
জর্ডান নিলের বল স্কয়ার লেগে ঠেলে সিঙ্গেল নিলেন মুশফিকুর রহিম। এই সিঙ্গেল তো শুধুই এক সিঙ্গেল নয়। সিঙ্গেল নিয়ে মুশফিক হয়ে গেলেন ইতিহাসের অংশ। মিরপুর শেরেবাংলার গ্যালারিতে তখন মুহুর্মুহু করতালির আওয়াজ। শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করে বাংলাদেশের অভিজ্ঞ এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার পিচে সিজদা দিলেন।
মিরপুরে গতকাল প্রথম দিনেই সেঞ্চুরি পেতে পারতেন মুশফিক। কিন্তু আম্পায়াররা তাঁকে অপেক্ষায় রেখেছেন। সেই অপেক্ষা আজ ফুরোল দ্বিতীয় দিনে। অপেক্ষার ফল যে মধুর হয়, সেটা মুশফিকের অভিব্যক্তিতেই বোঝা গেছে। তাঁর ঐতিহাসিক সেঞ্চুরির পর সামাজিক মাধ্যমে চলছে প্রশংসার বন্যা। মুশফিকের এই সেঞ্চুরির মুহূর্ত নিয়ে নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন রুবেল হোসেন। রুবেল ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘দারুণ এক মুহূর্ত। ওয়াও। আপনার এই সাফল্য শুধু আপনার জন্য নয়। পুরো দেশের মানুষের জন্য গর্বের। একটা মুহূর্ত কখনো কখনো পুরো জাতিকে হাসায় আজ তেমনই একটি দিন। প্রশংসার সবটুকু আপনার প্রাপ্য।’
মুশফিকের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি নিয়ে এরই মধ্যে দুটি পোস্ট করেছেন রুবেল। ভিডিও পোস্ট করার ৩৩ মিনিট আগে রুবেল নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ।শততম টেস্টে শত রান। মুশফিকুর রহিম যেন নিজের মতো করেই এই ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখলেন। তিনি আবারও প্রমাণ করলেন ক্লাস ইজ পার্মানেন্ট। অসংখ্য অভিনন্দন ভাই।’ মুশফিকের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি নিয়ে তাঁর পেজ থেকে করা পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘ইতিহাস তৈরি হয়েছে। এর চেয়ে ভালো গল্প লেখা সম্ভব না।’
রুবেলের মতো তাসকিন আহমেদ-মেহেদী হাসান মিরাজরাও সামাজিকমাধ্যমে মুশফিককে অভিনন্দন বার্তা দিয়েছেন। মিরাজ তাঁর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। অভিনন্দন মুশফিকুর রহিম ভাই।’ তিনিও মিরপুরে চলমান আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে খেলছেন। মুশফিকের ঐতিহাসিক এই মুহূর্ত কাছ থেকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে মিরাজের। তাওহীদ হৃদয় ফেসবুকে লিখেছেন, ‘শততম টেস্টে তাঁর সেঞ্চুরির সাক্ষী হতে পারা আমার জন্য গর্বের বিষয়। কী অসাধারণ অর্জন ভাই।’ তাসকিন নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। শততম টেস্টে সেঞ্চুরি। গল্প লিখলেন মুশফিকুর রহিম। মাইলফলকের ম্যাচে খেললেন মাইলফলকের মতো ইনিংস। অভিনন্দন মুশফিক ভাই।’
২০০৫ সালে লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে অভিষেক হয় মুশফিক। দেখতে দেখতে ২০ বছর পার করেছেন ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে। বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে শততম ম্যাচ, সর্বোচ্চ রান, সর্বোচ্চ ডাবল সেঞ্চুরি সব কীর্তিই এখন তাঁর। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে ১০৬ রান করে আউট হয়েছেন তিনি। তাতে যৌথভাবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ টেস্ট সেঞ্চুরিয়ানও হয়ে গেলেন মুশফিক। মুমিনুল হক, মুশফিক করেছেন ১৩টি করে সেঞ্চুরি। শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করা ১১তম ক্রিকেটার এখন মুশফিক।

সিলেটে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের নিয়ন্ত্রণ এখন বাংলাদেশের হাতে। অথচ গতকাল প্রথম দিনে প্রথম দুই সেশনে পাকিস্তান যেভাবে খেলছিল, সেটা বজায় থাকলে হতে পারত অন্য কিছু। তবে দল ভালো অবস্থায় থাকায় লিটন দাসকে কৃতিত্ব দিয়েছেন নাহিদ রানা।
১১ ঘণ্টা আগে
ব্যাটারদের কাছে রীতিমতো আতঙ্কে পরিণত হয়েছেন নাহিদ রানা। ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গতির পাশাপাশি লেংথের পরিবর্তন করে একের পর এক উইকেট তুলে নিচ্ছেন রানা। যার মধ্যে পাকিস্তানের তারকা ব্যাটার বাবর আজমকে তিনবার আউট করেছেন রানা। তবে বাংলাদেশের আলোচিত গতিতারকাকে ভয় পান না বাবর।
১২ ঘণ্টা আগে
তারকাখ্যাতির বিড়ম্বনা কেমন হয়, সেটা টের পাচ্ছেন বিরাট কোহলি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তো বটেই, আইপিএলেও একের পর এক রেকর্ড গড়ে যাচ্ছেন তিনি। বাজে অবস্থা থেকে কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, সেই দৃষ্টান্তও স্থাপন করছেন তিনি। তবে ভারতের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্ট নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন কোহলি।
১৩ ঘণ্টা আগে
ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে বোলিং ও বাউন্সারে ব্যাটারদের হরহামেশাই কুপোকাত করেন নাহিদ রানা। আগুনে বোলিংয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে হই চই ফেলে দিয়েছেন রানা। বিশ্বের অধিকাংশ ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তবে কখনো কোনো বোলার বাউন্সার মারলে পাল্টা জবাব দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশের গতিতারকা।
১৫ ঘণ্টা আগে