নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সকাল থেকে চা বিরতি পর্যন্ত আজ সাবলীলভাবেই এগোতে থাকে বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ বিকেলে এসে এলোমেলো হয়ে যায় তারা। নাজমুল হোসেন শান্ত, জাকের আলী অনিক, মুশফিকুর রহিম—প্রত্যেকেই উইকেট উপহার দিয়ে এসেছেন জিম্বাবুয়েকে।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে প্রথম দিনের বিকেল থেকে দ্বিতীয় দিনের চা বিরতি পর্যন্ত ছড়ি ঘোরাতে থাকে বাংলাদেশ। চার বছর পর টেস্ট সেঞ্চুরি পাওয়া সাদমান আউট হওয়ার পর মুমিনুল হক দ্রুত ড্রেসিংরুমের পথ ধরলেও শান্ত-মুশফিক সাবলীলভাবে দলকে টানতে থাকেন। তবে নিজেদের ভুলেই তাঁরা হারিয়েছে উইকেট। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে শান্তর দলের স্কোর হয়েছে ৭ উইকেটে ২৯১ রান। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত খেলেছে ৮৭ ওভার। স্বাগতিকদের লিড ৬৪ রানের।
প্রথম ইনিংসে ৫৭ ওভারে ৩ উইকেটে ২০৫ রানে দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশন পার করে বাংলাদেশ। চা বিরতির পর শান্ত, মুশফিক খেলতে থাকেন সাবলীলভাবে। ৬১তম ওভারে ব্রায়ান বেনেটের ওভার থেকে শান্ত একাই নিয়েছেন ১১ রান। একটি করে চার ও ছক্কা মেরেছেন শান্ত। এক ওভার বিরতি দিয়ে বেনেট বোলিং করতে এসে মুশফিকের কাছে খেয়েছেন ২ চার। এরপর ৬৮তম ওভারে ওয়েলিংটন মাসাকাদজাকে একটি করে চার মেরেছেন মুশফিক ও শান্ত।
সাবলীলভাবে চলতে থাকা শান্ত-মুশফিকের ৬৫ রানের জুটি ভেঙেছেন জিম্বাবুয়ের অভিষিক্ত লেগস্পিনার ভিনসেন্ট মাসেকেসা। ৭১তম ওভারের চতুর্থ বলে মাসেকেসাকে আলতো ফ্লিক করে শান্ত মিড উইকেটে দাঁড়িয়ে থাকা নিকোলাস ওয়েলচের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়েছেন। ৫৪ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় করেছেন ২৩ রান। শান্ত-মুশফিকের জুটি টিকেছে ৯৯ বল।
শান্ত আউট হওয়ার পর পাঁচ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামেন জাকের আলী অনিক। নিজের মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলে জাকের যে চার মেরেছেন, সেটা এজ হয়ে এসেছে। তবে উইকেটে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি। ৭৫তম ওভারের দ্বিতীয় বলে জাকেরকে কট এন্ড বোল্ড করেন মাসেকেসা। ১৩ বলে ৫ রান করেন জাকের।
শান্ত, জাকেরের উইকেট হারানোর পর মুশফিক, নাঈম হাসানের উইকেটটাও দ্রুত হারায় বাংলাদেশ। ৭৭তম ওভারের শেষ বলে মাসেকেসাকে ঠেলে সিঙ্গেল নিতে যান মুশফিক। ননস্ট্রাইক প্রান্তে ডিরেক্ট থ্রোতে রানআউট করেন ওয়েসলি মাধেভেরে। ডাইভ দিয়েও নিজের উইকেটটা বাঁচাতে পারেননি মুশফিক। ৫৯ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায় ৪০ রান করেন বাংলাদেশের এই অভিজ্ঞ ব্যাটার।
মাসেকেসার বোলিংয়ের সামনেই মূলত শেষ বিকেলে চোখে সর্ষেফুল দেখতে থাকে বাংলাদেশ। ৮৩তম ওভারের শেষ বলে নাঈমকে ফেরান জিম্বাবুয়ের এই লেগস্পিনার। ২০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ৮৩ ওভারে ৭ উইকেটে ২৭৯ রানে পরিণত হয় বাংলাদেশ। দিনের বাকি ৪ ওভার নিরাপদে পাড়ি দেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। মিরাজ ৩৭ বলে ১৬ রান করেছেন। তাইজুলের স্কোর ৫ রান। খেলেছেন ১১ বল।
আরও পড়ুন:

সকাল থেকে চা বিরতি পর্যন্ত আজ সাবলীলভাবেই এগোতে থাকে বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ বিকেলে এসে এলোমেলো হয়ে যায় তারা। নাজমুল হোসেন শান্ত, জাকের আলী অনিক, মুশফিকুর রহিম—প্রত্যেকেই উইকেট উপহার দিয়ে এসেছেন জিম্বাবুয়েকে।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে প্রথম দিনের বিকেল থেকে দ্বিতীয় দিনের চা বিরতি পর্যন্ত ছড়ি ঘোরাতে থাকে বাংলাদেশ। চার বছর পর টেস্ট সেঞ্চুরি পাওয়া সাদমান আউট হওয়ার পর মুমিনুল হক দ্রুত ড্রেসিংরুমের পথ ধরলেও শান্ত-মুশফিক সাবলীলভাবে দলকে টানতে থাকেন। তবে নিজেদের ভুলেই তাঁরা হারিয়েছে উইকেট। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে শান্তর দলের স্কোর হয়েছে ৭ উইকেটে ২৯১ রান। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত খেলেছে ৮৭ ওভার। স্বাগতিকদের লিড ৬৪ রানের।
