ক্রীড়া ডেস্ক

২০৪ রানের লক্ষ্যে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজের হাতে গতকাল তৃতীয় দিনের আরও দুই সেশন বাকি ছিল। চতুর্থ ও পঞ্চম দিনের হিসেব করলে ২০০-এর বেশি ওভার খেলতে পারত উইন্ডিজ। কিন্তু জ্যামাইকায় গোলাপি বলের টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার আগুনে বোলিংয়ে ১৪.৩ বলে ২৭ রানে অলআউট হয়েছে। উইন্ডিজের দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৮৭ বল খেলা হলেও হয়েছে একের পর এক রেকর্ড। চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক কী কী রেকর্ড হলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে—
ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্টে সর্বনিম্ন
নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে সবচেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার বাজে রেকর্ড গড়ল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিবীয়দের এর আগে বিব্রতকর রেকর্ডটি ছিল ২০০৪ সালে। জ্যামাইকার স্যাবাইনা পার্কে উইন্ডিজকে ৪৭ রানে অলআউট করেছিল ইংল্যান্ড।
ঘরের মাঠে টেস্টে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন
টেস্ট ইতিহাসে সবচেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার বাজে রেকর্ডটি ৭০ বছর ধরে নিউজিল্যান্ডেরই রয়েছে। ১৯৫৫ সালে কিউইরা ২৬ রানে অলআউট হয়েছিল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ৭০ বছর আগের সেই ম্যাচটি হয়েছিল অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে। এই তালিকায় দুইয়ে এখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কাকতালীয়ভাবে ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে সবচেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার বাজে দুটি রেকর্ডই হয়েছে ঘরের মাঠে।
দ্রুততম ৫ উইকেট
পঞ্চম ওভারের তৃতীয় বলে শাই হোপকে ফিরিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে এক ইনিংসে ১৬ বারের মতো ৫ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়লেন মিচেল স্টার্ক। ১৫ বলে ৫ উইকেট নিয়ে টেস্টে দ্রুততম ৫ উইকেট নেওয়ার কীর্তি এখন স্টার্কের। এই তালিকায় যৌথভাবে দুইয়ে আছেন তিনি বোলার। ১৯ বলে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার আর্নি টোশ্যাক (১৯৪৭), ইংল্যান্ডের স্টুয়ার্ট ব্রড (২০১৫) ও অস্ট্রেলিয়ার স্কট বোল্যান্ড (২০২১)।
শততম টেস্টে সেরা বোলিং
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৭.৩ ওভারে ৯ রানে ৬ উইকেট নিয়েছেন স্টার্ক। তাঁর টেস্ট ক্যারিয়ারের সেরা তো বটেই। শততম টেস্টে সেরা বোলিংয়ের কীর্তিটা এখন হয়ে গেল অস্ট্রেলিয়ার এই বাঁহাতি পেসারের। এর আগে এই কীর্তি ছিল মুত্তিয়া মুরালিধরনের। ২০০৬ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে নিজের শততম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৪ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন মুরালিধরন।
হ্যাটট্রিক
২০১০ সালে অস্ট্রেলিয়ার সবশেষ বোলার হিসেবে টেস্টে হ্যাটট্রিক করেছিলেন পিটার সিডল। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রিসবেনে সিডলের সেই কীর্তির ১৫ বছর পর গত রাতে দশম অজি বোলার হিসেবে টেস্টে হ্যাটট্রিক করেছেন স্কট বোল্যান্ড।

