রানা আব্বাস, দুবাই থেকে

শত্রু-বন্ধু-শত্রু—বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার গত কদিনের দ্বৈরথের ধারাবাহিকতা এভাবেও প্রকাশ করা যেতে পারে। এই মেঘ, এই বৃষ্টির আদলে বলা যায় এই বন্ধুতা, এই শত্রুতা।
আবুধাবিতে পরশু বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারিত হয়েছে শ্রীলঙ্কার হাতে। বিষয়টা ছিল এমন—‘আফগানদের বিপক্ষে লঙ্কানরা জিতলে জিতে যায় বাংলাদেশও।’ ম্যাচটা ঘিরে সাম্প্রতিক দ্বৈরথ ভুলে বাংলাদেশের সমর্থকেরা হয়ে গেলেন লঙ্কান সমর্থক। পরশু আবুধাবিতে অধিকাংশ লঙ্কান চেয়েছেন বাংলাদেশকে নিয়ে সুপার ফোরে উঠতে। কারণ দুটি। প্রথমত, আফগানিস্তানের কাছে তারা হারতে চায়নি। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বৈরথ উপভোগ করেন শ্রীলঙ্কানরা।
আফগানিস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশকে বড় ‘উপকার’ করার পরের ম্যাচে আবারও কঠিন প্রতিপক্ষ হিসেবে হাজির হচ্ছে শ্রীলঙ্কা। পেশাদার খেলাধুলায় এতে অবশ্য বিস্ময়ের কিছু নেই। খেলার সৌন্দর্য এটাই। এক দিনের বন্ধু যে এখন শত্রু বনে গেল, সেটা নিয়ে ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং কোচ থিলিনা কান্দাম্বিকে। এই প্রশ্নের উত্তরে লঙ্কান ব্যাটিং কোচ বলেন, ‘আমরা ক্রিকেট নিয়ে কথা বলছি। তারা খুবই ভালো দল। গত দুই মাসে অনেক ভালো খেলেছে তারা। তাদের আমরা ভালো করে চিনি। বাংলাদেশের শক্তি-দুর্বলতা সম্পর্কে ধারণা আছে আমাদের। সেই সুযোগটা কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি আমরা।’
২০১৮ নিদাহাস ট্রফিতে এই শ্রীলঙ্কাকে ‘দর্শক’ বানিয়ে ফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশ। আর ওই সিরিজ থেকে দুই দলের দ্বৈরথের নাম হয়েছে নাগিন ডার্বি বা নাগিন ক্ল্যাসিকো। দিল্লিতে ২০২৩ বিশ্বকাপে সাকিব আল হাসানের সেই মহাবিতর্কিত টাইমড আউট; অতঃপর লঙ্কানদের দর্শক বানিয়ে বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলার সুযোগ। এই শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সামনে সুপার এইটে ওঠার পথ প্রশস্ত হয়েছিল। বাংলাদেশ কদিন আগেও লঙ্কানদের মাঠে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে এসেছে।
শুধু সুখের স্মৃতি নয়, শ্রীলঙ্কা যন্ত্রণাও কম দেয়নি বাংলাদেশকে। দুবাইয়ে ২০২২ এশিয়া কাপে বাংলাদেশকে গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে দেওয়ার বন্দোবস্ত করেছিলেন লঙ্কানরা। এবার এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে আবুধাবিতে লঙ্কানদের কাছে বাজেভাবে হেরেছে বাংলাদেশ। ফাইনালের পথ প্রশস্ত রাখতে আজ দুবাইয়ে শ্রীলঙ্কাকে আবারও হারানোর তাড়না বাংলাদেশের।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পরশু আফগানিস্তানের ম্যাচ হোটেলে বসে দেখেছে বাংলাদেশ। দলের পেস বোলিং কোচ শন টেইট সেই অভিজ্ঞতা কাল বলছিলেন সংবাদ সম্মেলনে, ‘আমরা হোটেলে খেলাটা দেখেছি। আমি ম্যাচের শেষ অংশ দেখেছি। ডিনারের আগে স্কোর চেক করছিলাম। স্নায়ুক্ষয়ী মুহূর্ত ছিল আমাদের জন্য। আমরা ভাগ্যের ছোঁয়া শেষ পর্যন্ত পেয়েছি।’
বাংলাদেশের বিপক্ষে কোন কৌশলে শ্রীলঙ্কা এগোচ্ছে, সেটার সরাসরি কোনো উত্তর না দিলেও শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং কোচ কান্দাম্বির আশা, এবার ‘নাগিন ডার্বি’ জমজমাট হবে। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই একই রকম থাকবে (প্রতিটি ম্যাচ ধরে পরিকল্পনা)। কারণ, আমরা বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রায়ই খেলি। গত তিন-চার মাসে চার থেকে পাঁচটি ম্যাচ খেলেছি তাদের (বাংলাদেশ) বিপক্ষে। আশা করি, তাদের সঙ্গে লড়াইটা দারুণ হবে।’
