
বিশ্বকাপের শুরু থেকেই পিচ নিয়ে বিতর্ক চলছে। খোদ ভারতের সাবেক ব্যাটার বীরেন্দর শেবাগ জানিয়েছিলেন, ভারতকে বিশ্বকাপ জেতাতে পিচ তৈরিতে সহায়তা দিচ্ছে আইসিসি। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের মতো করে পিচ বানিয়ে নিচ্ছে ভারত।
শেবাগের মতো এমন সরাসরি বলতে না পারলেও পিচ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মোহাম্মদ হাফিজও। পাকিস্তানের সাবেক ওপেনারের মতে—পিচ আসলে কে তৈরি করে, আইসিসি নাকি বিসিসিআই। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সমালোচনা হয়েছে আহমেদাবাদ ও চেন্নাইয়ের পিচ নিয়ে। এ দুই পিচেই সবচেয়ে কম রানের ম্যাচ হয়েছে।
কম রানের দুই ম্যাচেই স্বাগতিক ভারত ছিল পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়ার প্রতিপক্ষ হিসেবে। প্রথমে ব্যাটিং করা দল কোনো মাঠেই ২০০ রান করতে পারিনি। ফলে এ দুই ম্যাচের পিচকে ‘সাধারণ’ পিচ বলে রেটিং দিয়েছে আইসিসি। আইসিসির মতে, দুটি ম্যাচের পিচ ছিল সাধারণ মানের।
তবে আইসিসির এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন রাহুল দ্রাবিড়। আহমেদাবাদ ও চেন্নাইকে সাধারণ পিচের রেটিং দেওয়া মানতে পারছেন না ভারতীয় কোচ। গতকাল ম্যাচ-পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ‘সম্মান রেখেই বলছি, দুটি পিচকে যে রেটিং দেওয়া হয়েছে, তার সঙ্গে একমত নই। আমি মনে করি ভালো পিচ ছিল। আপনি যদি ৩৫০ (রান) ম্যাচকে ভালো পিচের রেটিং করতে চান, তাহলে আমি এর সঙ্গে একমত নই। আপনাকে ভিন্ন ভিন্ন পিচের চরিত্র মনে রাখতে হবে।’

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২৭ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
২ ঘণ্টা আগে