করাচিতে পাকিস্তান-ইংল্যান্ড তৃতীয় টেস্টে ব্যাটিং-বোলিংয়ের দারুণ এক লড়াই চলছে। ব্যাটাররা যেমন রান করছেন, বোলাররাও তেমনি উইকেট নিচ্ছেন সমান তালে। ২৯ রানে পিছিয়ে থেকে আজ দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে পাকিস্তান।
১ উইকেটে ৭ রানে থেকে আজ দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করেছিল ইংল্যান্ড। যেখানে শূন্য রানেই প্রথম উইকেট হারিয়েছিল ইংলিশরা। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে ৫৮ রানের জুটি গড়েন ওলি পোপ ও বেন ডাকেট। ২৬ রান করা ডাকেটের উইকেট নিয়ে জুটি ভাঙেন নোমান আলি। ডাকেটকে ফেরানোর পরের বলেই জো রুটকে ফেরান নোমান। ডাকেট, রুট দ্রুত ফিরলেও নিজের মত খেলছিলেন পোপ। সাদা পোশাকে ১১ তম ফিফটির দেখা পেয়েছেন পোপ। ৫১ রান করে আবরার আহমেদের বলে বোল্ড হন ইংলিশ এই ব্যাটার।
৯৮ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর উইকেটে আসেন বেন স্টোকস। ২৬ রান করে রান আউটে কাটা পড়েন ইংলিশ অধিনায়ক। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে প্রতিরোধ গড়েন হ্যারি ব্রুক ও বেন ফোকস। ব্রুক-ফোকস গড়েন ১১৭ রানের জুটি। টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন ব্রুক। ১১১ রান করেছেন ব্রুক, যা ইংল্যান্ডের ইনিংসের সর্বোচ্চ স্কোর। সেঞ্চুরি করা এই ইংলিশ ব্যাটারকে ফিরিয়েছেন সাদা পোশাকে অভিষেক হওয়া মোহাম্মদ ওয়াসিম। তাতে ইংল্যান্ডের স্কোর দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ২৬২ রান। শেষ পর্যন্ত ৩৫৪ রানে অলআউট হয় ইংলিশরা। পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যে ৪টি করে উইকেট নিয়েছেন নোমান ও আবরার।
৫০ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসের খেলা শুরু করে পাকিস্তান। বিনা উইকেটে ২১ রানে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করে স্বাগতিকেরা। আব্দুল্লাহ শফিক অপরাজিত আছেন ১৪ রান করে এবং শান মাসুদ ৩ রানে অপরাজিত আছেন।

বিশ্বকাপ আর ব্রাজিলের সম্পর্কটা যেন এক চিরন্তন রোমাঞ্চের গল্প। ১৯৩০ সালে টুর্নামেন্টের সূচনা থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিটি আসরে অংশ নেওয়া একমাত্র দল তারা। পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের নামের ভারটাই আলাদা। কিন্তু ২০০২ সালের পর থেকে সোনালি ট্রফিটা সেলেসাওদের জন্য কেবলই এক মরীচিকা হয়ে আছে। দীর্ঘ ২৪ বছরের সে
৩০ মিনিট আগে
নিউইয়র্কের ফ্লাশিং মিডোস। নামটা শুনলেই সবার আগে আসবে ইউএস ওপেন। ইউএস ওপেনের ভেন্যুই তো এটি। সেই টেনিস ভেন্যুতে কিনা প্রথমবারের মতো পা রাখা জোকোভিচ-আলকারাজদের কোনো দ্বৈরথ দেখতে নয়; বিখ্যাত টেনিস কোর্টে প্রথমবারের মতো আসা ফুটবল উপলক্ষে।
১ ঘণ্টা আগে
চাপের মুখে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে কিছুটা দার্শনিক ঢঙে ভয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন আনচেলত্তি। তিনি বলেন, ‘ভয় জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, এটি জীবন বাঁচায়। আপনার মনে যদি ভয় না থাকে, তবে সিংহকেও বিড়ালের মতো মনে হতে পারে। ম্যাচ নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ থাকা ভালো, এতে দল নিজের সেরাটা উজাড় করে দিতে পারে।’
৫ ঘণ্টা আগে
কোচের এই সাহসী সিদ্ধান্ত ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেয় মাত্র ১২১ সেকেন্ডের মধ্যে। ৭৮ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে ইসমায়েল কোনের চমৎকার এক পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বসনিয়ান ডিফেন্ডারকে বোকা বানান লারিন। এরপর ডান পায়ের নিখুঁত ভলিতে বল জড়িয়ে দেন বসনিয়ার জালে।
৫ ঘণ্টা আগে