
রিকি পন্টিং আগেই বলতেন শচীন টেন্ডুলকারকে ছাড়িয়ে যেতে পারেন জো রুট। ওল্ড ট্রাফোর্ডে রুটের আরেকটি সেঞ্চুরির পর অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়কের সে বিশ্বাস আরও পোক্ত হয়েছে। ছাড়িয়ে ‘যেতে পারেন’ নয়, এখন রিকি পন্টিং বলছেন, ছাড়িয়ে যাবেন! পন্টিংয়ের ভাষায়, ‘গত চার-পাঁচ বছরে তাঁর ক্যারিয়ারের যে ধারা, তাতে কোনো তাঁর টেস্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক না হওয়ার কোনো কারণ নেই।’
ভারতের বিপক্ষে চলতি ওল্ড ট্রাফোর্ড টেস্টে রুট গতকাল ১৫০ রানের ইনিংস খেলেন। এই ইনিংসের সুবাদে ভারতের রাহুল দ্রাবিড় (১৩২৮৮), দক্ষিণ আফ্রিকার জ্যাক ক্যালিস (১৩২৮৯) ও রিকি পন্টিংকে (১৩৩৭৮) ছাড়িয়ে টেস্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়ে গেছেন জো রুট। টেস্টে এখন ইংলিশ এই ব্যাটারের রান—১৩৪০৯। তাঁর সামনে এখন শুধুই টেন্ডুলকার। ভারতীয় এই ব্যাটিং কিংবদন্তির টেস্ট রান ১৫৯২১। তাঁকে ছাড়িয়ে যেতে আরও আড়াই হাজার মতো রানের দরকার রুটে। রিকি পন্টিংয়ের বাজি—ঠিকই একদিন টেস্টের রান চূড়ায় উঠবেন রুট। স্কাই স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পন্টিং বললেন, ‘এখন তাঁর সামনে শুধুই টেন্ডুলকার। তাঁর চেয়ে আড়াই হাজার রান দূরে। তবে যেভাবে সে (রুট) রান করে যাচ্ছে, তাতে তাঁর এক নম্বরে না আসার কোনো কারণ দেখি না।’
বয়স ৩৪ হলেও জো রুট মানসিকভাবে অনেক শক্তিশালী বলে মনে করেন পন্টিং। রুটের আছে প্রচণ্ড রানক্ষুধা। পন্টিংয়ের ভাষায়, ‘তাঁর মধ্যে এখনো সেই (রান) ক্ষুধা আছে। আছে নিরন্তর উন্নতি করে নিজেকে এগিয়ে নেওয়ার ইচ্ছাশক্তি।’ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ইচ্ছাশক্তি অন্যদের বেলায় কমে এলেও রুটের ক্ষেত্রে ঘটছে উল্টোটা।
গত বছর সেপ্টেম্বরে আইসিসির রিভিউ অনুষ্ঠানে রুটকে নিয়ে পন্টিং বলেছিলেন, রুট যদি বছরে ১০ থেকে ১৪টি টেস্ট খেলেন আর ৮০০ থেকে ১০০০ রান করেন তাহলে কয়েক বছরের মধ্যেই টেন্ডুলকারকে ছাড়িয়ে যাবেন তিনি।
ওল্ড ট্রাফোর্ডে সেঞ্চুরির মধ্যে দিয়ে স্টিভেন স্মিথকে (১১) ছাড়িয়ে টেস্টে ভারতের বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির রেকর্ডও গড়েছেন। ভারতের বিপক্ষে রুটের সেঞ্চুরি সংখ্যা এখন ১২। যার ৯টিই ঘরের মাঠে। এতে ঘরের মাঠে কোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির রেকর্ডে রুট ছাড়িয়ে যান স্যার ডন ব্র্যাডম্যানকেও। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দেশে আটটি সেঞ্চুরি রয়েছে এই কিংবদন্তির।
টেন্ডুলকারকে ছাড়িয়ে যাওয়া নিয়ে পন্টিংয়ের বিশ্বাসের সঙ্গে একমত রুটেরই সতীর্থ ওলি পোপও। ইংলিশ এই ব্যাটার বললেন, ‘রুট ইংল্যান্ডের হয়ে টেস্ট খেলতে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন। তাই তাঁর শরীর যদি সহায়ক হয়, তবে নিশ্চয়ই তিনি রানের চূড়ায় উঠবেন।’

ডারউইনে প্রথম দিনের সব আলো যেন হাসান মাহমুদই কেড়ে নিলেন। তাঁর আগুনে বোলিংয়ে পুড়ে ছারখার অস্ট্রেলিয়া। গুনে গুনে স্বাগতিকদের ছয় ব্যাটারকে ড্রেসিংরুমের পথ দেখিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এই পেসার। তবু একটা উইকেট হাসানের কাছে ‘বেশি স্পেশাল’।
২ ঘণ্টা আগে
গতি, সুইং, বাউন্স—প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে যা যা দরকার, ডারউইনে আজ বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে ছিল সবকিছুই। হাসান মাহমুদ, ইবাদত হোসেন চৌধুরী, তাসকিন আহমেদদের আগুনে বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে গেছে ২০০-এর আগেই। বিধ্বংসী বোলিংয়ে দুই বছর আগের স্মৃতি ফেরাল বাংলাদেশ।
৩ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় এমন একটা দিন বাংলাদেশ কাটাবে, তা কজনে কল্পনা করতে পেরেছিলেন? কদিন আগে এই বাংলাদেশ ইনিংসে হেরেছে জিম্বাবুয়ের কাছে। তার ওপর ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাঠে বাংলাদেশের যে দল টেস্ট খেলেছে, সেই দলের কোনো ক্রিকেটারেরই ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি। আজ ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্র
৪ ঘণ্টা আগে
ঘরের মাঠের চেয়ে বিদেশের মাঠেই বেশি সাবলীল হাসান মাহমুদ। পেস, সুইংয়ে ব্যাটারদের কাবু করেন নিয়মিতই। অস্ট্রেলিয়ায় এবার প্রথমবার টেস্ট খেলতে নেমেই আগুন ঝড়াচ্ছেন হাসান। ছুঁয়ে ফেলেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজার রেকর্ড। হাসানের সামনে এখন কেবল শাহাদাত হোসেন রাজীব ও তাসকিন আহমেদ।
৫ ঘণ্টা আগে