন হতাশ করলেন দলকে, তখনো বোঝা যায়নি—সামনে আরও অপেক্ষা করছে আরও বাজে অবস্থা। হৃদয়ের পর একে একে বিদায় নেন সাইফ হাসান (১৮), মেহেদী হাসান (১১), নুরুল হাসান সোহান (১৬) ও জাকের আলী অনিক (৫)।
১৩.৫ ওভারে জাকের যখন আউট হলেন, তখন বাংলাদেশের রান ৬ উইকেটে ৭৩। রানরেট ছিল ৫.২১। প্রয়োজনীয় রানরেট বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ১০.৫০। ৩৬ বলে দরকার ছিল ৬৩ রান। পরীক্ষিত সব ব্যাটাররা আগেই ফিরে যাওয়ায় তখন বাংলাদেশের পরাজয় সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছিল। শামীম হোসেন পাটোয়ারী ২৫ বলে ৩০ রান করলেও বাংলাদেশ ৯ উইকেটে ১২৪ রানের বেশি তুলতে পারেনি।
হারের ব্যবধানটা মাত্র ১১ রান হলেও, লক্ষ্যতাড়ায় কখনোই মনে হয়নি জেতার মতো অবস্থায় আছে বাংলাদেশ। নবম উইকেট জুটিতে মোস্তাফিজুর রহমান (৬ *) ও রিশাদ হোসেন (১৬ *) ১৪ বলে অবিচ্ছিন্ন ২৩ রানের জুটি গড়ে শুধু আফসোসই বাড়িয়েছেন—এই ম্যাচ জেতা খুবই সহজ ছিল! পাকিস্তানের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন সায়েম ও শাহিন।
এর আগে প্রথমে ব্যাট করে দুবাইয়ের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৮ উইকেটে ১৩৫ রান তোলে পাকিস্তান। একনজরে রানটা খুব বড় না হলেও যে বিপর্যয়ের মধ্যেও এই রান তুলেছে পাকিস্তান, সেটা প্রশংসনীয়!
বাংলাদেশের বোলারদের আঁটসাঁট বোলিংয়ের সামনে শুরুতেই খেই হারিয়ে ফেলে পাকিস্তান। প্রথম ওভারেই সাহিবজাদা ফারহানকে (৪) ফিরিয়ে দেন তাসকিন আহমেদ। দ্বিতীয় ওভারে সায়েম আইয়ুবকে (০) ফেরান শেখ মেহেদী হাসান। শুরুর এই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই বাংলাদেশের বোলাররা ফিরিয়ে দেন ফখর জামান (১৩), হুসেইন তালাতকে (৩)। এখানেই শেষ নয় ১১ তম ওভারে ফিরে যান অধিনায়ক সালমান আলী আগাও (১৯)। মোস্তাফিজুর রহমানের বল সালমান আলী আগার ব্যাট ছুঁয়ে চলে গিয়েছিল উইকেটের পেছনে থাকা জাকের আলীর গ্লাভসে। বোলার-ফিল্ডাররা আবেদন করলেও আউট দেননি আম্পায়ার। তবে রিভিউ নিয়ে জয়ী হয়েছে বাংলাদেশ। ২৩ বলে ১৯ রান করে সালমান আগা যখন ফিরে যান, পাকিস্তানের স্কোর-৪৯ /৫!
এরপর পাকিস্তানি ব্যাটারদের ছোট ছোট অবদানে প্রতিরোধের গল্প। ছয় ও আট নম্বরে উইকেটে আসা দুই মোহাম্মদ হারিস ৩১ ও নওয়াজ ২৫ রান করলে ১৩৫ রানে পুঁজি পায় পাকিস্তান।
বল হাতে সবচেয়ে সফল তাসকিন আহমেদ; ২৮ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন শেখ মেহেদী ও রিশাদ হোসেন।
রোববার ভারত-পাকিস্তান ফাইনাল দুবাইয়ে। এশিয়া কাপে ৪১ বছর পর এবারই প্রথম ফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী।

সিলেট টাইটানস কিংবা রাজশাহী ওয়ারিয়র্স–উভয় দলই আগেই প্লে অফ নিশ্চিত করেছে। তাই দুদলের মধ্যকার আজকের ম্যাচটি ছিল টেবিলের শীর্ষস্থান দখলের লড়াই। সে লড়াইয়ে মেহেদি হাসান মিরাজের দলকে ৫ রানে হারিয়েছে রাজশাহী।
৮ ঘণ্টা আগে
টানা ২ জয়ে প্লে অফের আশা টিকিয়ে রেখেছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। কিন্তু এরপরই বিপিএল ছেড়ে চলে যান মোহাম্মদ নবি। আফগানিস্তানের অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের অনুপস্থিতি নিজেদের জন্য অনেক বড় ক্ষতির কারণ বলে মনে করছেন নোয়াখালীর অধিনায়ক হায়দার আলী।
৮ ঘণ্টা আগে
২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) দুর্দান্ত ফর্মে আছেন শরিফুল ইসলাম। ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টটিতে উইকেট শিকারীদের তালিকার শীর্ষে আছেন তিনি। চট্টগ্রাম রয়্যালসের এই বাঁ হাতি পেসার জানালেন, ব্যক্তিগত ডাটা অ্যানালিস্ট রাহুলের সঙ্গে কাজ করে এবারের বিপিএলে সফল তিনি।
৯ ঘণ্টা আগে
ক্রিকেটারদের নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের একটি বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে গত তিন দিন ধরে নতুন বিবাদ শুরু হয়েছে ক্রিকেট পাড়ায়। এমন মন্তব্যের জেরে অনেক ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করেন বিসিবির আম্পায়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইফতেখার রহ
১০ ঘণ্টা আগে