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে লড়াই নিয়ে বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ টেইটও বললেন প্রায় একই কথা, ‘সাম্প্রতিক সময়ে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে আমরা অনেক খেলেছি। দুই দলই একে অন্যকে চেনে। সর্বশেষ ম্যাচে তারা আমাদের চেয়ে ভালো খেলেছে। তবে আমরা নিজেদের কাজে মনোযোগ রাখছি। শ্রীলঙ্কাও একইভাবে ভাবছে।’
এটা ঠিক, সুপার ফোরে আজকের লড়াইয়ে শ্রীলঙ্কা কিছুটা ফেবারিট হিসেবে খেলতে নামবে। যেহেতু তারা গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচের তিনটি জিতে শেষ চারে উঠেছে। তবে খেলাটা যখন দুবাইয়ের মন্থর ও ঘূর্ণি কন্ডিশনে, আবুধাবির আগের ম্যাচের সঙ্গে আজকের লড়াই খুব একটা মেলানো যাবে না। আফগানিস্তানের বিপক্ষে একজন বিশেষজ্ঞ বোলারের অভাবে ভুগেছে বাংলাদেশ। পাঁচ স্বীকৃত বোলার, নাকি নুরুল হাসান সোহানকে জায়গা দিতে আজও শেখ মেহেদী হাসানকে একাদশের বাইরে রাখা হবে? কাল টেইট এড়িয়ে গেছেন প্রশ্নের উত্তরটা। তবে দুবাইয়ের কন্ডিশন বলে, শেখ মেহেদীকে রাখাই অধিক যৌক্তিক।

শত্রু-বন্ধু-শত্রু—বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার গত কদিনের দ্বৈরথের ধারাবাহিকতা এভাবেও প্রকাশ করা যেতে পারে। এই মেঘ, এই বৃষ্টির আদলে বলা যায় এই বন্ধুতা, এই শত্রুতা।
আবুধাবিতে পরশু বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারিত হয়েছে শ্রীলঙ্কার হাতে। বিষয়টা ছিল এমন—‘আফগানদের বিপক্ষে লঙ্কানরা জিতলে জিতে যায় বাংলাদেশও।’ ম্যাচটা ঘিরে সাম্প্রতিক দ্বৈরথ ভুলে বাংলাদেশের সমর্থকেরা হয়ে গেলেন লঙ্কান সমর্থক। পরশু আবুধাবিতে অধিকাংশ লঙ্কান চেয়েছেন বাংলাদেশকে নিয়ে সুপার ফোরে উঠতে। কারণ দুটি। প্রথমত, আফগানিস্তানের কাছে তারা হারতে চায়নি। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বৈরথ উপভোগ করেন শ্রীলঙ্কানরা।
আফগানিস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশকে বড় ‘উপকার’ করার পরের ম্যাচে আবারও কঠিন প্রতিপক্ষ হিসেবে হাজির হচ্ছে শ্রীলঙ্কা। পেশাদার খেলাধুলায় এতে অবশ্য বিস্ময়ের কিছু নেই। খেলার সৌন্দর্য এটাই। এক দিনের বন্ধু যে এখন শত্রু বনে গেল, সেটা নিয়ে ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং কোচ থিলিনা কান্দাম্বিকে। এই প্রশ্নের উত্তরে লঙ্কান ব্যাটিং কোচ বলেন, ‘আমরা ক্রিকেট নিয়ে কথা বলছি। তারা খুবই ভালো দল। গত দুই মাসে অনেক ভালো খেলেছে তারা। তাদের আমরা ভালো করে চিনি। বাংলাদেশের শক্তি-দুর্বলতা সম্পর্কে ধারণা আছে আমাদের। সেই সুযোগটা কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি আমরা।’
২০১৮ নিদাহাস ট্রফিতে এই শ্রীলঙ্কাকে ‘দর্শক’ বানিয়ে ফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশ। আর ওই সিরিজ থেকে দুই দলের দ্বৈরথের নাম হয়েছে নাগিন ডার্বি বা নাগিন ক্ল্যাসিকো। দিল্লিতে ২০২৩ বিশ্বকাপে সাকিব আল হাসানের সেই মহাবিতর্কিত টাইমড আউট; অতঃপর লঙ্কানদের দর্শক বানিয়ে বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলার সুযোগ। এই শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সামনে সুপার এইটে ওঠার পথ প্রশস্ত হয়েছিল। বাংলাদেশ কদিন আগেও লঙ্কানদের মাঠে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে এসেছে।
শুধু সুখের স্মৃতি নয়, শ্রীলঙ্কা যন্ত্রণাও কম দেয়নি বাংলাদেশকে। দুবাইয়ে ২০২২ এশিয়া কাপে বাংলাদেশকে গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে দেওয়ার বন্দোবস্ত করেছিলেন লঙ্কানরা। এবার এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে আবুধাবিতে লঙ্কানদের কাছে বাজেভাবে হেরেছে বাংলাদেশ। ফাইনালের পথ প্রশস্ত রাখতে আজ দুবাইয়ে শ্রীলঙ্কাকে আবারও হারানোর তাড়না বাংলাদেশের।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পরশু আফগানিস্তানের ম্যাচ হোটেলে বসে দেখেছে বাংলাদেশ। দলের পেস বোলিং কোচ শন টেইট সেই অভিজ্ঞতা কাল বলছিলেন সংবাদ সম্মেলনে, ‘আমরা হোটেলে খেলাটা দেখেছি। আমি ম্যাচের শেষ অংশ দেখেছি। ডিনারের আগে স্কোর চেক করছিলাম। স্নায়ুক্ষয়ী মুহূর্ত ছিল আমাদের জন্য। আমরা ভাগ্যের ছোঁয়া শেষ পর্যন্ত পেয়েছি।’