২০৪ রানের লক্ষ্যে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজের হাতে গতকাল তৃতীয় দিনের আরও দুই সেশন বাকি ছিল। চতুর্থ ও পঞ্চম দিনের হিসেব করলে ২০০-এর বেশি ওভার খেলতে পারত উইন্ডিজ। কিন্তু জ্যামাইকায় গোলাপি বলের টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার আগুনে বোলিংয়ে ১৪.৩ বলে ২৭ রানে অলআউট হয়েছে। উইন্ডিজের দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৮৭ বল খেলা হলেও হয়েছে একের পর এক রেকর্ড। চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক কী কী রেকর্ড হলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে—
ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্টে সর্বনিম্ন
নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে সবচেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার বাজে রেকর্ড গড়ল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিবীয়দের এর আগে বিব্রতকর রেকর্ডটি ছিল ২০০৪ সালে। জ্যামাইকার স্যাবাইনা পার্কে উইন্ডিজকে ৪৭ রানে অলআউট করেছিল ইংল্যান্ড।
ঘরের মাঠে টেস্টে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন
টেস্ট ইতিহাসে সবচেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার বাজে রেকর্ডটি ৭০ বছর ধরে নিউজিল্যান্ডেরই রয়েছে। ১৯৫৫ সালে কিউইরা ২৬ রানে অলআউট হয়েছিল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ৭০ বছর আগের সেই ম্যাচটি হয়েছিল অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে। এই তালিকায় দুইয়ে এখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কাকতালীয়ভাবে ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে সবচেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার বাজে দুটি রেকর্ডই হয়েছে ঘরের মাঠে।
দ্রুততম ৫ উইকেট
পঞ্চম ওভারের তৃতীয় বলে শাই হোপকে ফিরিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে এক ইনিংসে ১৬ বারের মতো ৫ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়লেন মিচেল স্টার্ক। ১৫ বলে ৫ উইকেট নিয়ে টেস্টে দ্রুততম ৫ উইকেট নেওয়ার কীর্তি এখন স্টার্কের। এই তালিকায় যৌথভাবে দুইয়ে আছেন তিনি বোলার। ১৯ বলে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার আর্নি টোশ্যাক (১৯৪৭), ইংল্যান্ডের স্টুয়ার্ট ব্রড (২০১৫) ও অস্ট্রেলিয়ার স্কট বোল্যান্ড (২০২১)।
শততম টেস্টে সেরা বোলিং
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৭.৩ ওভারে ৯ রানে ৬ উইকেট নিয়েছেন স্টার্ক। তাঁর টেস্ট ক্যারিয়ারের সেরা তো বটেই। শততম টেস্টে সেরা বোলিংয়ের কীর্তিটা এখন হয়ে গেল অস্ট্রেলিয়ার এই বাঁহাতি পেসারের। এর আগে এই কীর্তি ছিল মুত্তিয়া মুরালিধরনের। ২০০৬ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে নিজের শততম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৪ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন মুরালিধরন।
হ্যাটট্রিক
২০১০ সালে অস্ট্রেলিয়ার সবশেষ বোলার হিসেবে টেস্টে হ্যাটট্রিক করেছিলেন পিটার সিডল। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রিসবেনে সিডলের সেই কীর্তির ১৫ বছর পর গত রাতে দশম অজি বোলার হিসেবে টেস্টে হ্যাটট্রিক করেছেন স্কট বোল্যান্ড।

মোস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল থেকে বাদ পড়ার বিষয়টি এখন শুধুই আর দুই ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বল গড়িয়েছে রাষ্ট্রের কোর্টে। বাংলাদেশ সরকারের অন্তত তিনজন উপদেষ্টা এ বিষয়ে গত দুই দিনে এ নিয়ে কথা বলেছেন। ক্রীড়া উপদেষ্টার নির্দেশে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) গতকাল আইসিসিকে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়ে
৬ ঘণ্টা আগে
ঘটনার সূত্রপাত ম্যাচের ২১ মিনিটে। মনিকা চাকমাকে পেছন থেকে ফেলে দেন সাবিত্রি ত্রিপুরা। রেফারি অবশ্য ফাউলের বাঁশি বাজাননি। তবে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন মনিকা।
১০ ঘণ্টা আগে
শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১০ রান দরকার ছিল ঢাকা ক্যাপিটালসের। জয়ের জন্য মোস্তাফিজুর রহমান ছাড়া আর কেইবা বড় ভরসা হতে পারত রংপুর রাইডার্সের। বাঁহাতি এই পেসারের আইপিএলে বাদ পড়া নিয়ে বর্তমানে উত্তাল দেশের ক্রিকেট। মাঠের বাইরের ঘটনা অবশ্য মাঠের ভেতর প্রভাব পড়তে দেননি। একইসঙ্গে নিরাশ করেননি রংপুরকে।
১০ ঘণ্টা আগে
মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সমর্থকেরা। সেই আলোচনা গড়িয়েছে সরকারের টেবিলেও। বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার বন্ধের উদ্যোগ নিতে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টাকে অনুরোধ করেছেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।
১৩ ঘণ্টা আগে