
সাকিব আল হাসান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরবেন কি ফিরবেন না, এই আলোচনা গত ১৬ মাস ধরে। মাঝেমধ্যে তাঁর ফেরার গুঞ্জন ওঠে। আবার মুহূর্তেই সেটা মিলিয়ে যায়। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্মকর্তারাও বেশির ভাগ সময় সাকিবের ফেরার ব্যাপার ছেড়ে দেন নির্বাচক প্যানেলের হাতে। বিসিবির হেড অব প্রোগ্রাম মিনহাজুল আবেদীন নান্নুও তা-ই মনে করেন।
ক্রিকেটার সাকিবের চেয়ে রাজনীতিবিদ সাকিব পরিচয়টা বড় হয়ে ওঠার কারণেই তাঁর দেশের হয়ে পুনরায় খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। শুধু তা-ই নয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তো দূরে থাক, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল), ঢাকা প্রিমিয়ার লিগেও (ডিপিএল) খেলতে পারেননি তিনি। দেশে ফিরে ক্রিকেটকে বিদায় বলার কথা অনেকবার বলেছেন ঠিকই। কিন্তু দেশেই যে তিনি ফিরতে পারছেন না। এ ছাড়া বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডারের নামে অনেক মামলা রয়েছে।
১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। জাতীয় নির্বাচন শেষে আজ নান্নু যখন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছেন, তখন তাঁর কাছে এসেছে সাকিবের দেশে ফেরার প্রসঙ্গ। বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডারের প্রসঙ্গে নান্নু বলেন, ‘সাকিব বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার। এই জায়গায় দাঁড়িয়ে এটা বলা মুশকিল যে বাংলাদেশ দলে কখন খেলবে। এটা নির্বাচক প্যানেল ও টিম ম্যানেজমেন্ট ঠিক করবে। তার ফিটনেসের কী অবস্থা ও সে কী অবস্থার মধ্যে আছে, তারা (নির্বাচক প্যানেল ও টিম ম্যানেজমেন্ট) সিদ্ধান্ত নেবেন। সুতরাং আগে তো ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতে পারবে কি না, কোথায় কী অবস্থা, এটা নির্বাচক প্যানেল ও টিম ম্যানেজমেন্ট চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।’
২০২৪ সালের অক্টোবরে মিরপুরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলে টেস্টকে বিদায় বলতে চেয়েছিলেন। তৎকালীন দুই উপদেষ্টার সবুজ সংকেত পেয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়ালও দিয়েছিলেন। তবে কাজের কাজ কিছু হয়নি। এ বছরের ২৪ জানুয়ারি বিসিবির বোর্ড সভায় সাকিবের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিএনপি ঢাকা-১৬ আসনের মনোনীত প্রার্থী আমিনুল হক অবশ্য তখন বলেছিলেন, ‘সাকিবের যে সিদ্ধান্ত, সেটা রাষ্ট্র নেবে।’
সাকিব যেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে পারেন, সংসদ নির্বাচনের আগে সে কথা বলেছিলেন আমিনুল। তবে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক গোলরক্ষকের মতে আইনি বিষয়গুলো সমাধান করতে হবে। আমিনুল অবশ্য ঢাকা-১৬ আসন থেকে জিততে পারেননি। আর ২০২৪ সালের অক্টোবরে ভারতের বিপক্ষে কানপুর টেস্টের পর সাকিব বাংলাদেশের হয়ে খেলতে পারেননি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গতকাল ভারতের কাছে পাত্তা পায়নি পাকিস্তান। ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচটিতে তাদের ৬১ রানে উড়িয়ে দিয়েছে ভারত। পাকিস্তান এভাবে আত্মসমর্পন করায় রীতিমতো হতাশ হয়েছেন ভক্তরা। এই ম্যাচের চিত্র দেখে হরভজন সিং মনে করছেন, ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে এখন পার্থক্যটা আকাশ-পাতাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
আগেও যেমনটা হয়েছে, এবারও তাই হয়েছে। বারবার সেই একই পরিণতি পাকিস্তানের। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গতকাল কলম্বোয় ভারতের বিপক্ষে ৬১ রানে হেরেছে তারা। আর এই হারের পর সাবেকরা অনুমিতভাবে তুলোধুনো করা শুরু করেছে তাদের।
২ ঘণ্টা আগে
থাইল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের জন্য বাংলাদেশ ‘এ’ সামনে লক্ষ্যটা ছিল হাতের নাগালেই–১০৪ রানের। এই রান তাড়া করতে নেমে জয়ের পথটা কঠিন করে তুলেছিল ফাহিমা খাতুনের দল। শেষ পর্যন্ত মেয়েদের এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসের ম্যাচটিতে ৩ উইকেটের নাটকীয় জয় তুলে নিয়েছে তারা।
৩ ঘণ্টা আগে
দলে একের পর এক চোটের হানা। অধিনায়ক মিচেল মার্শ তো অণ্ডকোষে চোট পাওয়ার কারণে এখন পর্যন্ত এক ম্যাচও খেলতে পারেননি। অস্ট্রেলিয়া অবশ্য দুই ম্যাচ খেলে ফেলেছে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হার তাঁদের ফেলে দিয়েছে খাদের কিনারায়। সুপার এইটে যাওয়া নির্ভর করছে অনেক যদি-কিন্তুর ওপর।
৩ ঘণ্টা আগে