নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা: পাল্লেকেলেতে সিরিজের প্রথম টেস্টে ছিলেন না নাঈম হাসান। কাল বাংলাদেশ দলের অনুশীলনে অবশ্য বেশ ঘাম ঝরিয়েছেন তরুণ এই অফ স্পিনার। বিসিবির পাঠানো ভিডিওতে অন্তত তা–ই দেখা গেল। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে কি তবে ভাগ্য খুলছে নাঈমের?
প্রশ্নটার উত্তর পেতে আরেকটু অপেক্ষা করতে হবে। তবে কাল থেকে শুরু সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে পাল্লেকেলের উইকেট যদি প্রথম টেস্টের মতো না হয়, নাঈমের সুযোগ হতেও পারে। তিন পেসারের জায়গায় বাংলাদেশ খেলতে পারে তিন স্পিনার নিয়ে।
প্রথম টেস্টের পুরো পাঁচ দিন খেলে উইকেট পড়েছে ১৭টি। এর মধ্যে শেষ দিনেই পড়েছে ৭ উইকেট। বোঝাই যাচ্ছে টেস্টের শেষ দিকে এসে দ্রুত রান তুলতে গিয়েই বেশির ভাগ উইকেট পড়েছে। যে ব্যাটিং–সহায়ক উইকেটে খেলেছে দুই দল, কাল থেকে শুরু দ্বিতীয় টেস্টে উইকেটের চরিত্র একই থাকবে কি না, সেটি নিয়ে যথেষ্ট
সংশয় আছে।
অবাক করার বিষয়, সিরিজের প্রথম টেস্টের উইকেট নিয়ে ধন্দে ছিল শ্রীলঙ্কা দল। সেটি লুকাননি শ্রীলঙ্কা টেস্ট অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে। সবুজ উইকেট দেখে তাঁরা নাকি টস জিতে বোলিং নিতে চেয়েছিলেন। অথচ টস জিতে বাংলাদেশ অধিনায়ক মুমিনুল হক নিয়েছেন ব্যাটিং। করুনারত্নে অকপটেই বলেছেন, ‘আমরা উইকেট বুঝতে ভুল করেছি। ভেবেছিলাম এটা পেসারদের সহায়তা করবে। এ কারণে আমরা বোলিং করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু উইকেট এমন ছিল না।’
নিজেদের উইকেট চিনতে পারছে না স্বাগতিকেরা, বিষয়টা অবাক করার মতোই! পাল্লেকেলের কিউরেটরের ওপর দিয়ে গত কদিনে কী চাপটা গেছে, দূর থেকেই অনুমান করা সম্ভব! সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে নিশ্চয়ই প্রথম টেস্টের ভুলটা করতে চান না করুনারত্নেরা। এবার উইকেট বুঝেই তাঁরা একাদশ সাজাতে চান। আর সে কারণেই টেস্ট দলে যুক্ত হয়েছেন ‘চায়নাম্যান’ লাকশান সান্দাকান। আর চোটে পড়া লাহিরু কুমারার জায়গায় এসেছেন পেসার চামিকা করুনারত্নে। বাংলাদেশের বিপক্ষে সান্দাকানের অতীত রেকর্ড বেশ উজ্জ্বল, ৩ টেস্টে নিয়েছেন ৯ উইকেট। পাল্লেকেলে তাঁর অন্যতম ‘প্রিয়’ মাঠ, এখানে খেলা দুই টেস্টে নিয়েছেন ১২ উইকেট। দ্বিতীয় টেস্টের উইকেট কী ধরনের হতে পারে, সেটির ইঙ্গিত যেন মেলে সান্দাকানের অন্তর্ভুক্তিতেই।
যদিও সিরিজের প্রথম টেস্টে ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি পেয়েছেন করুনারত্নে। তিনি রেকর্ড জুটি গড়েছেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভার সঙ্গে। তবু বোলারদের জন্য আক্ষেপ ঝরেছে লঙ্কান অধিনায়কের। করুনারত্নের ভাবনার সঙ্গে মিলে যাচ্ছে বাংলাদেশ টিম লিডার খালেদ মাহমুদের চাওয়া। টেস্ট ক্রিকেটে ফল পেতে ২০ উইকেট পেতেই হবে। প্রথম টেস্টের তিন ইনিংসে সেখানে পড়েছে ১৭ উইকেট। এক দলের ২০ উইকেট পড়বে কীভাবে!