প্রথম ইনিংসে ৫৭ ওভারে ৩ উইকেটে ২০৫ রানে দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশন পার করে বাংলাদেশ। চা বিরতির পর শান্ত, মুশফিক খেলতে থাকেন সাবলীলভাবে। ৬১তম ওভারে ব্রায়ান বেনেটের ওভার থেকে শান্ত একাই নিয়েছেন ১১ রান। একটি করে চার ও ছক্কা মেরেছেন শান্ত। এক ওভার বিরতি দিয়ে বেনেট বোলিং করতে এসে মুশফিকের কাছে খেয়েছেন ২ চার। এরপর ৬৮তম ওভারে ওয়েলিংটন মাসাকাদজাকে একটি করে চার মেরেছেন মুশফিক ও শান্ত।
সাবলীলভাবে চলতে থাকা শান্ত-মুশফিকের ৬৫ রানের জুটি ভেঙেছেন জিম্বাবুয়ের অভিষিক্ত লেগস্পিনার ভিনসেন্ট মাসেকেসা। ৭১তম ওভারের চতুর্থ বলে মাসেকেসাকে আলতো ফ্লিক করে শান্ত মিড উইকেটে দাঁড়িয়ে থাকা নিকোলাস ওয়েলচের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়েছেন। ৫৪ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় করেছেন ২৩ রান। শান্ত-মুশফিকের জুটি টিকেছে ৯৯ বল।
শান্ত আউট হওয়ার পর পাঁচ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামেন জাকের আলী অনিক। নিজের মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলে জাকের যে চার মেরেছেন, সেটা এজ হয়ে এসেছে। তবে উইকেটে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি। ৭৫তম ওভারের দ্বিতীয় বলে জাকেরকে কট এন্ড বোল্ড করেন মাসেকেসা। ১৩ বলে ৫ রান করেন জাকের।
শান্ত, জাকেরের উইকেট হারানোর পর মুশফিক, নাঈম হাসানের উইকেটটাও দ্রুত হারায় বাংলাদেশ। ৭৭তম ওভারের শেষ বলে মাসেকেসাকে ঠেলে সিঙ্গেল নিতে যান মুশফিক। ননস্ট্রাইক প্রান্তে ডিরেক্ট থ্রোতে রানআউট করেন ওয়েসলি মাধেভেরে। ডাইভ দিয়েও নিজের উইকেটটা বাঁচাতে পারেননি মুশফিক। ৫৯ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায় ৪০ রান করেন বাংলাদেশের এই অভিজ্ঞ ব্যাটার।
মাসেকেসার বোলিংয়ের সামনেই মূলত শেষ বিকেলে চোখে সর্ষেফুল দেখতে থাকে বাংলাদেশ। ৮৩তম ওভারের শেষ বলে নাঈমকে ফেরান জিম্বাবুয়ের এই লেগস্পিনার। ২০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ৮৩ ওভারে ৭ উইকেটে ২৭৯ রানে পরিণত হয় বাংলাদেশ। দিনের বাকি ৪ ওভার নিরাপদে পাড়ি দেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। মিরাজ ৩৭ বলে ১৬ রান করেছেন। তাইজুলের স্কোর ৫ রান। খেলেছেন ১১ বল।
আরও পড়ুন:

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যখন দরজায় কড়া নাড়ছে, তখন ভেন্যু পরিবর্তনের ইস্যুটি বেশ জোরালো হয়েছে। কারণ, নিরাপত্তা ইস্যুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ভারতে খেলতে চাচ্ছে না। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল তাঁর সিদ্ধান্তে এখনো অনড়ই থাকছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু, দল সব গত বছরের নভেম্বরেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু গত কয়েক দিনে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ভেন্যু পরিবর্তনের আলোচনা জোরালো হয়েছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে যখন এক মাসও বাকি নেই, সেই মুহূর্তে ভেন্যু পরিবর্তন ইস্যুতে বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)
৫ ঘণ্টা আগে
দেখতে দেখতে বিপিএল শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে। ৩৪ ম্যাচের মধ্যে ২০ ম্যাচ হয়েছে। এই সময়েই বড় ধাক্কা খেল চট্টগ্রাম রয়্যালস। বিপিএল থেকে ছিটকে গেলেন ফ্র্যাঞ্চাইজিটির তারকা ক্রিকেটার অ্যাডাম রসিংটন।
৫ ঘণ্টা আগে
ফিক্সিংয়ের কারণে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) অতীতে অনেকবার কলঙ্কিত হয়েছে। এবারের বিপিএল নিয়ে এই সংক্রান্ত খবর তেমন একটা না হওয়ায় মনে হচ্ছিল টুর্নামেন্টটা এবার ফিক্সিংয়ের কালো থাবা থেকে মুক্ত হয়েছে। কিন্তু ঢাকা ক্যাপিটালসের কারণে আবারও সেই অন্ধকার দিকটা সামনে চলে এসেছে।
৭ ঘণ্টা আগে