
দল বিবেচনায় আগামী জুনে সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপের আসর বসবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে। সব সংস্করণ মিলিয়ে ২০ দলের বিশ্বকাপ আগে কখনো হয়নি। ক্রিকেটকে বিশ্বে ছড়িয়ে দিতেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়েছে আইসিসি।
ইতিমধ্যে সংক্ষিপ্ত সংস্করণের বিশ্বকাপের ক্ষণ গণনাও শুরু হয়েছে। ১০০ দিনের ক্ষণ গণনার দিনেই টিকিট বিক্রিও শুরু হয়েছে। তারও আগে টুর্নামেন্টের লোগো উন্মোচন করা হয়েছে। এবার টুর্নামেন্ট শুরুর বাকি ৫০ দিনের মাথায় থিম সং প্রকাশ করেছে আইসিসি।
গতকাল রাতে থিম সং প্রকাশ করেছে আইসিসি। এবারের টুর্নামেন্টের থিম সংয়ে কণ্ঠ দিয়েছেন গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড জয়ী শন পল এবং সকা সুপারস্টার কেস। সংটি প্রযোজনা করেছেন মাইকেল ‘তানো’ মন্তানো। তিনজনই ক্যারিবিয়ান। জ্যামাইকান শনের বাকি দুই সঙ্গী কেস ও তানো ত্রিনিদাদের।
থিম সংয়ের মাধ্যমে ক্যারিবিয়ান সংস্কৃতিকে বিশ্ববাসীর কাছে উপস্থাপন করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শন। দুই দশক ধরে সংগীতের সঙ্গে থাকা জ্যামাইকান গায়ক বলেছেন,‘ক্রিকেট সব সময় আমাদের সংস্কৃতির অন্যতম অংশ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অফিশিয়াল থিম সং গাইতে পেরে নিজেকে সম্মানিত বোধ করছি। কেসের বড় ভক্ত আমি। গানটিতে ক্যারিবিয়ান সংস্কৃতির চমৎকার এক মেলবন্ধন থাকবে। নাচের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংগীতের আবহ এবং সকা সংগীত তো থাকছেই। মানুষ যখন গাইবে তখন বাস্তবিক অর্থেই ঐক্যের চেতনা অনুভব করবে।’
থিম সংয়ে গাইতে পেরে নিজেকে গর্বিত বলে জানিয়েছেন কেসও। তিনি বলেছেন,‘আমাদের সব সময় লক্ষ্যে বিশ্বকে একই ছাদের নিচে রাখা। তাই ক্রিকেটের সঙ্গে গানের মেলবন্ধন করা হয়েছে। শন পল, তানো এবং পুরো দল মিলে যে সংগীত আবহ তৈরি করা হয়েছে, তা সত্যিই অসাধারণ।’ থিম সংয়ের পুরো ভিডিওটি অবশ্য এখনো প্রকাশ করেনি আইসিসি।

দল বিবেচনায় আগামী জুনে সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপের আসর বসবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে। সব সংস্করণ মিলিয়ে ২০ দলের বিশ্বকাপ আগে কখনো হয়নি। ক্রিকেটকে বিশ্বে ছড়িয়ে দিতেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়েছে আইসিসি।
ইতিমধ্যে সংক্ষিপ্ত সংস্করণের বিশ্বকাপের ক্ষণ গণনাও শুরু হয়েছে। ১০০ দিনের ক্ষণ গণনার দিনেই টিকিট বিক্রিও শুরু হয়েছে। তারও আগে টুর্নামেন্টের লোগো উন্মোচন করা হয়েছে। এবার টুর্নামেন্ট শুরুর বাকি ৫০ দিনের মাথায় থিম সং প্রকাশ করেছে আইসিসি।
গতকাল রাতে থিম সং প্রকাশ করেছে আইসিসি। এবারের টুর্নামেন্টের থিম সংয়ে কণ্ঠ দিয়েছেন গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড জয়ী শন পল এবং সকা সুপারস্টার কেস। সংটি প্রযোজনা করেছেন মাইকেল ‘তানো’ মন্তানো। তিনজনই ক্যারিবিয়ান। জ্যামাইকান শনের বাকি দুই সঙ্গী কেস ও তানো ত্রিনিদাদের।