পরশু মাহমুদ তাই বলেছেন, ‘দুই দলের বোলারদের জন্য খারাপ লাগছে। এই উইকেটে টেস্ট ম্যাচ জেতা খুবই কঠিন। আর আমাদের বোলিং আক্রমণের চেয়ে ওদের পেস বোলিং আক্রমণ বেশি অভিজ্ঞ। হয়তো আমরা স্পিনে অভিজ্ঞ ছিলাম। ওরাও কিন্তু এখান থেকে উইকেট তুলতে পারেনি। আশা করছি পরের ম্যাচে এর চেয়ে ভালো উইকেট পাব।’
মাহমুদের আশা, একই ভেন্যুতে হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টের উইকেটে ব্যাটসম্যানদের পাশাপাশি বোলারদের জন্যও কিছু থাকবে। বাংলাদেশ টিম লিডার বলেছেন, ‘আমাদের জন্য অন্য রকম কিছু অপেক্ষা করছে (দ্বিতীয় টেস্টে)। হয়তো স্পিন উইকেট হতে পারে। তবে ন্যাড়া উইকেট হবে না বলে মনে করি।’
পাল্লেকেলেতে ১৬ টেস্টের ৮টিতেই ফল দেখেছে। বাংলাদেশ–শ্রীলঙ্কা সিরিজের শেষ টেস্টটা যদি ফল দেখে আর সেটি যদি হয় মুমিনুলদের পক্ষে—২০১৭ সালের মতো এবারও হাসিমুখে ফিরতে পারবে বাংলাদেশ।

ঢাকা: পাল্লেকেলেতে সিরিজের প্রথম টেস্টে ছিলেন না নাঈম হাসান। কাল বাংলাদেশ দলের অনুশীলনে অবশ্য বেশ ঘাম ঝরিয়েছেন তরুণ এই অফ স্পিনার। বিসিবির পাঠানো ভিডিওতে অন্তত তা–ই দেখা গেল। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে কি তবে ভাগ্য খুলছে নাঈমের?
প্রশ্নটার উত্তর পেতে আরেকটু অপেক্ষা করতে হবে। তবে কাল থেকে শুরু সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে পাল্লেকেলের উইকেট যদি প্রথম টেস্টের মতো না হয়, নাঈমের সুযোগ হতেও পারে। তিন পেসারের জায়গায় বাংলাদেশ খেলতে পারে তিন স্পিনার নিয়ে।
প্রথম টেস্টের পুরো পাঁচ দিন খেলে উইকেট পড়েছে ১৭টি। এর মধ্যে শেষ দিনেই পড়েছে ৭ উইকেট। বোঝাই যাচ্ছে টেস্টের শেষ দিকে এসে দ্রুত রান তুলতে গিয়েই বেশির ভাগ উইকেট পড়েছে। যে ব্যাটিং–সহায়ক উইকেটে খেলেছে দুই দল, কাল থেকে শুরু দ্বিতীয় টেস্টে উইকেটের চরিত্র একই থাকবে কি না, সেটি নিয়ে যথেষ্ট
সংশয় আছে।
অবাক করার বিষয়, সিরিজের প্রথম টেস্টের উইকেট নিয়ে ধন্দে ছিল শ্রীলঙ্কা দল। সেটি লুকাননি শ্রীলঙ্কা টেস্ট অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে। সবুজ উইকেট দেখে তাঁরা নাকি টস জিতে বোলিং নিতে চেয়েছিলেন। অথচ টস জিতে বাংলাদেশ অধিনায়ক মুমিনুল হক নিয়েছেন ব্যাটিং। করুনারত্নে অকপটেই বলেছেন, ‘আমরা উইকেট বুঝতে ভুল করেছি। ভেবেছিলাম এটা পেসারদের সহায়তা করবে। এ কারণে আমরা বোলিং করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু উইকেট এমন ছিল না।’
নিজেদের উইকেট চিনতে পারছে না স্বাগতিকেরা, বিষয়টা অবাক করার মতোই! পাল্লেকেলের কিউরেটরের ওপর দিয়ে গত কদিনে কী চাপটা গেছে, দূর থেকেই অনুমান করা সম্ভব! সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে নিশ্চয়ই প্রথম টেস্টের ভুলটা করতে চান না করুনারত্নেরা। এবার উইকেট বুঝেই তাঁরা একাদশ সাজাতে চান। আর সে কারণেই টেস্ট দলে যুক্ত হয়েছেন ‘চায়নাম্যান’ লাকশান সান্দাকান। আর চোটে পড়া লাহিরু কুমারার জায়গায় এসেছেন পেসার চামিকা করুনারত্নে। বাংলাদেশের বিপক্ষে সান্দাকানের অতীত রেকর্ড বেশ উজ্জ্বল, ৩ টেস্টে নিয়েছেন ৯ উইকেট। পাল্লেকেলে তাঁর অন্যতম ‘প্রিয়’ মাঠ, এখানে খেলা দুই টেস্টে নিয়েছেন ১২ উইকেট। দ্বিতীয় টেস্টের উইকেট কী ধরনের হতে পারে, সেটির ইঙ্গিত যেন মেলে সান্দাকানের অন্তর্ভুক্তিতেই।
