২০২৫ আইপিএল শুরু হতে না হতেই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোতে দেখা যাচ্ছে পরিবর্তন। দলগুলোর কোচিং প্যানেলে রদবদল চলছে নিয়মিত। সেখানে ডেল স্টেইন নতুন মৌসুমের আগে আইপিএল ছেড়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বোলিং কোচের দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা গতকাল মধ্যরাতে দিয়েছেন স্টেইন। নিজের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডলে দক্ষিণ আফ্রিকার এই তারকা পেসার বলেন, ‘সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আইপিএলে কয়েক বছর বোলিং কোচ হিসেবে কাজ করেছি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ২০২৫ আইপিএলে আর ফেরা হচ্ছে না। তবে দক্ষিণ আফ্রিকায় এসএ টোয়েন্টিতে সানরাইজার্স ইস্টার্ন কেপের হয়ে কাজ করব।’
সানরাইজার্স ইস্টার্ন কেপে কোন দায়িত্ব পালন করতে স্টেইন যাচ্ছেন, সেটা অবশ্য জানা যায়নি। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ এসএ টোয়েন্টিতে এই দলটি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন। ২০২৩ সালে শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টের প্রথম দুই আসরে দুটিতেই শিরোপা ঘরে তুলেছে ইস্টার্ন কেপ। টুর্নামেন্টে এবার দলটিকে হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন করার লক্ষ্য স্টেইনের, ‘এসএ টোয়েন্টিতে দুই বার চ্যাম্পিয়ন। এখন টানা তিন বার চ্যাম্পিয়ন করার লক্ষ্য।’
২০২২ আইপিএলের আগে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কোচিং প্যানেলে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। টম মুডি হায়দরাবাদের টিম ডিরেক্টর থেকে প্রধান কোচ হয়ে গিয়েছিলেন ২০২১ সালের ডিসেম্বরে। ব্রায়ান লারাকে স্ট্র্যাটেজিক অ্যাডভাইজর,ব্যাটিং কোচ-দুটি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তখনই বোলিং কোচে নিয়োগ পেয়েছিলেন স্টেইন।
২০২৩ সালে টম মুডির পরিবর্তে হায়দরাবাদের প্রধান কোচের দায়িত্ব নেন লারা। ঠিক সেটার এক বছর পর ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে আইপিএল ছেড়ে চলে যান স্টেইন। ২০২৪ আইপিএলে স্টেইনের পরিবর্তে বোলিং কোচের দায়িত্ব পালন করেন জেমস ফ্র্যাংকলিন। এই আইপিএলের ফাইনালে ওঠে হায়দরাবাদ। তবে চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে এ বছরের ২৬ মে হায়দরাবাদকে ৮ উইকেটে হারিয়ে শিরোপা জেতে কলকাতা নাইট রাইডার্স। আইপিএল ইতিহাসে এটা কলকাতার তৃতীয় শিরোপা। শ্রেয়াস আইয়ারের নেতৃত্বে কলকাতার ফুরিয়েছে ১০ বছরের অপেক্ষা।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৪ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে