‘কতটুকু পথ পেরোলে পথিক হওয়া যায়’—কবীর সুমনের বিখ্যাত এই গানের উত্তর যেন অবশেষে পেয়েছে লেভারকুজেন। একটা বুন্দেসলিগা জিততে ১২০ বছরের পথ হাঁটতে হয়েছে তাদের। বায়ার্ন মিউনিখের টানা ৯ বছরের আধিপত্য গুঁড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। সেটিও আবার লিগে ৩৮ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড গড়ে।
পথিকের স্বীকৃতি মিললেও পথচলা থামেনি লেভারকুজেনের। আসলে বুন্দেসলিগার নতুন চ্যাম্পিয়নদের পথচলা থামাতেই পারছে না কোনো দল। এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে টানা ৫১ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড গড়ে ইউরোপের লিগগুলোর ৫৯ বছরের ইতিহাস ভেঙে দিয়েছে জাবি আলোনসোর দল। টানা এত ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড নেই আর কোনো দলের। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৮ ম্যাচ বেনফিকার, ১৯৬৪-৬৫ মৌসুমে।
১২০ বছরের দীর্ঘ ইতিহাসে যাদের শোকেসে দুটি শিরোপার ঠাঁই হয়েছিল, এত দিন সেই লেভারকুজেনের সামনে এবার ট্রেবল জয়ের হাতছানি। মৌসুমের দ্বিতীয় শিরোপা জিততে আজ ইউরোপা লিগের ফাইনালে আতালান্তার মুখোমুখি হবে দীর্ঘ সময় ধরে ‘নেভারকুজেন’ বদনাম পাওয়া জার্মান ক্লাব।
বায়ার্ন-বরুসিয়া ডর্টমুন্ড-রোমার মতো ক্লাবরা যা পারেনি, তা কি আজ পারবে আতালান্তা? মৌসুমের প্রথম হারের তিক্ত স্বাদ দিতে পারলে নিজেদের দীর্ঘ শিরোপাখরাও ঘুচবে তাতে। ডাবলিনে সেই দায়িত্বটাই আজ নিতে হবে আতালান্তার কোচ জিয়ান পিয়েরো গাসপিয়েরিনিকে। শীর্ষ পর্যায়ে ৬১ বছর ধরে কোনো শিরোপার মুখ দেখে না আতালান্তা। শোকেসে জায়গার অভাব না থাকলেও দীর্ঘ শিরোপাখরায় ধুলার আস্তরণে যেন তা পূর্ণ হয়ে আছে। সবশেষ ১৯৬২-৬৩ মৌসুমে একমাত্র শিরোপা কোপা ইতালিয়ায় আটকে আছে তারা। ২০১৬ সালে গাসপিয়েরিনো দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনবার কোপা ইতালিয়ার ফাইনাল খেললেও খালি হাতে ফিরতে হয় আতালান্তাকে। এ মৌসুমেই সবশেষ ক্ষতটি দিয়েছে জুভেন্টাস।
অ্যাটাকিং ফুটবলের পসরা সাজিয়ে এবার লিভারপুল-মার্শেইয়ের মতো দলগুলোকে পেছনে ইউরোপা লিগের ফাইনালে উঠেছে আতালান্তা। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণে গাসপিয়েরিনো তাই শ্রেষ্ঠত্বেই চোখ রাখছেন। কখনো শীর্ষ পর্যায়ে শিরোপাজয়ের স্বাদ না পাওয়ায় ৬৬ বছর বয়সী কোচ বলেছেন, ‘এটাই কি আমার ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ সাফল্য? হ্যাঁ, কৃতিত্ব এবং মর্যাদার দিক থেকে অবশ্যই। আমরা যদি শিরোপা জিততে পারি, ভীষণ খুশি হব।’
গাসপিয়েরিনোর ফুটবলদর্শনকে সমীহ করছেন আলোনসোও। ৪২ বছর বয়সী স্প্যানিশ কোচ বলেছেন, ‘ম্যাচ নিয়ে তাঁর পরিষ্কার পরিকল্পনা আছে। দৃঢ় মানসিকতা এবং দুর্দান্ত মানসম্পন্ন এক দল আতালান্তা। তারা শীর্ষপর্যায়ের দল।’

এই জয় তো এই হার—২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের যাত্রাটা চলছে এভাবেই। উইন্ডহোকে ১৫ জানুয়ারি তানজানিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল উইন্ডিজ। একই মাঠে ১৮ জানুয়ারি আফগানিস্তানের কাছে ১৩৮ রানে হেরেছে ক্যারিবীয়রা। আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নামবে উইন্ডিজ।
১৬ মিনিট আগে
চিত্রনাট্যটা একই রকম। গত বিপিএলেও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার থেকে ছিটকে গেছে। এবারও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে। পার্থক্য শুধু গত বছর খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলা মিরাজ এবার খেলেছেন সিলেট টাইটানসের হয়ে। সিলেটের প্রধান কোচ সোহেল ইসলামের মতে
১ ঘণ্টা আগে
লং অনে দারউইশ রাসুলি ক্যাচ ধরার পর শুরু হয়ে যায় উদ্যাপন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেট ব্যাটার ব্র্যান্ডন কিংয়ের (৫০) উইকেটটা তো আফগানদের জন্য দারুণ এক ব্রেকথ্রু ছিলই। সব ছাপিয়ে আলোচনায় আফগানিস্তানের রহস্যময় স্পিনার মুজিব উর রহমানের হ্যাটট্রিক।
২ ঘণ্টা আগে
মিরপুর শেরেবাংলায় পরশু ক্রিস ওকস ছক্কা মারার পরই কেঁদে ফেলেছিলেন ফাহিম আল চৌধুরী। ২৪ ঘণ্টা না যেতেই একই মাঠে ফের কাঁদলেন ফাহিম। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে যে আকাশ-পাতাল ফারাক। পরশু সিলেটের জয়ের খুশিতে কাঁদলেও কাল কেঁদেছিলেন দলের বিদায়ে। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হারের পর ফিক্সিংয়ের গুরুতর অভিযোগ তুললেন সিল
২ ঘণ্টা আগে