শচীন টেন্ডুলকারের সেঞ্চুরির রেকর্ড ভাঙবেন বিরাট কোহলি—কিছুদিন আগে এমনটি জানিয়েছিলেন রবি শাস্ত্রী। কোহলির ফর্ম ও ফিটনেস বিবেচনায় রেকর্ড ভাঙা অসম্ভব নয় বলে মনে করেন ভারতের সাবেক কোচ। তবে শাস্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে একমত নন ব্রায়ান লারা।
লারার মতে, শচীনের সেঞ্চুরির রেকর্ড ভাঙা কঠিন। কেন কঠিন সেটির ব্যাখ্যায় ক্রিকেটীয় যুক্তির বিষয়টি তুলে ধরেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংবদন্তি। তিনি বলেছেন, ‘নিশ্চিতভাবে বলতে পারি না। আর কেউ বলতেও পারবে না। যাঁরা বলছেন টেন্ডুলকারের ১০০ সেঞ্চুরির রেকর্ড কোহলি ভেঙে দেবেন, তাঁরা ক্রিকেটের যুক্তিকে আমলে নিচ্ছেন না। ২০ সেঞ্চুরি অনেক দূরের পথ। বেশির ভাগ ক্রিকেটার তাদের পুরো ক্যারিয়ারে এটি করতে পারেনি। তবে আমি দুঃসাহসিক হব না, বলব কোহলি এটি করবে।’
কোহলি ১০০ করতে পারলে খুশি হবেন বলেও জানিয়েছেন লারা। এ জন্য ভারতের সাবেক অধিনায়ককে শুভকামনাও জানিয়েছেন তিনি। আর কোহলির বড় ভক্ত হিসেবে নিজেকে পরিচয় করে দেওয়ার সময় টেস্ট ক্রিকেটের সর্বোচ্চ ৪০০ রানের অপরাজিত ইনিংসের মালিক বলেছেন, ‘আমার শুভকামনা রইল তার জন্য। খুব খুশি যদি সে টেন্ডুলকারের সমান ১০০ সেঞ্চুরি করতে পারে। শচীন আমার প্রিয় বন্ধু। আর যেমনটি আগে বলেছি কোহলির বড় ভক্ত আমি।’
তবে সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি করাটা কোহলির জন্য সহজ নয় বলে জানিয়েছেন লারা। ক্রিকেটের ‘বরপুত্র’ নামে খ্যাত বাঁহাতি ব্যাটার বলেছেন, ‘কোহলির বয়স এখন ৩৫। তার সেঞ্চুরি সংখ্যা ৮০। এখন তার প্রয়োজন ২০ টি। প্রতি বছর ৫টি সেঞ্চুরি করলে টেন্ডুলকারের সমান হবে। এর জন্য তাকে আরও চার বছর খেলতে হবে। কোহলির বয়স তখন ৩৯ হবে। এটা খুবই কঠিন কাজ। আমার মতে, সে আরও রেকর্ড ভাঙবে। কিন্তু ১০০ সেঞ্চুরির রেকর্ড ভাঙা সবচেয়ে কঠিন কাজ।’
কোহলি রেকর্ড ভাঙতে পারবেন কিনা সেটা সময় হলেই জানা যাবে। তবে এই মুহূর্তে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন তিনি। সর্বশেষ বিশ্বকাপেই যেমন রেকর্ড গড়েছেন তিনি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ৭৬৫ রানের রেকর্ড গড়েছেন ‘কিং কোহলি’। ১১ ম্যাচে ৯৫.৬২ গড়ে ব্যাটিং করেছেন। ৬ ফিফটির বিপরীতে হাঁকিয়েছেন ৩ সেঞ্চুরি। অবশ্য দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে টুর্নামেন্টে সেরা হলেও বিশ চ্যাম্পিয়ন হওয়া হয়নি তাঁর।

ডারউইনে প্রথম দিনের সব আলো যেন হাসান মাহমুদই কেড়ে নিলেন। তাঁর আগুনে বোলিংয়ে পুড়ে ছারখার অস্ট্রেলিয়া। গুনে গুনে স্বাগতিকদের ছয় ব্যাটারকে ড্রেসিংরুমের পথ দেখিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এই পেসার। তবু একটা উইকেট হাসানের কাছে ‘বেশি স্পেশাল’।
২ ঘণ্টা আগে
গতি, সুইং, বাউন্স—প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে যা যা দরকার, ডারউইনে আজ বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে ছিল সবকিছুই। হাসান মাহমুদ, ইবাদত হোসেন চৌধুরী, তাসকিন আহমেদদের আগুনে বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে গেছে ২০০-এর আগেই। বিধ্বংসী বোলিংয়ে দুই বছর আগের স্মৃতি ফেরাল বাংলাদেশ।
৩ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় এমন একটা দিন বাংলাদেশ কাটাবে, তা কজনে কল্পনা করতে পেরেছিলেন? কদিন আগে এই বাংলাদেশ ইনিংসে হেরেছে জিম্বাবুয়ের কাছে। তার ওপর ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাঠে বাংলাদেশের যে দল টেস্ট খেলেছে, সেই দলের কোনো ক্রিকেটারেরই ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি। আজ ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্র
৪ ঘণ্টা আগে
ঘরের মাঠের চেয়ে বিদেশের মাঠেই বেশি সাবলীল হাসান মাহমুদ। পেস, সুইংয়ে ব্যাটারদের কাবু করেন নিয়মিতই। অস্ট্রেলিয়ায় এবার প্রথমবার টেস্ট খেলতে নেমেই আগুন ঝড়াচ্ছেন হাসান। ছুঁয়ে ফেলেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজার রেকর্ড। হাসানের সামনে এখন কেবল শাহাদাত হোসেন রাজীব ও তাসকিন আহমেদ।
৫ ঘণ্টা আগে