টি-টোয়েন্টি বা ওয়ানডে—কোনো সংস্করণেই বাংলাদেশের মেয়েরা কখনো অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে পারেনি। তবে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের প্রধান নির্বাচক সাজ্জাদ হোসেন শিপন যেন অতীত ইতিহাস নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না। ঘরের মাঠে খেলা বলেই যেন অনেক আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ নারী দলের নির্বাচক।
অস্ট্রেলিয়া নারী দলের কাছে অবশ্য বাংলাদেশের মাঠ বেশ অচেনা। ২০১৪ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর এবারই প্রথম বাংলাদেশে এল অস্ট্রেলিয়ার মেয়েরা। নারী ক্রিকেটে বাংলাদেশঅস্ট্রেলিয়ার এটাই প্রথম দ্বিপক্ষীয় সিরিজ। ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে পরশু শুরু হচ্ছে সিরিজ। প্রতিপক্ষ সাতবারের ওয়ানডে চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া হলেও শিপন তাদের বিপক্ষে ভালো খেলতে আত্মবিশ্বাসী লেগেছে শিপনকে। আত্মবিশ্বাস থাকাটাই স্বাভাবিক। বাংলাদেশ নারী দল দক্ষিণ আফ্রিকার মাঠে ওয়ানডে জিতে এসেছে। ঘরের মাঠে বাংলাদেশের মেয়েরা জিতেছে ভারত-পাকিস্তানের মতো পরাশক্তির বিপক্ষেও। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সংবাদমাধ্যমকে সাজ্জাদ আহমেদ শিপন বলেন, ‘আমাদের প্রধান লক্ষ্যই হচ্ছে সিরিজ জেতা। সত্যি বলতে ওয়ানডে আমাদের ফোকাসিং পয়েন্ট। ওয়ানডেটাকে আমরা পাখির চোখ করে রেখেছি।’
ভারত, অস্ট্রেলিয়ার মতো পরাশক্তিকে হারালে বাংলাদেশ দল প্রশংসার বন্যায় ভেসে যায়। ছেলেদের ক্রিকেটে এসব দেখা গেছে আগেও। শিপন যেন সেই ধারণা থেকেই কথা বললেন, ‘জেতাটা খুব জরুরি আমাদের জন্য। জিতলে আমরা প্রচারণা পাব বেশি। স্পনসরও বেশি পাব। অবশ্যই একটা অপরটার পরিপূরক।’
এবারের বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়া নারী দল ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে তিনটি করে ম্যাচ খেলবে। সিরিজের সব ম্যাচই হবে মিরপুরে। মিরপুরে ছেলেদের ক্রিকেটে দেখা গেছে, সফরকারী দল এসে বারবার খাবি খেয়েছে। সেই ধারণা থেকেই শিপন বলেন, ‘ওরা যে ফাস্ট ট্র্যাকে খেলে, বাউন্সি ট্র্যাকে খেলে। আমাদের এখানে খেলাটা এত সহজ না। পাশের দেশ ভারতে দেখি একই রকম জিনিসটা হয়। যেকোনো দল এলেই সমস্যায় পড়ে। আমাদের উইকেটও ব্যতিক্রম নয়।’

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার আগে মানসিক লড়াইয়ে এগিয়ে থাকতে চাইছে ইংল্যান্ড। দলটির ডিফেন্ডার মার্ক গেহির বিশ্বাস, শেষ চারের লড়াইয়ে চাপটা ইংল্যান্ডের নয়, বরং বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার ওপরেই থাকবে।
৪ মিনিট আগে
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে শক্তিশালী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নামার আগে আত্মবিশ্বাসী আর্জেন্টিনা। তবে এই ম্যাচকে আগেরগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে রাজি নন প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি। তাঁর বিশ্বাস, সেমিফাইনালের লড়াই হবে ভিন্ন মাত্রার এবং নিজেদের সেরাটা খেলতে পারলেই কেবল ফাইনালের টিকিট কাটা সম্ভব।
৩০ মিনিট আগে
আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের আবেগ নতুন কিছু নয়। বিশেষ করে বিশ্বকাপ এলেই দুই দেশের ভৌগোলিক দূরত্ব যেন মিলিয়ে যায় ফুটবলের ভালোবাসায়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে বাংলাদেশের সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন আর্জেন্টিনার প্রধান
১ ঘণ্টা আগে
এই হারের হতাশা লুকাননি এবারের বিশ্বকাপে ৮ গোল করা এমবাপ্পে, ‘সবার মতোই, অনেক হতাশ আমি। ফাইনালে ওঠা ছিল আমাদের স্বপ্ন। আমাদের দেশের মানুষকে স্বপ্ন দেখানোর, ইতিহাস গড়ার সুযোগ দেওয়াও ছিল আমাদের লক্ষ্য। এখন মাথা উঁচু করেই এই বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে। হতাশা অনেক বেশি, আমি ঠিক ভাষায় সেটা প্রকাশ করতে
৫ ঘণ্টা আগে