যদিও সিরিজের প্রথম টেস্টে ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি পেয়েছেন করুনারত্নে। তিনি রেকর্ড জুটি গড়েছেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভার সঙ্গে। তবু বোলারদের জন্য আক্ষেপ ঝরেছে লঙ্কান অধিনায়কের। করুনারত্নের ভাবনার সঙ্গে মিলে যাচ্ছে বাংলাদেশ টিম লিডার খালেদ মাহমুদের চাওয়া। টেস্ট ক্রিকেটে ফল পেতে ২০ উইকেট পেতেই হবে। প্রথম টেস্টের তিন ইনিংসে সেখানে পড়েছে ১৭ উইকেট। এক দলের ২০ উইকেট পড়বে কীভাবে!
পরশু মাহমুদ তাই বলেছেন, ‘দুই দলের বোলারদের জন্য খারাপ লাগছে। এই উইকেটে টেস্ট ম্যাচ জেতা খুবই কঠিন। আর আমাদের বোলিং আক্রমণের চেয়ে ওদের পেস বোলিং আক্রমণ বেশি অভিজ্ঞ। হয়তো আমরা স্পিনে অভিজ্ঞ ছিলাম। ওরাও কিন্তু এখান থেকে উইকেট তুলতে পারেনি। আশা করছি পরের ম্যাচে এর চেয়ে ভালো উইকেট পাব।’
মাহমুদের আশা, একই ভেন্যুতে হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টের উইকেটে ব্যাটসম্যানদের পাশাপাশি বোলারদের জন্যও কিছু থাকবে। বাংলাদেশ টিম লিডার বলেছেন, ‘আমাদের জন্য অন্য রকম কিছু অপেক্ষা করছে (দ্বিতীয় টেস্টে)। হয়তো স্পিন উইকেট হতে পারে। তবে ন্যাড়া উইকেট হবে না বলে মনে করি।’
পাল্লেকেলেতে ১৬ টেস্টের ৮টিতেই ফল দেখেছে। বাংলাদেশ–শ্রীলঙ্কা সিরিজের শেষ টেস্টটা যদি ফল দেখে আর সেটি যদি হয় মুমিনুলদের পক্ষে—২০১৭ সালের মতো এবারও হাসিমুখে ফিরতে পারবে বাংলাদেশ।

ইএসপিএনক্রিকইনফোসহ ভারতের আরও বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, টি-টোয়েন্ট বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) ডেডলাইন ঠিক করে দিয়েছে আইসিসি। তবে বিষয়টির সত্যতা নেই বলে জানিয়েছেন বিসিবির বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজ আর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) চলছে একই সমান্তরালে। ওয়ানডে সিরিজ শেষে দুই দল এবার মুখোমুখি হবে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে। তবে জিমি নিশামের কাছে ভারত সিরিজের চেয়ে বিপিএলের গুরুত্ব বেশি।
৪ ঘণ্টা আগে
নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে কোনোভাবেই ভারতে দল পাঠাবে না সংস্থাটি। শেষ পর্যন্ত বিসিবি নিজেদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসলে আইসিসিও বিকল্প ভেবে রেখেছে। আইসিসির সূত্রের বরাত দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে এএফপি।
৪ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। যদি বাংলাদেশ না খেলে, সেক্ষেত্রে পাকিস্তানও বিশ্বকাপে খেলবে না বলে গতকাল পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তাতে সালমান আলী আগা-ফাহিম আশরাফদের বিশ্বকাপ বয়কট
৫ ঘণ্টা আগে