
২০২৩ এশিয়া কাপ নিয়ে যে জল ঘোলা হচ্ছিল, তার সমাধান হয়েছে গত সপ্তাহেই। ভেন্যু নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের দ্বন্দ্বের সমস্যা দূর করেছে এশিয়া ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি)। তবু ভারতের প্রতি জাভেদ মিয়াঁদাদ এখনো অসন্তুষ্ট।
এবারের এশিয়া কাপ হওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানে। কিন্তু নিরাপত্তাসংক্রান্ত জটিলতায় পাকিস্তানে খেলতে রাজি হয় না ভারত। তখনই মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। এরপর বিকল্প পরিকল্পনা হিসেবে হাইব্রিড মডেলের প্রস্তাব দেয় পিসিবি। এই হাইব্রিড মডেলের প্রস্তাবেও ভারত সহজে সাড়া দেয়নি। তারপর গত বৃহস্পতিবার পিসিবির প্রস্তাবিত হাইব্রিড মডেলের ভিত্তিতে এসিসি জানিয়েছে, আয়োজক হিসেবে থাকবে পাকিস্তান এবং নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে শ্রীলঙ্কার নাম বলা হয়েছে। তা ছাড়া আইসিসির খসড়া সূচি অনুযায়ী ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হবে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। এই ভেন্যুতে খেলতে আপত্তি জানিয়েছিল পিসিবি। মাঠের বাইরের লড়াইয়ে ভারতের ‘জয়’ যেন মেনে নিতে পারছেন না মিয়াদাঁদ। ভারতে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলার পক্ষে নন পাকিস্তানের কিংবদন্তি এই ক্রিকেটার, ‘যদি আমি সিদ্ধান্ত নিতে পারতাম, সহজেই প্রত্যাখ্যান করতাম। ভারতে গিয়ে পাকিস্তান দল ২০১২ ও ২০১৬ তে খেলেছে। এখন তো ভারতের এসে পাকিস্তানে ক্রিকেট খেলা উচিত।’
২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের ওপর হামলার পর ভেন্যু হিসেবে পাকিস্তান একরকম নির্বাসিত হয়ে পড়ে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি বদলাতে থাকে। ২০১৯ থেকে পাকিস্তানে নিয়মিত দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হচ্ছে। ভারত ছাড়া টেস্ট খেলুড়ে সব দলই পাকিস্তানে গিয়ে খেলেছে। ২০২২ ও ২০২৩ পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) পাকিস্তানে বেশ জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন করা হয়েছে। এ কথাই যেন ভারতে মনে করিয়ে দিলেন মিয়াঁদাদ, ‘আমাদের ক্রিকেট তাদের চেয়ে অনেক ভালো। প্রচুর টাকা-পয়সা ও মাঠ আমাদের আছে। আমরা কিছু প্রতিভাবান ক্রিকেটার তৈরি করছি, বিশ্বে যাদের খ্যাতি রয়েছে। মনে করি না ওখানে (ভারত) না গেলে এমন কিছু হবে।’

২০২৩ এশিয়া কাপ নিয়ে যে জল ঘোলা হচ্ছিল, তার সমাধান হয়েছে গত সপ্তাহেই। ভেন্যু নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের দ্বন্দ্বের সমস্যা দূর করেছে এশিয়া ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি)। তবু ভারতের প্রতি জাভেদ মিয়াঁদাদ এখনো অসন্তুষ্ট।
এবারের এশিয়া কাপ হওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানে। কিন্তু নিরাপত্তাসংক্রান্ত জটিলতায় পাকিস্তানে খেলতে রাজি হয় না ভারত। তখনই মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। এরপর বিকল্প পরিকল্পনা হিসেবে হাইব্রিড মডেলের প্রস্তাব দেয় পিসিবি। এই হাইব্রিড মডেলের প্রস্তাবেও ভারত সহজে সাড়া দেয়নি। তারপর গত বৃহস্পতিবার পিসিবির প্রস্তাবিত হাইব্রিড মডেলের ভিত্তিতে এসিসি জানিয়েছে, আয়োজক হিসেবে থাকবে পাকিস্তান এবং নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে শ্রীলঙ্কার নাম বলা হয়েছে। তা ছাড়া আইসিসির খসড়া সূচি অনুযায়ী ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হবে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। এই ভেন্যুতে খেলতে আপত্তি জানিয়েছিল পিসিবি। মাঠের বাইরের লড়াইয়ে ভারতের ‘জয়’ যেন মেনে নিতে পারছেন না মিয়াদাঁদ। ভারতে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলার পক্ষে নন পাকিস্তানের কিংবদন্তি এই ক্রিকেটার, ‘যদি আমি সিদ্ধান্ত নিতে পারতাম, সহজেই প্রত্যাখ্যান করতাম। ভারতে গিয়ে পাকিস্তান দল ২০১২ ও ২০১৬ তে খেলেছে। এখন তো ভারতের এসে পাকিস্তানে ক্রিকেট খেলা উচিত।’
২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের ওপর হামলার পর ভেন্যু হিসেবে পাকিস্তান একরকম নির্বাসিত হয়ে পড়ে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি বদলাতে থাকে। ২০১৯ থেকে পাকিস্তানে নিয়মিত দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হচ্ছে। ভারত ছাড়া টেস্ট খেলুড়ে সব দলই পাকিস্তানে গিয়ে খেলেছে। ২০২২ ও ২০২৩ পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) পাকিস্তানে বেশ জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন করা হয়েছে। এ কথাই যেন ভারতে মনে করিয়ে দিলেন মিয়াঁদাদ, ‘আমাদের ক্রিকেট তাদের চেয়ে অনেক ভালো। প্রচুর টাকা-পয়সা ও মাঠ আমাদের আছে। আমরা কিছু প্রতিভাবান ক্রিকেটার তৈরি করছি, বিশ্বে যাদের খ্যাতি রয়েছে। মনে করি না ওখানে (ভারত) না গেলে এমন কিছু হবে।’

ইএসপিএনক্রিকইনফোসহ ভারতের আরও বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, টি-টোয়েন্ট বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) ডেডলাইন ঠিক করে দিয়েছে আইসিসি। তবে বিষয়টির সত্যতা নেই বলে জানিয়েছেন বিসিবির বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজ আর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) চলছে একই সমান্তরালে। ওয়ানডে সিরিজ শেষে দুই দল এবার মুখোমুখি হবে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে। তবে জিমি নিশামের কাছে ভারত সিরিজের চেয়ে বিপিএলের গুরুত্ব বেশি।
৪ ঘণ্টা আগে
নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে কোনোভাবেই ভারতে দল পাঠাবে না সংস্থাটি। শেষ পর্যন্ত বিসিবি নিজেদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসলে আইসিসিও বিকল্প ভেবে রেখেছে। আইসিসির সূত্রের বরাত দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে এএফপি।
৫ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। যদি বাংলাদেশ না খেলে, সেক্ষেত্রে পাকিস্তানও বিশ্বকাপে খেলবে না বলে গতকাল পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তাতে সালমান আলী আগা-ফাহিম আশরাফদের বিশ্বকাপ বয়কট
৬ ঘণ্টা আগে