
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে রেকর্ড গড়েও খুশি হতে পারছেন না টিম সাউদি। আসলে হবেন কী করে? তাঁর রেকর্ডটা যে টুর্নামেন্টে দলের কাজে দিচ্ছে না। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে যে প্রথমবার গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিতে হয়েছে নিউজিল্যান্ডকে।
উগান্ডার বিপক্ষে আজ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা ইকোনমিক বোলিংয়ের রেকর্ড গড়েছেন সাউদি। ত্রিনিদাদে কিউই পেসারের বোলিং ফিগার ছিল এমন— ৪-১-৪-৩। ৪ ওভার বোলিং করে ৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি। সঙ্গে একটি মেডেন ওভারও। ৪ ওভারের বোলিং কোটায় তাঁর চেয়ে এমন কিপটে বোলিং আর কারও নেই।
সাউদি যাঁর রেকর্ড ভেঙেছেন, সেই ফ্র্যাঙ্ক এনসুবুগাও অবশ্য এই বিশ্বকাপেই রেকর্ডটা গড়েছিলেন। পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে ৪-২-৪-২ বোলিং স্পেল করে রেকর্ডটি গড়েছিলেন উগান্ডার স্পিনার। কিন্তু কয়েক দিনের ব্যবধানে রেকর্ডটা নিজের করে নিলেন কিউই পেসার।
সাউদির রেকর্ড বোলিংয়ের দিনে রেকর্ড গড়েছে উগান্ডাও। তবে সাউদির মতো গৌরবের নয়, বিব্রতকরের। দুই পেসার সাউদি–ট্রেন্ট বোল্ট আর দুই স্পিনার মিচেল স্যান্টনার ও রাচিন রবীন্দ্রর বোলিং তোপে আগে ব্যাটিং করে ৪০ রানে অলআউট হয়েছে তারা। আর দুই রান কম করলে সর্বনিম্ন দলীয় স্কোরের তালিকায় শীর্ষে নাম থাকত তাদের। অবশ্য এই বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩৯ রানে অলআউট হয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষেই আছে তারা।
সাউদির ৩ উইকেটের বিপরীতে বাকি তিনজন ২টি করে উইকেট নিয়েছেন। ৪০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৯ উইকেটের জয় পেয়েছে নিউজিল্যান্ড। ৮৮ বল হাতে রেখে বিশ্বকাপে প্রথম জয় পেয়েছে তারা। অন্যদিকে বলের ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কোনো তৃতীয় সর্বোচ্চ জয়। শীর্ষে আছে ইংল্যান্ড। দুই দিন আগে ওমানের বিপক্ষে ১০১ বল হাতে রেখে জয় পায় ইংলিশরা। নিজের টি-টোয়েন্টি সংস্করণের ইতিহাসে অবশ্য নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ। আগের সর্বোচ্চ ছিল কেনিয়ার বিপক্ষে ২০০৭ সালে ৭৪ বল হাতে রেখে।
এমন রেকর্ডময় জয়ের পরও অবশ্য হতাশা লুকিয়ে রাখতে পারেননি সাউদি। ম্যাচসেরার পুরস্কার নিতে এসে তিনি বলেছেন,‘এটা সত্যি দুর্দান্ত এক পারফরম্যান্স ছিল। জয় পেয়ে ভালো লাগছে। তবে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ায় আমরা হতাশ। আমরা প্রথম দুই ম্যাচে হেরে যাওয়ায় বিশ্বকাপে আমাদের যে রেকর্ড ছিল তা এখন শেষ হয়ে গিয়েছে। সে যাই হোক নিউজিল্যান্ডের হয়ে খেলা সব সময় স্বপ্ন ছিল। এখনো এটি উপভোগ করছি।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে রেকর্ড গড়েও খুশি হতে পারছেন না টিম সাউদি। আসলে হবেন কী করে? তাঁর রেকর্ডটা যে টুর্নামেন্টে দলের কাজে দিচ্ছে না। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে যে প্রথমবার গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিতে হয়েছে নিউজিল্যান্ডকে।
উগান্ডার বিপক্ষে আজ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা ইকোনমিক বোলিংয়ের রেকর্ড গড়েছেন সাউদি। ত্রিনিদাদে কিউই পেসারের বোলিং ফিগার ছিল এমন— ৪-১-৪-৩। ৪ ওভার বোলিং করে ৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি। সঙ্গে একটি মেডেন ওভারও। ৪ ওভারের বোলিং কোটায় তাঁর চেয়ে এমন কিপটে বোলিং আর কারও নেই।
সাউদি যাঁর রেকর্ড ভেঙেছেন, সেই ফ্র্যাঙ্ক এনসুবুগাও অবশ্য এই বিশ্বকাপেই রেকর্ডটা গড়েছিলেন। পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে ৪-২-৪-২ বোলিং স্পেল করে রেকর্ডটি গড়েছিলেন উগান্ডার স্পিনার। কিন্তু কয়েক দিনের ব্যবধানে রেকর্ডটা নিজের করে নিলেন কিউই পেসার।
সাউদির রেকর্ড বোলিংয়ের দিনে রেকর্ড গড়েছে উগান্ডাও। তবে সাউদির মতো গৌরবের নয়, বিব্রতকরের। দুই পেসার সাউদি–ট্রেন্ট বোল্ট আর দুই স্পিনার মিচেল স্যান্টনার ও রাচিন রবীন্দ্রর বোলিং তোপে আগে ব্যাটিং করে ৪০ রানে অলআউট হয়েছে তারা। আর দুই রান কম করলে সর্বনিম্ন দলীয় স্কোরের তালিকায় শীর্ষে নাম থাকত তাদের। অবশ্য এই বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩৯ রানে অলআউট হয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষেই আছে তারা।
সাউদির ৩ উইকেটের বিপরীতে বাকি তিনজন ২টি করে উইকেট নিয়েছেন। ৪০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৯ উইকেটের জয় পেয়েছে নিউজিল্যান্ড। ৮৮ বল হাতে রেখে বিশ্বকাপে প্রথম জয় পেয়েছে তারা। অন্যদিকে বলের ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কোনো তৃতীয় সর্বোচ্চ জয়। শীর্ষে আছে ইংল্যান্ড। দুই দিন আগে ওমানের বিপক্ষে ১০১ বল হাতে রেখে জয় পায় ইংলিশরা। নিজের টি-টোয়েন্টি সংস্করণের ইতিহাসে অবশ্য নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ। আগের সর্বোচ্চ ছিল কেনিয়ার বিপক্ষে ২০০৭ সালে ৭৪ বল হাতে রেখে।
এমন রেকর্ডময় জয়ের পরও অবশ্য হতাশা লুকিয়ে রাখতে পারেননি সাউদি। ম্যাচসেরার পুরস্কার নিতে এসে তিনি বলেছেন,‘এটা সত্যি দুর্দান্ত এক পারফরম্যান্স ছিল। জয় পেয়ে ভালো লাগছে। তবে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ায় আমরা হতাশ। আমরা প্রথম দুই ম্যাচে হেরে যাওয়ায় বিশ্বকাপে আমাদের যে রেকর্ড ছিল তা এখন শেষ হয়ে গিয়েছে। সে যাই হোক নিউজিল্যান্ডের হয়ে খেলা সব সময় স্বপ্ন ছিল। এখনো এটি উপভোগ করছি।’

দারুণ ছুটছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। একের পর এক গোল করে রেকর্ড গড়ে যাচ্ছিলেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। তাঁর এই সুসময়ে বাদ সাধল হাঁটুর চোট। এমবাপ্পের চোটে বড় দুশিন্তায় পড়ল রিয়াল মাদ্রিদ।
১ ঘণ্টা আগে
দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি কেবল এক মাস। আইসিসির এই ইভেন্ট সামনে রেখে দলগুলো প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। কেউ চূড়ান্ত দল, কেউবা আবার প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে। একঝাঁক স্পিনার নিয়ে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া।
২ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ততা শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারত-শ্রীলঙ্কায় হবে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আইসিসির ইভেন্ট শেষে বাংলাদেশ সফর করবে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। এরপর জুলাই থেকে আগস্ট জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া ও আয়ারল্য
২ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরের প্রথম দিনই মাঠে নামছে রিশাদ হোসেনের দল হোবার্ট হারিকেনস। বাংলাদেশ সময় বেলা ২টা ১৫ মিনিটে হোবার্টের বেলেরিভ ওভালে শুরু হবে হোবার্ট হারিকেনস-পার্থ স্কর্চার্স ম্যাচ। এখন মেলবোর্নের ডকল্যান্ডস স্টেডিয়ামে চলছে বিগ ব্যাশের মেলবোর্ন রেনেগেডস-সিডনি সিক্সার্স ম্যাচ।
৩ ঘণ্টা আগে