পাকিস্তানের সব ক্ষেত্রেই দাপট দেখিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ভারতে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে সেই চিরায়ত দৃশ্য। ১৪৯ রানে থেমে যেতে হয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তদের। আজ এমন ব্যাটিংয়ে বেশ হতাশ সফরকারীরা।
ম্যাচ শেষে সেই হতাশায় দেখা গেল তাসকিন আহমেদের কণ্ঠে। চেন্নাই টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে বাংলাদেশি পেসার বলেছেন, ‘আমাদের ব্যাটিং পুরোপুরি হতাশাজনক হয়েছে। পেসাররা কিছু সহায়তা পেয়েছে।’
গতকাল প্রথম দিনে দুর্দান্ত বোলিংয়ে হাসান মাহমুদ ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু সপ্তম উইকেটে রবীন্দ্র জাদেজা ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন দুর্দান্ত জুটি গড়ে দিনটি বাংলাদেশের হতে দেননি। সেটিই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে মনে করেন তাসকিন। সঙ্গে তাঁর কণ্ঠে ভালো বোলিংয়ের আনন্দ থাকলেও ব্যাটিং নিয়ে হতাশার কথা শোনা গেল, ‘গতকাল আমরা ভালো শুরু করেছিলাম। কিন্তু অশ্বিন ও জাদেজার ভালো ব্যাটিং দিন শেষে পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। আজকেও আমাদের (বোলিংয়ে) শুরুতে ভালো সেশন কেটেছে। সব মিলিয়ে আমরা ভালো বল করেছি। কিন্তু দলে হিসেবে ব্যাটিং নিয়ে আমরা পুরোপুরি হতাশ।’
বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে এমন দুরবস্থার কারণ কী? এক সাংবাদিকদের সেই প্রশ্নে তাসকিন বলেছেন, ‘(বোলিংয়ে) লাইন-লেন্থে তারা (ভারত) বেশ ধারাবাহিক ছিল। ভারতের বোলিং আক্রমণ পরিকল্পনামাফিক ছিল। তারা ভালো বল করেছে, আমরা ভুল করেছি। নতুন বলে আমরা ভালো ব্যাট করিনি। তাদের অসাধারণ বোলিংয়ে সামনে আমরা অনেক উইকেট হারিয়েছি। প্রথম ১০ ওভারে যদি আমরা ভালো করতে পারতাম তবে ভিন্ন কিছু হতে পারত। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত হয়নি।’
পাকিস্তান সিরিজে সব বিভাগে বাংলাদেশ ভালো করলেও ভারতে ব্যাটিংয়ে ব্যর্থ বাংলাদেশ। নিজেদের ব্যাটিং ব্যর্থতায় বড় লিডের পথে স্বাগতিকেরা। ব্যাটিংয়ে রাওয়ালপিন্ডির ধারাবাহিকতা চেন্নাইয়ে দেখা না যাওয়ার কারণ হিসেবে এসজি বলে নিজেদের অভ্যাস না থাকার কারণকে দায়ী করলেন তাসকিন, ‘পাকিস্তান সিরিজে কিন্তু আমরা ভালো ক্রিকেট খেলেছিলাম আমরা। ব্যাটিং-বোলিং ওভার অল—ওই কারণে আমরা জিততে পেরেছিলাম। আসলে টেস্ট ক্রিকেটে সেশন বাই সেশন ব্যাটিং-বোলিং অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এখানের কন্ডিশন যেহেতু চ্যালেঞ্জিং—এসজি বলে ওরা একটু বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে। কারণ, ওরা ছোটবেলা থেকে এসজি বলে খেলে, ঘরোয়া ক্রিকেট খেলে। ওরা আমাদের চেয়ে এসজি কীভাবে ব্যবহার করতে হয় সেটি একটু বেশি জানে।’

ডারউইনে প্রথম দিনের সব আলো যেন হাসান মাহমুদই কেড়ে নিলেন। তাঁর আগুনে বোলিংয়ে পুড়ে ছারখার অস্ট্রেলিয়া। গুনে গুনে স্বাগতিকদের ছয় ব্যাটারকে ড্রেসিংরুমের পথ দেখিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এই পেসার। তবু একটা উইকেট হাসানের কাছে ‘বেশি স্পেশাল’।
২২ মিনিট আগে
গতি, সুইং, বাউন্স—প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে যা যা দরকার, ডারউইনে আজ বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে ছিল সবকিছুই। হাসান মাহমুদ, ইবাদত হোসেন চৌধুরী, তাসকিন আহমেদদের আগুনে বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে গেছে ২০০-এর আগেই। বিধ্বংসী বোলিংয়ে দুই বছর আগের স্মৃতি ফেরাল বাংলাদেশ।
১ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় এমন একটা দিন বাংলাদেশ কাটাবে, তা কজনে কল্পনা করতে পেরেছিলেন? কদিন আগে এই বাংলাদেশ ইনিংসে হেরেছে জিম্বাবুয়ের কাছে। তার ওপর ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাঠে বাংলাদেশের যে দল টেস্ট খেলেছে, সেই দলের কোনো ক্রিকেটারেরই ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি। আজ ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্র
২ ঘণ্টা আগে
ঘরের মাঠের চেয়ে বিদেশের মাঠেই বেশি সাবলীল হাসান মাহমুদ। পেস, সুইংয়ে ব্যাটারদের কাবু করেন নিয়মিতই। অস্ট্রেলিয়ায় এবার প্রথমবার টেস্ট খেলতে নেমেই আগুন ঝড়াচ্ছেন হাসান। ছুঁয়ে ফেলেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজার রেকর্ড। হাসানের সামনে এখন কেবল শাহাদাত হোসেন রাজীব ও তাসকিন আহমেদ।
৩ ঘণ্টা আগে