নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আজ বাদে কাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন। গত এক সপ্তাহে ২০ জন পরিচালক প্রার্থীর একে একে মনোনয়ন প্রত্যাহার ও সরে দাঁড়ানোয় নির্বাচন নিয়ে তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা। হাইকোর্ট থেকে স্থগিতাদেশ এলে নির্বাচন আটকে যেতে পারে, এমন শঙ্কাও ছিল। আজ চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের আদেশে কেটে যায় সেই শঙ্কা।
হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চে বিসিবির কাউন্সিলর মনোনয়ন সংক্রান্ত দুটি মামলার শুনানি হয়। প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে বিসিবির আইনজীবী ও ক্লাব সংগঠকদের আইনজীবীদের মধ্যে যুক্তিতর্ক চলে। এরপর আদালত নির্বাচন প্রক্রিয়া চালু রাখার পক্ষে রায় দেন। বিশেষ করে ১৫ ক্লাবের কাউন্সিলরশিপ নিয়ে করা রিটে আদালত তাদের ভোটাধিকার বহাল রাখার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে মামলাটি হাইকোর্ট বিভাগে পাঠানো হয়েছে, যেখানে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে।
শুনানি শেষে রিট আবেদনকারীদের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘বিসিবির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল গত ১ সেপ্টেম্বর একটি চিঠি দিয়ে নতুন কাউন্সিলর মনোনয়ন চেয়েছিলেন। এ নিয়ে বিতর্ক দেখা দিলে আমরা ২২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রিট করি। তখন আদালত আমাদের পক্ষে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। তবে ওই সময় সরকারি পক্ষ থেকে আপিল বিভাগে যেতে না পারায় তা বহাল থাকে। পরে জানা যায়, সরকারের পক্ষ থেকে চেম্বার জজ আদালতে গিয়ে সেই আদেশ স্থগিত করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এরই মধ্যে সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ আলাদা রিট পিটিশন করেন, যেখানে তিনি ১৫টি ক্লাবের কাউন্সিলরশিপ বাতিল চেয়েছিলেন। যদিও শুরুতে নির্বাচন কমিশন তাদের বাদ দিয়েছিল, কিন্তু পরে বোর্ডের অনুমোদনে আবার যুক্ত করা হয়। দুদকের একটি অভিযানের প্রেক্ষিতে এই বাদ দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ।’
২৩ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ১৫ ক্লাবকেই যুক্ত করে। এরপর ফারুক আহমেদ হাইকোর্টে রিট করলে ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট অবকাশকালীন বেঞ্চ তাদের অন্তর্ভুক্তি স্থগিত করে। আজ সেই স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি হয়। দুই মামলাই একসঙ্গে শুনানি শেষে চেম্বার বিচারপতি আদেশ দিয়েছেন—১৫ ক্লাবের কাউন্সিলরশিপ বহাল থাকবে। ২২ সেপ্টেম্বর চেম্বার আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন। এই স্থগিতাদেশ চলমান থাকবে উল্লেখ করে হাইকোর্টে এ-সংক্রান্ত রুল শুনানির জন্য পাঠানোর কথা বলেছেন চেম্বার আদালত।

আজ বাদে কাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন। গত এক সপ্তাহে ২০ জন পরিচালক প্রার্থীর একে একে মনোনয়ন প্রত্যাহার ও সরে দাঁড়ানোয় নির্বাচন নিয়ে তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা। হাইকোর্ট থেকে স্থগিতাদেশ এলে নির্বাচন আটকে যেতে পারে, এমন শঙ্কাও ছিল। আজ চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের আদেশে কেটে যায় সেই শঙ্কা।
হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চে বিসিবির কাউন্সিলর মনোনয়ন সংক্রান্ত দুটি মামলার শুনানি হয়। প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে বিসিবির আইনজীবী ও ক্লাব সংগঠকদের আইনজীবীদের মধ্যে যুক্তিতর্ক চলে। এরপর আদালত নির্বাচন প্রক্রিয়া চালু রাখার পক্ষে রায় দেন। বিশেষ করে ১৫ ক্লাবের কাউন্সিলরশিপ নিয়ে করা রিটে আদালত তাদের ভোটাধিকার বহাল রাখার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে মামলাটি হাইকোর্ট বিভাগে পাঠানো হয়েছে, যেখানে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে।
শুনানি শেষে রিট আবেদনকারীদের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘বিসিবির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল গত ১ সেপ্টেম্বর একটি চিঠি দিয়ে নতুন কাউন্সিলর মনোনয়ন চেয়েছিলেন। এ নিয়ে বিতর্ক দেখা দিলে আমরা ২২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রিট করি। তখন আদালত আমাদের পক্ষে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। তবে ওই সময় সরকারি পক্ষ থেকে আপিল বিভাগে যেতে না পারায় তা বহাল থাকে। পরে জানা যায়, সরকারের পক্ষ থেকে চেম্বার জজ আদালতে গিয়ে সেই আদেশ স্থগিত করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এরই মধ্যে সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ আলাদা রিট পিটিশন করেন, যেখানে তিনি ১৫টি ক্লাবের কাউন্সিলরশিপ বাতিল চেয়েছিলেন। যদিও শুরুতে নির্বাচন কমিশন তাদের বাদ দিয়েছিল, কিন্তু পরে বোর্ডের অনুমোদনে আবার যুক্ত করা হয়। দুদকের একটি অভিযানের প্রেক্ষিতে এই বাদ দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ।’
২৩ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ১৫ ক্লাবকেই যুক্ত করে। এরপর ফারুক আহমেদ হাইকোর্টে রিট করলে ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট অবকাশকালীন বেঞ্চ তাদের অন্তর্ভুক্তি স্থগিত করে। আজ সেই স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি হয়। দুই মামলাই একসঙ্গে শুনানি শেষে চেম্বার বিচারপতি আদেশ দিয়েছেন—১৫ ক্লাবের কাউন্সিলরশিপ বহাল থাকবে। ২২ সেপ্টেম্বর চেম্বার আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন। এই স্থগিতাদেশ চলমান থাকবে উল্লেখ করে হাইকোর্টে এ-সংক্রান্ত রুল শুনানির জন্য পাঠানোর কথা বলেছেন চেম্বার আদালত।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) এম নাজমুল ইসলামের বিতর্কিত মন্তব্যের পর ঝড় উঠেছে দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে। পরশু নাজমুলের সংবাদমাধ্যমকে বলা কথা ছড়িয়ে পড়লে ক্রিকেটারদের কল্যাণে কাজ করা সংগঠন কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন তাঁর (নাজমুল) পদত্যাগের দাবিতে ক্রিকেট খেলা বন্ধ রাখার হুমকি দিয়েছিলেন। সেদিন যা ঘোষণ
১৪ মিনিট আগে
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠুর ওপর দিয়ে কী ঝড় বয়ে যাচ্ছে, সেটা তিনিই ভালো যাচ্ছেন। পরশু রাতে ক্রিকেটারদের সংগঠনে কাজ করা কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন যখন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ক্রিকেট বন্ধ রাখার হুমকি দিয়েছিলেন, সেদিন রাতেই মিঠু ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকে
৪৪ মিনিট আগে
বছরের শুরুতে দেশের ক্রিকেটে টালমাটাল অবস্থা এমন কবে দেখা গেছে, সেটা জানতে অনেকে নিশ্চয়ই গুগল করা শুরু করেছেন। মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তো রয়েছেই। পাশাপাশি যোগ হয়েছে মোহাম্মদ মিঠুন-মেহেদী হাসান মিরাজদের সাময়িক খেলা স্থগিত।
১ ঘণ্টা আগে
দেশের ক্রিকেটে ক্রিকেটারদের ধর্মঘট আগেও দেখা গেছে। তবে এবার যেন ছাড়িয়ে গেল অতীতের সবকিছু। আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্ট বিপিএলের ম্যাচ হয়নি ক্রিকেটারদের বয়কটের সিদ্ধান্তে।
৮ ঘণ্টা আগে