নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দ্বিতীয় ওভারে রিভার্স সুইপে দারুণ এক ছক্কায় ফিন অ্যালেন ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন ঝড়ের। পরের ওভারেই নাসুম আহমেদকে একইভাবে সীমানার ওপারে ফেলার চেষ্টায় নিজের ‘মৃত্যু’ ডেকে আনেন এই ওপেনার। শুধু ফিন নয়, আজ ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে বাংলাদেশকে জয় এনে দেওয়া নাসুম ফিরিয়েছেন আরও তিন কিউই ব্যাটসম্যানকে।
ম্যাচ শেষে ভিডিওবার্তায় নাসুম জানিয়েছেন, চার উইকেটের মধ্যে ফিনের উইকেটটাই সেরা, ‘আমার কাছে ফিন অ্যালেনের উইকেটটা সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। আর গ্র্যান্ডহোমকে তো আমি আজ নিয়ে তিনবার আউট করলাম। অ্যালেনের উইকেটটাই তাই আমার কাছে বেশি ভালো লাগছে। ও রিভার্স সুইপ করতে চাচ্ছিল, আমি ওই ডেলিভারিটি খুব জোরে বল করেছি আর ও মিস টাইম করেছে। আর এর আগের ম্যাচেও আমার লক্ষ্যে ছিল যেন ওর উইকেটটা পাই আমি। কারণ, আমার অভিষেক উইকেট ও (অ্যালেন)।’
ফিন রিভার্স সুইপ করতে চাইলে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ নাসমুকে পরামর্শ দিয়েছিলেন আরেকটু আস্তে বল ছাড়তে। তবে নাসুম জানিয়েছেন জোরের ওপর বল করেই ফেরানো গেছে নাসুমকে, ‘ফিন যখন রিভার্স সুইপ করছিল তখন রিয়াদ ভাই আমাকে বলল ও রিভার্স করলে তুই আরেকটু আস্তে বল করবি। তো আমি যখন বোলিং করছি তখন দেখলাম ও একটু আগেই ঘুরে গেছে, ওটা দেখে আমি জোরে বল করেছি তাতে মিস টাইমিংয়ে উইকেটটা পেয়ে গেছি।’
অস্ট্রেলিয়ার পর নিউজিল্যান্ড। দুই সিরিজেই দুর্দান্ত বোলিং করছেন নাসুম। অল্প দিনেই হয়ে উঠেছেন দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এ নিয়ে বলতে গিয়ে নাসুম বলেছেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়েছি কিনা জানি না। তবে দল থেকে অনেক সমর্থন পাচ্ছি। বিশেষ করে অধিনায়ক ও অভিজ্ঞরা আমাকে অনেক সমর্থন করছেন। আর এতে আমার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাচ্ছে। আর কোচও (রঙ্গনা হেরাথ) আমাকে নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে কাজ করেন। তার সঙ্গে আমি অনেক কিছু শেয়ার করি তিনিও আমার সঙ্গে অনেক কিছু শেয়ার করেন। গতকাল অনুশীলনে কোচ বলছিলেন এ উইকেটে আরেকটু আস্তে বল করলে ভালো হয়। কালকে ওইটাই অনুশীলন করছিলাম আর আজ ওটা ম্যাচে প্রয়োগ করার চেষ্টা করেছি।’
গত দুই সিরিজে মেহেদী হাসানের সঙ্গে জুটি বেঁধে নিয়মিত পাওয়ার প্লেতে বোলিং করছেন নাসুম। দুজনই পাচ্ছেন সাফল্য। এর পেছনের রহস্য নাসুম বলেছেন এভাবে, ‘আমাদের মধ্যে কথা হয়, তুমি একটা ওভার খারাপ করলে আমি এসে কাভার করে দেব বা আমি খারাপ করলে ও কাভার করবে। আমি আর মেহেদী প্রায় সময়ই এ ব্যাপারে কথা বলি। আমি ওকে উৎসাহ দিই আর ও আমাকে উৎসাহ দেয়।’
ঘরের কন্ডিশনে দারুণ বোলিং করলেও নাসুমের আসল পরীক্ষাটা হবে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। সেটির বুঝতে পারছেন নাসুমও, আসলে পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে আমাকে যে কোন উইকেটেই বল করতে হবে। ফ্ল্যাট হোক বা টার্নিং হোক বা যাই হোক আমাকে ভালো করতে হবে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী বল করে যেতে হবে। কোন জায়গায় কেমন উইকেট তা তো আমি আগে থেকে জানি না, আমার চেষ্টা থাকবে যতটুকু ভালো করা যায়।’

দ্বিতীয় ওভারে রিভার্স সুইপে দারুণ এক ছক্কায় ফিন অ্যালেন ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন ঝড়ের। পরের ওভারেই নাসুম আহমেদকে একইভাবে সীমানার ওপারে ফেলার চেষ্টায় নিজের ‘মৃত্যু’ ডেকে আনেন এই ওপেনার। শুধু ফিন নয়, আজ ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে বাংলাদেশকে জয় এনে দেওয়া নাসুম ফিরিয়েছেন আরও তিন কিউই ব্যাটসম্যানকে।
