
ক্যারিয়ারের শুরুতেই ভবিষ্যত শচীন টেন্ডুলকারের তকমা পান বিরাট কোহলি। ধারাবাহিকভাবে রান করে এই ব্যাটার অনেক আগেই প্রমাণ করেছেন কেন তাঁকে ইতিহাসের সেরাদের একজন মনে করা হয়। ইতিপূর্বে ব্যাটিং মাস্টার শচীনের বেশকিছু রেকর্ড ভেঙেছেন তিনি। এবার সাবেক ব্যাটারের আরও একটি রেকর্ড নিজের দখলে নিলেন কোহলি।
দিল্লির হয়ে অন্ধ্র প্রদেশের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে দীর্ঘ দেড় দশক পর আজ বিজয় হাজারে ট্রফিতে প্রত্যাবর্তন হয়েছে কোহলির। নামের পাশে ১৫৯৯৯ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামেন। এরপর ১ রান নিয়ে ১৬ হাজারি রানের ক্লাবে প্রবেশ করেন কোহলি। নবম ব্যাটার হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন তিনি। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ১৬০০০ রান করতে তাঁর লাগল সবচেয়ে কম ৩৩০ ইনিংস। এতদিন এই রেকর্ডটি ছিল শচীনের দখলে। ৩৯১ ইনিংস ব্যাট করে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ১৬০০০ রান করেন এই কিংবদন্তি ক্রিকেটার।
লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ১৬ হাজার রান করা বাকি সাতজন হলেন কুমার সাঙ্গাকারা, ভিভ রিচার্ডস, রিকি পন্টিং, গর্ডন গ্রিনিজ, গ্রাহাম গুচ, সনাৎ জয়াসুরিয়া ও গ্রায়েম হিক। ২২২১১ রান নিয়ে সবার ওপরে আছেন গুচ। তালিকার দুইয়ে অবস্থান করছেন হিক। সাবেক ব্যাটার করেছেন ২২,০৫৯ রান। ২১৯৯৯ রান নিয়ে তিন নম্বরে আছেন শচীন। ১৬,১২৮ রান নিয়ে আটে আছেন জয়াসুরিয়া। সাবেক লঙ্কান অধিনায়ককে ছাড়িয়ে যাওয়া কোহলির জন্য কেবল সময়ের ব্যাপার।
২০০৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সার্ভিসেসের বিপক্ষে দিল্লির হয়ে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে অভিষেক হয় কোহলির। ১৮৩ রানের ইনিংসটি তাঁর ক্যারিয়ারসেরা। ২০১২ সালের এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে এই ইনিংস খেলেন। ১৬০০০ রান করা ক্রিকেটারদের মধ্যে ৫০ এর ওপর গড় কেবল কোহলির। আগের ৩২৯ ইনিংসে ৫৭.৩৪ গড়ে ব্যাটিং করেছেন তিনি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা শচীনের ব্যাটিং গড় ৪৫.৫৪।

চোটের কারণে বাবর আজমকে ছাড়াই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হেডিংলি টেস্টে খেলতে নেমেছে পাকিস্তান। দলের অন্যতম সেরা তারকাকে ছাড়া খেলতে নেমে ইংলিশদের পেস তোপের সামনে মুখ থুবড়ে পড়ল সফরকারী দলের ব্যাটিং লাইন।
৬ ঘণ্টা আগে
তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে বাংলাদেশে আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি ক্লদিও ক্যানিজিয়াকে নিয়ে এলো আইএফএডি পিলো চিপস। বাংলাদেশ সফরে এসে আইএফএডি পিলো চিপস প্রেজেন্টস ঢাকা ইন্টার স্কুল চ্যাম্পিয়নস লিগ (ডিআইএসসিএল) ২০২৬-এর গ্র্যান্ড ফাইনালে অংশ নেন সাবেক এই তারকা। তাঁর উপস্থিতি ও বক্তব্যে অনুপ্রাণিত হন
৬ ঘণ্টা আগে
১৮ অক্টোবর রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে ত্রিদেশীয় সিরিজ। সিরিজের সবগুলো ম্যাচ হবে রাওয়ালপিন্ডি ও লাহোরে। ৩১ অক্টোবর লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ফাইনাল দিয়ে সিরিজ শেষ হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
আগামী ২৩ আগস্ট কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে সিরিজের দ্বিতীয় এবং শেষ টেস্ট খেলতে নামবে ভারত ও শ্রীলঙ্কা। সে ম্যাচে কুশল মেন্ডিস ও দিনেশ চান্দিমালকে পাবে না শ্রীলঙ্কা। পাথুম নিসাঙ্কার খেলাও অনিশ্চিত। চোট পাওয়ায় প্রথম পছন্দের এই তিন ব্যাটারকে ছাড়াই ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইয়ে নামতে হতে পারে তাদের।
৭ ঘণ্টা আগে