বাংলাদেশের বিপক্ষে কোন কৌশলে শ্রীলঙ্কা এগোচ্ছে, সেটার সরাসরি কোনো উত্তর না দিলেও শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং কোচ কান্দাম্বির আশা, এবার ‘নাগিন ডার্বি’ জমজমাট হবে। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই একই রকম থাকবে (প্রতিটি ম্যাচ ধরে পরিকল্পনা)। কারণ, আমরা বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রায়ই খেলি। গত তিন-চার মাসে চার থেকে পাঁচটি ম্যাচ খেলেছি তাদের (বাংলাদেশ) বিপক্ষে। আশা করি, তাদের সঙ্গে লড়াইটা দারুণ হবে।’
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে লড়াই নিয়ে বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ টেইটও বললেন প্রায় একই কথা, ‘সাম্প্রতিক সময়ে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে আমরা অনেক খেলেছি। দুই দলই একে অন্যকে চেনে। সর্বশেষ ম্যাচে তারা আমাদের চেয়ে ভালো খেলেছে। তবে আমরা নিজেদের কাজে মনোযোগ রাখছি। শ্রীলঙ্কাও একইভাবে ভাবছে।’
এটা ঠিক, সুপার ফোরে আজকের লড়াইয়ে শ্রীলঙ্কা কিছুটা ফেবারিট হিসেবে খেলতে নামবে। যেহেতু তারা গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচের তিনটি জিতে শেষ চারে উঠেছে। তবে খেলাটা যখন দুবাইয়ের মন্থর ও ঘূর্ণি কন্ডিশনে, আবুধাবির আগের ম্যাচের সঙ্গে আজকের লড়াই খুব একটা মেলানো যাবে না। আফগানিস্তানের বিপক্ষে একজন বিশেষজ্ঞ বোলারের অভাবে ভুগেছে বাংলাদেশ। পাঁচ স্বীকৃত বোলার, নাকি নুরুল হাসান সোহানকে জায়গা দিতে আজও শেখ মেহেদী হাসানকে একাদশের বাইরে রাখা হবে? কাল টেইট এড়িয়ে গেছেন প্রশ্নের উত্তরটা। তবে দুবাইয়ের কন্ডিশন বলে, শেখ মেহেদীকে রাখাই অধিক যৌক্তিক।

এই বিপিএলই বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দলের বিশ্বকাপ প্রস্তুতির টুর্নামেন্ট। ৩৪ ম্যাচের চলতি বিপিএলে এরই মধ্যেই হয়ে গেছে অর্ধেকের বেশি, ২০টি ম্যাচ। তো এ পর্যায়ে এসে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাংলাদেশ দলে থাকা ক্রিকেটারদের প্রস্তুতিটা কেমন হলো?
২৬ মিনিট আগে
রিশাদ হোসেনের মতো তাঁর দল হোবার্ট হারিকেন্সও বিগ ব্যাশে দারুণ সময় পার করছে। টানা জয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে তারা। তবে নবম ম্যাচে তাদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াল বৃষ্টি। অপয়া বৃষ্টিতে ভেসে গেল সিডনি স্ট্রাইকার্সের সঙ্গে হোবার্টের ম্যাচটি।
৪০ মিনিট আগে
শীর্ষেই ছিল রংপুর রাইডার্স। কিন্তু চট্টগ্রাম রয়্যালসের দাপটে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের পর্বের লিগ টেবিলের দুইয়ে নেমে যেতে হয়েছে তাদের। হারানো সিংহাসন ফিরে পাওয়ার মিশনে আজ দুপুরে মাঠে নামবে নুরুল হাসান সোহানের দল। তাদের প্রতিপক্ষ রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। বিপিএলে দিনের অপর ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিট
১ ঘণ্টা আগে
বর্ণাঢ্য ক্লাব ক্যারিয়ার মোহাম্মদ সালাহর। চেলসি, লিভারপুলের মতো ইউরোপসেরা ক্লাবের হয়ে সম্ভাব্য সব ধরনের শিরোপা জিতেছেন এই ফরোয়ার্ড। কিন্তু কখনো মিসরের হয়ে শিরোপা উঁচিয়ে ধরা হয়নি তাঁর। সেই অপেক্ষার পালা শেষ করতে আরেকটি সুযোগ পেয়েছেন তিনি। আফ্রিকান কাপ অব নেশনসের সেমিফাইনালে উঠেছে সালাহর মিসর।
২ ঘণ্টা আগে