থিম সংয়ের মাধ্যমে ক্যারিবিয়ান সংস্কৃতিকে বিশ্ববাসীর কাছে উপস্থাপন করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শন। দুই দশক ধরে সংগীতের সঙ্গে থাকা জ্যামাইকান গায়ক বলেছেন,‘ক্রিকেট সব সময় আমাদের সংস্কৃতির অন্যতম অংশ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অফিশিয়াল থিম সং গাইতে পেরে নিজেকে সম্মানিত বোধ করছি। কেসের বড় ভক্ত আমি। গানটিতে ক্যারিবিয়ান সংস্কৃতির চমৎকার এক মেলবন্ধন থাকবে। নাচের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংগীতের আবহ এবং সকা সংগীত তো থাকছেই। মানুষ যখন গাইবে তখন বাস্তবিক অর্থেই ঐক্যের চেতনা অনুভব করবে।’
থিম সংয়ে গাইতে পেরে নিজেকে গর্বিত বলে জানিয়েছেন কেসও। তিনি বলেছেন,‘আমাদের সব সময় লক্ষ্যে বিশ্বকে একই ছাদের নিচে রাখা। তাই ক্রিকেটের সঙ্গে গানের মেলবন্ধন করা হয়েছে। শন পল, তানো এবং পুরো দল মিলে যে সংগীত আবহ তৈরি করা হয়েছে, তা সত্যিই অসাধারণ।’ থিম সংয়ের পুরো ভিডিওটি অবশ্য এখনো প্রকাশ করেনি আইসিসি।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) বড় বা ভালো মানের বিদেশি তারকা ক্রিকেটারের সংকট নতুন কিছু নয়। মঈন আলী, মোহাম্মদ নবি, জিমি নিশাম, আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের মতো হাতে গোনা কয়েকজন বিদেশি তারকা ২০২৬ বিপিএলে থাকলেও তাতে টুর্নামেন্টের জৌলুশ বাড়ছে না। এমনও কিছু কিছু ক্রিকেটার আছেন
১ ঘণ্টা আগে
ক্যারিয়ারের শেষ দিকে এসেও ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে আছেন বিরাট কোহলি। টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট ছেড়ে এখন কেবল ওয়ানডে ক্রিকেট চালিয়ে যাচ্ছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক। এক সংস্করণেই দিয়েই নিয়মিত আসছেন আলোচনায়। সবশেষ খবর, সাড়ে ৪ বছর পর ওয়ানডে ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ফিরেছেন কোহলি।
১ ঘণ্টা আগে
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ট্রফি জিততে চেষ্টার কমতি ছিল না পিএসজির। ক্লাব পর্যায়ে ইউরোপের সেরা হতে লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে, নেইমারদের মতো সেরা তারকাদের দলে ভিড়িয়েছিল প্যারিসিয়ানরা। এজন্য কাতারি মালিকানাধীন দলটিকে ঢালতে হয়েছে কাড়ি কাড়ি টাকা। তবে মেসি, এমবাপ্পে, নেইমারদের মতো ফুটবলারদের অধীনে চ্যাম
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের দিল্লি ও গুয়াহাটিতে তিন দিনের ভ্রমণ শেষে আজ ঢাকায় পৌঁছেছে বিশ্বকাপ ট্রফি। সকালে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে স্বাগত অনুষ্ঠানে কাচঘেরা ট্রফির ওপর কালো কাপড় সরিয়ে উপস্থিত সবাইকে ট্রফি দেখার সুযোগ করে দেন ব্রাজিলের হয়ে ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। সেখানে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল দলের
২ ঘণ্টা আগে