ম্যাচ শেষে ভিডিওবার্তায় নাসুম জানিয়েছেন, চার উইকেটের মধ্যে ফিনের উইকেটটাই সেরা, ‘আমার কাছে ফিন অ্যালেনের উইকেটটা সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। আর গ্র্যান্ডহোমকে তো আমি আজ নিয়ে তিনবার আউট করলাম। অ্যালেনের উইকেটটাই তাই আমার কাছে বেশি ভালো লাগছে। ও রিভার্স সুইপ করতে চাচ্ছিল, আমি ওই ডেলিভারিটি খুব জোরে বল করেছি আর ও মিস টাইম করেছে। আর এর আগের ম্যাচেও আমার লক্ষ্যে ছিল যেন ওর উইকেটটা পাই আমি। কারণ, আমার অভিষেক উইকেট ও (অ্যালেন)।’
ফিন রিভার্স সুইপ করতে চাইলে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ নাসমুকে পরামর্শ দিয়েছিলেন আরেকটু আস্তে বল ছাড়তে। তবে নাসুম জানিয়েছেন জোরের ওপর বল করেই ফেরানো গেছে নাসুমকে, ‘ফিন যখন রিভার্স সুইপ করছিল তখন রিয়াদ ভাই আমাকে বলল ও রিভার্স করলে তুই আরেকটু আস্তে বল করবি। তো আমি যখন বোলিং করছি তখন দেখলাম ও একটু আগেই ঘুরে গেছে, ওটা দেখে আমি জোরে বল করেছি তাতে মিস টাইমিংয়ে উইকেটটা পেয়ে গেছি।’
অস্ট্রেলিয়ার পর নিউজিল্যান্ড। দুই সিরিজেই দুর্দান্ত বোলিং করছেন নাসুম। অল্প দিনেই হয়ে উঠেছেন দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এ নিয়ে বলতে গিয়ে নাসুম বলেছেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়েছি কিনা জানি না। তবে দল থেকে অনেক সমর্থন পাচ্ছি। বিশেষ করে অধিনায়ক ও অভিজ্ঞরা আমাকে অনেক সমর্থন করছেন। আর এতে আমার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাচ্ছে। আর কোচও (রঙ্গনা হেরাথ) আমাকে নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে কাজ করেন। তার সঙ্গে আমি অনেক কিছু শেয়ার করি তিনিও আমার সঙ্গে অনেক কিছু শেয়ার করেন। গতকাল অনুশীলনে কোচ বলছিলেন এ উইকেটে আরেকটু আস্তে বল করলে ভালো হয়। কালকে ওইটাই অনুশীলন করছিলাম আর আজ ওটা ম্যাচে প্রয়োগ করার চেষ্টা করেছি।’
গত দুই সিরিজে মেহেদী হাসানের সঙ্গে জুটি বেঁধে নিয়মিত পাওয়ার প্লেতে বোলিং করছেন নাসুম। দুজনই পাচ্ছেন সাফল্য। এর পেছনের রহস্য নাসুম বলেছেন এভাবে, ‘আমাদের মধ্যে কথা হয়, তুমি একটা ওভার খারাপ করলে আমি এসে কাভার করে দেব বা আমি খারাপ করলে ও কাভার করবে। আমি আর মেহেদী প্রায় সময়ই এ ব্যাপারে কথা বলি। আমি ওকে উৎসাহ দিই আর ও আমাকে উৎসাহ দেয়।’
ঘরের কন্ডিশনে দারুণ বোলিং করলেও নাসুমের আসল পরীক্ষাটা হবে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। সেটির বুঝতে পারছেন নাসুমও, আসলে পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে আমাকে যে কোন উইকেটেই বল করতে হবে। ফ্ল্যাট হোক বা টার্নিং হোক বা যাই হোক আমাকে ভালো করতে হবে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী বল করে যেতে হবে। কোন জায়গায় কেমন উইকেট তা তো আমি আগে থেকে জানি না, আমার চেষ্টা থাকবে যতটুকু ভালো করা যায়।’

বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুরের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে ২০২৬ বিশ্বকাপ ট্রফি। সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায় বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফি।
১৬ মিনিট আগে
সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে পুরুষদের খেলা শুরু হচ্ছে আজ। উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে নামবে শ্রীলঙ্কা ও ভুটান। একই দিন বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত। থাইল্যান্ডের ননথাবুরি স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বিকেল ৪টায়। খেলা দেখা যাবে স্পোর্টজওয়ার্কজ ইউটিউব চ্যানেলে।
৪৩ মিনিট আগে
কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের মূল ফটক দিয়ে ঢুকলেই চোখে পড়বে ঝালমুড়ি-ভেলপুরির অস্থায়ী দোকান। সেসব খাবার আবার সানন্দে খাচ্ছে নারী ফুটবলাররা। হোক সেটা ম্যাচের আগে কিংবা পরে।
১ ঘণ্টা আগে
চতুর্থবারের মতো ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি আসছে বাংলাদেশে। আজ সকালে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপ ট্রফি। এর আগে ২০০২, ২০১৪ ও ২০২২ বিশ্বকাপ সামনে রেখেও ট্রফি এসেছিল ঢাকায়। এবারের সফরে ফিফার প্রতিনিধি হিসেবে সঙ্গে আছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা।
২ ঘণ্টা আগে