
মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের ব্যাপারে নিজেদের অবস্থান জানাতে আগামী মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) পর্যন্ত সময় নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এরই মধ্যে বিশ্বকাপ আয়োজনে আগ্রহ দেখিয়েছে জিম্বাবুয়ে, প্রস্তুত সংযুক্ত আরব আমিরাতও।
জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ডের একটি সূত্র ক্রিকইনফোকে মেয়েদের ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের আগ্রহের কথা জানিয়েছে। ২০১৮ ও ২০২৩ সালে সর্বশেষ দুই ওয়ানডে বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের সফল আয়োজন করেছে জিম্বাবুয়ে। ২০০৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা ও কেনিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল তারা। তারপর লম্বা সময় ধরে দেশটিতে কোনো বড় টুর্নামেন্ট হয়নি।
রবার্ট মুগাবের শাসনামলে মূল্যস্ফীতি, দমন-নিপীড়নে অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে জিম্বাবুয়ে। ২০০৫ থেকে ২০১১ সাল স্বেচ্ছায় তারা টেস্ট ক্রিকেট থেকে বিরতি নিয়েছিল। সর্বশেষ দুটি ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং শেষ তিনটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দুটিতে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি তারা।
জিম্বাবুয়ের নারী ক্রিকেট দল কখনো বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি এবং এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও নেই তারা। জিম্বাবুয়ে টুর্নামেন্টের নিরপেক্ষ আয়োজক হতে আগ্রহী। সংযুক্ত আরব আমিরাতেরও দল নেই, তারাও জিম্বাবুয়ের মতো নিরপেক্ষ আয়োজক হতে প্রস্তুত।
আগামী ৩ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশে শুরু হওয়ার কথা মেয়েদের ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সবকিছুই এলোমেলো হয় যায়। বোর্ড ভেঙে দেওয়ার দাবিতে নিয়মিত মানববন্ধন করছেন খেলোয়াড়, ক্রীড়া সংগঠক ও সমর্থকেরা। বিসিবির পরিচালকদের বড় একটি অংশ নেই দেশে।
এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ বিশ্বকাপ আয়োজন করতে পারবে কি না, এ ব্যাপারে যথেষ্ট শঙ্কা রয়েছে। আইসিসিও বেশ নজরে রেখেছে বিষয়টি। ২০ আগস্টের মধ্যে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে বিসিবিকে।

মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের ব্যাপারে নিজেদের অবস্থান জানাতে আগামী মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) পর্যন্ত সময় নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এরই মধ্যে বিশ্বকাপ আয়োজনে আগ্রহ দেখিয়েছে জিম্বাবুয়ে, প্রস্তুত সংযুক্ত আরব আমিরাতও।
জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ডের একটি সূত্র ক্রিকইনফোকে মেয়েদের ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের আগ্রহের কথা জানিয়েছে। ২০১৮ ও ২০২৩ সালে সর্বশেষ দুই ওয়ানডে বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের সফল আয়োজন করেছে জিম্বাবুয়ে। ২০০৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা ও কেনিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল তারা। তারপর লম্বা সময় ধরে দেশটিতে কোনো বড় টুর্নামেন্ট হয়নি।
রবার্ট মুগাবের শাসনামলে মূল্যস্ফীতি, দমন-নিপীড়নে অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে জিম্বাবুয়ে। ২০০৫ থেকে ২০১১ সাল স্বেচ্ছায় তারা টেস্ট ক্রিকেট থেকে বিরতি নিয়েছিল। সর্বশেষ দুটি ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং শেষ তিনটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দুটিতে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি তারা।
জিম্বাবুয়ের নারী ক্রিকেট দল কখনো বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি এবং এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও নেই তারা। জিম্বাবুয়ে টুর্নামেন্টের নিরপেক্ষ আয়োজক হতে আগ্রহী। সংযুক্ত আরব আমিরাতেরও দল নেই, তারাও জিম্বাবুয়ের মতো নিরপেক্ষ আয়োজক হতে প্রস্তুত।
আগামী ৩ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশে শুরু হওয়ার কথা মেয়েদের ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সবকিছুই এলোমেলো হয় যায়। বোর্ড ভেঙে দেওয়ার দাবিতে নিয়মিত মানববন্ধন করছেন খেলোয়াড়, ক্রীড়া সংগঠক ও সমর্থকেরা। বিসিবির পরিচালকদের বড় একটি অংশ নেই দেশে।
এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ বিশ্বকাপ আয়োজন করতে পারবে কি না, এ ব্যাপারে যথেষ্ট শঙ্কা রয়েছে। আইসিসিও বেশ নজরে রেখেছে বিষয়টি। ২০ আগস্টের মধ্যে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে বিসিবিকে।

বাংলাদেশ-ভারতের শীতল সম্পর্কের ছাপ ক্রিকেটেও। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের দুই দেশের প্রথম ম্যাচে টসের পর হাতে হাত মেলালেন না দুই দলের অধিনায়ক। ব্যাপারটা রীতিমতো বিস্ময় হয়েই এসেছে সবার কাছে। এমন উত্তেজনার একটা আবহে শুরু হওয়া বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে নাটকীয়ভাবে (ডিএলএস মেথডে) আজ ১৮ রানে হার
৭ ঘণ্টা আগে
ফুটবলপ্রেমীরা বিশ্বকাপ দেখার জন্য অধীর আগ্রহে থাকেন। ফলে বিশ্বজুড়ে থাকে টিকিট সংগ্রহের তুমুল লড়াই। অনলাইন ছাড়াও ফিফা তাদের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ফেডারেশনের জন্যও টিকিট বরাদ্দ রাখে। সে হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে বাফুফে ৩৩০ টিকিট কেনার সুযোগ পাবে ফিফার কাছ থেকে।
৮ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের সম্ভাবনা আর নেই। তবে বাকি রয়েছে একটি ম্যাচ। সেই ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে তাদের মাটিতে ৩১ মার্চ মুখোমুখি হবেন হামজা-শমিতরা। এই ম্যাচের আগে সিলেটে বাংলাদেশকে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলাতে চায় বাফুফে। কিন্তু এবারও পায়নি শক্ত প্রতিপক্ষ।
৮ ঘণ্টা আগে
সিনিয়রদের এশিয়া কাপে বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের হাত না মেলানো ইস্যু। এবার যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচেও দেখা গেল একই চিত্র। টসের সময় হ্যান্ডশেক করেননি বাংলাদেশ-ভারত অধিনায়ক। তা রীতিমত খবরের শিরোনাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও বিসিবি বলছে, করমর্দন না করাটা নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত।
৯ ঘণ্টা আগে